বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

২৭ এপ্রিল যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
২৭ এপ্রিল যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পত্রদূত ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯টা ২০ মিনিটে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি লেখেন- ‘সুসংবাদ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। (সম্ভাব্য তারিখ- ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং) ত্রয়োদশ নির্বাচনের পর এটিই হবে তার প্রথম যশোর সফর।’ যশোর এলাকার ইভেন্ট
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই সফরকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহরের ঈদগাহ ময়দানে এক বিশাল জনসভার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরকালে তিনি বহুল প্রতীক্ষিত যশোর ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত শার্শা উপজেলার উলসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রী যশোর আসবেন এটি নিশ্চিত হয়েছে। সফরকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উলশী খাল ও ৫০০ শয্যার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এরপর বিকেলে ঈদগাহ ময়দানে সমাবেশে অংশ নেবেন। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হলেও দীর্ঘ ১৫ বছরে এখনও হাসপাতাল কার্যক্রম শুরু হয়নি। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য ৪ কিলোমিটার দূরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে যেতে হয়। সাতক্ষীরা ও কুষ্টিয়ায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু হলেও যশোরে না হওয়ায় ক্ষোভ ছিল স্থানীয়দের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন, যা এই অঞ্চলের চিকিৎসাসেবায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি শার্শা উপজেলার উলাসী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। ৫০ বছর আগে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান নিজ হাতে কোদাল নিয়ে এই খালের খনন কাজ শুরু করেছিলেন, যা ইতিহাসে ‘উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প’বা ‘জিয়া খাল’নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়া এই খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় প্রাণ ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।