সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে পারে ইউপি নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে পারে ইউপি নির্বাচন

আজহারুল ইসলাম সাদী

সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১২ নভেম্বর। এর মধ্য দিয়েই দেশে নতুন করে শুরু হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোট ২৭ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভোট গ্রহণে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে এবার উপজেলাভিত্তিক নির্বাচনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, একটি উপজেলার সব ইউনিয়নে একই দিনে ভোট হবে। তবে মোট কতটি ধাপে ভোট শেষ করা হবে (সম্ভাব্য ৫ বা ৬ ধাপ), তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া আসন্ন নির্বাচনে পোস্টারসহ পরিবেশবিরোধী প্রচারসামগ্রী ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং কিছু নতুন নিয়ম যুক্ত হচ্ছে।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

দেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন উপযোগী এলাকাগুলোকে রাখা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর মাসেই তফসিল ঘোষণার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কমিশন। এ বিষয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ইসির চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৫০০টি উপজেলা ও সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণ করা হবে।

সাধারণত দুই মাস সময় রেখে তফসিল ঘোষণার বাধ্যবাধকতা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে সময়সূচি ঘোষণা করা হলে কিছু নির্বাচন চলতি বছরের শেষে এবং কিছু আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হবে। সময়সূচি ঘোষণার পর গড়ে দুই মাসের মতো সময় হাতে রাখা হয়।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন সিইসি। বর্তমানে আইনি সংস্কারের কাজ চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব ইউপির মেয়াদ শেষ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর ভোট চলতি বছরের মধ্যেই শুরুর তাগিদ রয়েছে। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

নির্বাচনের সময় নির্ধারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্গাপূজা, পরীক্ষা এবং পরবর্তী সময়ে শীতকাল, রমজান ও বর্ষার মতো আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় ভোটের জন্য শুষ্ক মৌসুমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইসি। সেই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা সহজীকরণ ও জালিয়াতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। লেখক: সংবাদকর্মী ও কলামিস্ট

Ads small one

তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
তালায় সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় সভা

তালা প্রতিনিধি: তালায় সরকারি সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সঙ্গে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর নেতাদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেসরকারি সংস্থা ভূমিজ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘সমতার জন্য লড়ি’ (সজল) প্রকল্পের আওতায় সোমবার সকালে ভূমিজ ফাউন্ডেশন সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভূমিজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অচিন্ত্য সাহার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুম বিল্লাহ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাষ কুমার দাস।
প্রকল্প কর্মকর্তা দে অঞ্জন কুমারের পরিচালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম, তালা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, উইমেন জব ক্রিয়েশন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার আশা, সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান, অন্ত্যজ পরিষদের নেতা ইমদাদুল হক, সরস্বতী দাস, সোমা সরকার, ভূমিজ ফাউন্ডেশনের তারেক সরকার, মহাদেব কুমারসহ কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সরকারি পরিষেবায় দলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া এবং বর্ণবৈষম্য দূর করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

আশাশুনির ৯০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
আশাশুনির ৯০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বরাদ্দের আওতায় জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের অনুকূলে বরাদ্দ করা এসব ক্রীড়া সামগ্রী উপজেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
সোমবার সকালে আশাশুনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
বরাদ্দ করা ক্রীড়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ফুটবল, ভলিবল, ভলিবল নেট, ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, শাটলকক, ব্যাডমিন্টন নেট, দাবা সেট ও হ্যান্ডবল। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতে এসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
ক্রীড়া সামগ্রী পাওয়া প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দয়ারঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাব, অফিসার্স ক্লাব, সোদকনা সবুজ সংঘ, শ্রীকলস স্পোর্টিং ক্লাব, দুর্গাপুর সূর্য তরুণ ক্লাব ও বাঁকড়া ইউনাইটেড ক্লাবসহ উপজেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাব।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ অবদুস সবুর, আশাশুনি উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমির ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল আফছার মোর্তজা, জজ কোর্টের এপিপি ও বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আইনজীবী শহিদুল ইসলাম, আলমগীর পিন্টুসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তরুণদের মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।

তালায় বীমার টাকা ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
তালায় বীমার টাকা ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার বারুইহাটি গ্রামে বিভিন্ন মেয়াদের বীমা করে মেয়াদ শেষে টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।
বারুইহাটি গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাহক রোববার বিকেলে বারুইহাটি ঈদগাহের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে ভুক্তভোগী গ্রাহক বারুইহাটি গ্রামের হারুন-অর-রশিদ, মো. বুলগানী, হযরত আলী পাড়, আব্দুল হান্নান সরদার, ছবিরোন বিবি, কমলা বেগম ও সুমিত্রা কর্মকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বক্তারা জানান, বারুইহাটি গ্রামের মৃত কোমরউদ্দীন সরদারের ছেলে ফয়সাল হোসেন (৪৫) বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৪০০ নারী-পুরুষকে বিভিন্ন মেয়াদের বীমার গ্রাহক করেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অনেক গ্রাহক তাঁদের প্রাপ্য টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বীমা গ্রাহকদের কাছ থেকে ফয়সাল হোসেন বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বীমা অফিসে অল্প টাকা জমা দিয়ে বাকি টাকা নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। বীমার মেয়াদ পার হওয়ার পর গ্রাহকেরা টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা তালবাহানা করছেন।
গ্রাহকেরা আরও জানান, ফয়সাল গ্রামের সহজ-সরল একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে বারবার কোম্পানি পরিবর্তন করিয়ে টাকা গ্রহণের রসিদ জমা দিয়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের নাম পরিবর্তন করে একেক সময়ে একেক নামে রসিদ দিয়েছেন। যে কারণে গ্রাহকেরা এখন কোম্পানির কাছ থেকে প্রতিকার পাচ্ছেন না। রসিদের নাম বা গ্রাহকের বিবরণ ঠিকমতো না লেখায় কোম্পানিও দায় নিচ্ছে না। ফলে শত শত গ্রাহক তাঁদের কষ্টার্জিত লাখ লাখ টাকা ফয়সালের কাছে ফেরত চাইতে গিয়ে হুমকির শিকার হচ্ছেন। এ ঘটনার প্রতিকার পেতে গ্রাহকেরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে ফয়সাল হোসেন জানান, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ১১৯ জন সদস্যের মধ্যে ১১৭ জনকে মোট ১৬ লাখ টাকা ইতোমধ্যে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে ১২ লাখ টাকার বিপরীতে বোনাসসহ ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা এবং মেয়াদপূর্তির ক্ষেত্রে ৭০ জন সদস্যের মধ্যে ১৮ জনকে মোট ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাকি সদস্যরা কোম্পানির আইনগত জটিলতার কারণে টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।
তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে টাকা না পাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জানিয়ে দ্রুত প্রাপ্য টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকেরা।