মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

হাম উপসর্গে একদিনে ৭ মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে একদিনে ৭ মৃত্যু

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার (২০ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৮০৭ জন। আর ৮০ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ৫৮৪ শিশু।

এতে বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯১ হাজার ৭৮৯ জন। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামরোগীর শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯৪৯ জনের।

Ads small one

আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

পত্রদূত রিপোর্ট: ওয়ারেশ ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া জমির নামপত্তন ও খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দপুরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ৮০ বছরের বৃদ্ধ একেএম সামছুল কবীর। রেকর্ড সংশোধনের মামলার রায় তার পক্ষে যাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমির দখল বুঝে না পেয়ে আদালতপাড়ায় সময় কাটছে তার। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে এমনই হাতাশা ব্যক্ত করেন সামছুল কবীর।

কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের সামছুল রহমানের ছেলে একেএম শামছুল কবীর জানান, ২০০৭ সালে তিনি পূবালী ব্যাংকের খুলনা প্রধান শাখার পিন্সিপ্যাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান তিনি। মুকুন্দপুর মৌজার আরএস-২৪ খতিয়ানের ৭১২ দাগে ওয়ারেশসূত্রে ৭ দশমিক ৩৩ শতক ও ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই আবু বক্কর সরদারের কাছ থেকে চার শতক জমি কিনে মোট ১১ দশমিক ৩৩ শতক জমির নামপত্তন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ওই জমি ভুল করে একই গ্রামের আশরাফ আলীর নামে রেকর্ড হয়।

 

রেকর্ড মূলে ওই জমি আশরাফ আলীর ওয়ারেশগণ গায়ের জোরে জবরদখল অব্যহত রাখায় তিনি সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যােিজষ্ট্রট আদালতে পিটিশন ৪৩৯/১৭ নং মামলা করেন। ২০১৯ সালের ২২ আগষ্ট বিচারক ওই জমি তাকে ভোগদখল করার জন্য নির্দেশনা দেন। এরপরও তিনি ওই জমির দখল না পাওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের জন্য সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ১৩৩১/২০ নং মামলা করেন।

 

মামলায় আশরাফ আলীর ছেলে দাউদ আলী সরদারসহ ১০জনকে বিবাদী করা হয়। ওই আদালতের বিচারক মোঃ জাহিদুল আজাদ ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তার (শামছুল কবীর) পক্ষে রায় ও ২৪ সেপ্টেম্বর ডিক্রী দেন। আদেশে তার (শামছুল কবীর) নামে রেকর্ড প্রদান করে খতিয়ান সংশোধনের জন্য তৎকালিন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

বেগতিক বুঝে ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ মহামামন্য হাইকোর্টে ৪৭০৪/২৩ নং রিট পিটিশন দাখিল করে। আদালত শুনানী শেষে সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার জন্য বিবাদীপক্ষ দাউদ সরদার ও তার শরীকদের নির্দেশনা দেন। এরপর বিবাদীপক্ষ ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে ১১৫/২৪ নং আপীল মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনি (শামছুল কবীর) স্বাক্ষ্য দিয়েছেন।

 

আপিল মামলা পরবর্তী ২৪টি ধার্য দিনেও পড়লে আপিলকারি পক্ষ মামলা বিলম্বিত করতে কৌশলে সাক্ষ্য দিতে গড়িমসি করছেন। আগামি পহেলা জুলাই সাক্ষীর জন্য পরবতী দিন ধার্য রয়েছে। ফলে তিনি ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে রায় পাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমি দখলে নিতে পারছেন না। প্রায় ৮০ বছর বয়সেও তিনি ন্যয় বিচারের মাধ্যমে জমির দখল পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। জীবদ্দশায় ওই জমির দখল পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

তবে এ ব্যাপারে মনিরুল সরদার সাংবাদিকদের বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. প্রণব সরকার বলেন, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি একেএম শামছুল কবীরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আদালত দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক।
আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. পরিতোষ কুমার ঘোষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

 

শার্শায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
শার্শায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে নোংরা পরিবেশে একটি বেকারি কারখানাতে তৈরি করা হচ্ছে হরেক রকম বেকারী খাদ্যপণ্য। যা খেয়ে প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন ছোট-বড় হাজারও মানুষ।

তথ্য-অনুসন্ধানে (২৯ জুন) সোমবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলা বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর বড়কলনির মোড়ের পাশে একটি বাড়ির মধ্যে রিয়াদ ফুড নামক বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিস্কুট, রুটি কেকসহ বিভিন্ন রকমের বেকারি খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে।

বেকারী খাবার তৈরী করতে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল, রং ও নি¤œমানের পাম তেল ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রমিকরা বিশেষ পোশাক ছাড়া খালি পায়ে খাবার তৈরী করছে। নোংরা ও অপরিষ্কার কড়াই গুলোতে আটা ময়দা প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। ডালডা দিয়ে তৈরী করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঢাকনা নাই, ঝাকে ঝাকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ন তারিখ ছাড়াই বাহিরে মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারী খাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে।

 

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে একটি বাসা বাড়ির মধ্যে বেকারি পণ্য তৈরি করে বাজারজাত করছে এমনও অভিযোগ রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভেজাল কেমিক্যাল ও নিন্মমানের উপকরণ দিয়ে তৈরী করা খাবার নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে।

রিয়াদ ফুড এর মালিক মো. খোকনের কাছে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ছোট ব্যাবসায়ী, আমি সব আইন কারণ মানতে পারছি না। আপনারা বড় কারখানায় গিয়ে দেখুন, সেখানেও আমার চেয়ে খারাপ অবস্থা।

এবিষয়ে শার্শা উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর শেফালী খাতুন জানান, যদি কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করেন, তবে সেই প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন দুপুর) বেলা ২টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নম্বর বিল্ডিং এর তিনতলায় লাইব্রেরী হলরুমে উক্ত সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক এড. মোঃ আকবর আলী।

 

সংগঠনের সদস্য সচিব এড. নুরুল আমিন’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অংশ গ্রহণ করেন এড. এবিএম সেলিম, এড. আবু সাইদ রাজা, এড. শহীদ হাসান, এড. সিরাজুল ইসলাম, এড. শাহরিয়ার হাসীব, এড. জিএম ফিরোজ আহমেদ, এড. সরদার সাইফ, এড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, এড. এবিএম ইমরান হোসেন শাওন, এড. আবদুল জলিল, এড. সোহরাব হোসনে বাবলু, এড. শামীমা পারভীন মিঠু, এড. সুনীল কুমার, এড. নজরুল ইসলাম, এড. তারিক ইকবাল অপু, এড. আইয়ুব আলী, এড. মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ অলি, এড. আজিজুল হক প্রমুখ।

 

সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ০৫ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ আইনজীবীদের মধ্যে বৃক্ষ বিতরণ করা হবে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুর ইসলাম হাবিবকে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া নবাগত আইনজীবীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ফরম বিতরণ করা হবে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার জন্য কয়েকটি উপকমিটি করা হয়েছে।