বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: চিরকুটে বাবা-মায়ের প্রতি চাপা অভিমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: চিরকুটে বাবা-মায়ের প্রতি চাপা অভিমান

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা উপজেলায় লামিয়া খাতুন (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই ছাত্রীর হাতে লেখা আবেগঘন একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে তার পারিবারিক জীবনের নানা কষ্টের কথা উঠে এসেছে।

নিহত লামিয়া খাতুন শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বুরুজ বাগান গ্রামের আসাদুল ইসলামের মেয়ে এবং বুরুজ বাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে বর্তমানে তার মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর (সৎ বাবা) বাড়িতে বসবাস করছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, লামিয়ার বাবা বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। রোববার সকালে লামিয়ার মা শিখা আক্তার শিরিন তাকে বাড়িতে একা রেখে বিশেষ প্রয়োজনে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন। রবিবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েকে ফোনে না পেয়ে তিনি লামিয়ার চাচিকে বাড়িতে গিয়ে দেখার অনুরোধ করেন। চাচি বাড়িতে গিয়ে শয়নকক্ষে ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় লামিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে মরদেহটি নিচে নামান।

মরদেহের পাশ থেকে লামিয়ার হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে সে তার মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করে নিজের ইচ্ছায় এই পথ বেছে নেওয়ার কথা লিখেছে। চিরকুটে লামিয়া তার বাবার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছে, সে তার বাবাকে শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিল কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। এছাড়া তার মা ও নানার প্রতিও ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে এবং তার মৃত্যুর পর বাবার কান্নাকাটি না করার জন্য অনুরোধ করেছে। তবে চিরকুটে তার মায়ের কিছু সিদ্ধান্তের প্রতি চাপা কষ্ট ও ক্ষোভের আভাস পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে শার্শা থানার এসআই শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ দাফনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

 

Ads small one

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তি ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি

পত্রদূত রিপোর্ট: ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত সংখালঘু নির্যাতনের ধারাবাহিকতা ও মানবাধিকার লংঘনের প্রেক্ষাপটে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের আবেদন এবং ৮ দফা দাবি আন্দোলনে মিথ্যা মামলায় কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ সকল কারাবন্দির মুক্তির দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে বৃহষ্পতিবার বেলা ১১টায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুৃপদ পাল এর কাছে এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি পেশ করার সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচীব মনোদ্বীপ কুমার ম-ল, যুগ্ম আহবায়ক সুজন কুমার সানা, প্রতিমা রানী হালদার, মিহির কুমার ম-ল, সদস্য সমীর দাস, সমীরণ চক্রবর্তী, মোহন বিশ^াস ও প্রশান্ত কুমার পাল প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে বিশেষতঃ হিন্দুদের উপর ধারাবাহিক নির্যাতন, সম্পত্তি দখল ও দেশত্যাগের প্রবণতা শুরু হয়। ১৯৬৪ সালের দাঙ্গা ও পরবর্তীতে শত্রু সম্পত্তি আইন সংখ্যালঘুদের ভূমি ও সম্পত্তি হারানোর একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংখ্যালঘু জনগোষ্টি বিশেষভাবে টার্গেটেড নির্যাতনের শিকার হয়। যাহা আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুতর অধ্যায়। স্বাধীনতার পর সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমতার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ও সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা অব্যহত রয়েছে। এর ফলে ১৯৬৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এক কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু দেশ ত্যাগ করেছে। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ হিন্দু দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

 

বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, বিদ্যমান আইন সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং একটি বিশেষায়িত আইনের অভাব রয়েছে। ফলে সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সাংগঠণিকভাবে হামলা ও সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটছে। অনেকক্ষেত্রে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিদ্যমান থাকায় ভুক্তভোগীরা ন্যয় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে ২০০৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সম্প্রতিকালে গত ১৯ এপ্রিল কক্সবাজারে নয়ন সাধু হত্যা, ২৪ এপ্রিল কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা, ৩ জানুয়ারি খোকন চন্দ্র দাস হত্যা, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিং এর ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসকে নির্যাতনের পর পুড়িয়ে হত্যা, গত ২৭ এপ্রিল সাতক্ষীরায় বীথিকা রানী সাধু হত্যা, গত ২ মে সাতক্ষীরার পশু চিকিৎসক ডাঃ অনিমেষ পরমান্য অপহরণ, ২০১২ সাল থেকে ধারাবাহিক নির্যাতন ও জমি জবরদখল এর পর সর্বশেষ অলিখিত স্টাম্পে সাক্ষর না করায় গত ১৫ এপ্রিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের চম্পাফুলে মাধবী ম-ল ও তার ছেলে শঙ্কর ম-লকে প্রতিপক্ষ সামাদ গাজী ও তার ছেলে আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে লোহার রড দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন, গত ২৬ এপ্রিল ফরিদপুরে রঞ্জিত সরকার হত্যা, টাঙ্গাইলে এক গর্ভবতী মাকে ধর্ষণের পর হত্যা, কক্সবাজারে গণেশ পাল হত্যা, খুলনায় পুলিশ কর্মকর্তার মা ভারতী রানীকে গলা কেটে হত্যা ছাড়াও প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের বাড়ি দখল, মঠ ও মন্দির ভাংচুর, চাঁদাবাজি, অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, গুম ও হত্যার কথা তুলে ধরা হয়।

সর্বোপরি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির সুরক্ষায় একটি পৃথক ও কার্যকর ”সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” দ্রুত প্রণয়ন এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠণের দাবি জানানো হয়।

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার আইনজীবী ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার আইনজীবী ফোরামের ত্রৈ-মাসিক সভা

মানবাধিকার আইনজীবী ফোরাম (এইচআরএলএফ) এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ২ টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি ভবণের তৃতীয় তালায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র আইনজীবি এড. তোজাম্মেল হোসেন।

 

সভায় আইনজীবী ফোরামের সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত মামলার ফলোআপ ও মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া, মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ সাতক্ষীরায় সম্প্রতিঘটে যাওয়া নারী ও শিশু নির্যাতনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সংখ্যালঘু মানুষের উপর নির্যাতন, অপহরন, খুন-ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় ও নারীশিশু আদালতের মামলারজট কমানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করা হয়।

 

উক্ত সভায় মানবাধিকার আইনজীবি ফোরামের সদস্যসহ স্বদেশ সংস্থার নাগরিকতা প্রোগ্রামের কর্মকর্তা মো: আজাহারুল ইসলাম ও প্যারালিগ্যাল মো: শরিফুল ইসলাাম উপস্থিত ছিলেন।

স্বদেশ সংস্থার বাস্তবায়নে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর সহায়তায় নাগরিকতা প্রকল্পের অধীনে উক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় কোচিং সেন্টার ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তালাবদ্ধ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও কোচিং সেন্টার ঘেরাও করেছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করে দেয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনের একপর্যায়ে শহরের সজীব বায়োলজি একাডেমি কোচিং সেন্টারের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীব সরকারি কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপমানজনক বক্তব্য দিয়েছেন। মূলত এ ঘটনার প্রতিবাদেই তারা কর্মসূচি পালন করেন।

পরে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারটি ঘেরাও করলে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারের ভেতরে থাকা কিছু শিক্ষার্থী দরজা বন্ধ করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সজীব বায়োলজি একাডেমির পরিচালক সজীবের গ্রেপ্তার এবং কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবি জানান। তারা বলেন, শিক্ষকের সম্মানহানির ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে তারা।

শিক্ষার্থী রাশিয়া আক্তার বলেন, একজন সরকারি কলেজ শিক্ষকের সঙ্গে এভাবে অসম্মানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

আরেক শিক্ষার্থী মাসুদ বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আবারও আন্দোলনে নামব। আমরা সজীবের গ্রেপ্তার দাবি করছি।

এদিকে কলেজের আশপাশে গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান অবাধে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাসেম বলেন, আমাদের এক শিক্ষককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার অপারেশন অফিসার (ওসি) সুশান্ত ঘোষ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরে কোচিং সেন্টারটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উত্তেজনা এড়াতে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয় এবং কোচিং সেন্টারটিতে আপাতত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।