সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’!

নিজস্ব প্রতিনিধি: অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি, গ্রাহকদের টাকা দিতে না পারা, অসৌজন্যতার আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’। কলারোয়া বাজারের এমআর ফাউন্ডেশনে দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এই ব্যাংকে গ্রাহকদের হয়রানি ও নাজেহাল নিত্যদিনের ঘটনা।
গত রবিবার দুপুরের দিকে পৃথক দুটি চেকে ৯ লাখ টাকা তুলতে যান একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। ক্যাশ কাউন্টারের দায়িত্ব মহিলা কর্মকর্তা জানালেন টাকা নেই। অথচ তখনই পরপর দুই থেকে তিনজন ব্যক্তি পাঁচশত ও এক হাজার টাকা নোটের কয়েকটি ব্যান্ডেল জমা দিলেন। আনুমানিক ৩০/৪০ লাখ টাকার মতো। তখন বলা হলো এখনতো টাকা জমা পড়েছে তাহলে আমাদের চেকের টাকাটা দেন। ক্যাশ কাউন্টারের মহিলা কর্মকর্তা বললেন, ম্যানেজার সাহেব কে জানান। ম্যানেজার সাব্বির আহমেদকে জানালে তিনি ক্যাশ কাউন্টারের কর্মকর্তাকে একটি চেকের টাকা দিতে বললেন। ম্যানেজারকে জানানো হলো- ইতোমধ্যে বহু টাকা জমা পড়েছে। তবু তিনি বললেন, বাকি টাকা ঝাউডাঙ্গা শাখা থেকে নেন। অগত্যা নিরুপায় হয়ে একটি থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেলে ২ লাখ টাকা দিয়ে বাকি টাকা ১০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেল দিতে পাঁচ লাখ টাকা ডেলিভারি দিলেন। ক্যাশ কাউন্টার মহিলাকে জানানো হলো, যেহেতু বড় টাকার নোটের ব্যান্ডেল আছে সেখান থেকে দেন, কারণ এগুলো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। বড় নোটের টাকার ব্যান্ডেল থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তা কিছুতেই দিলেন না। এ নিয়ে বাগবিত-াও হলো। অগত্যা সেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছুটলেন ঝাউডাঙ্গা শাখায়।
এরূপ প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমুলক আচরণ, অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি ও টাকা থাকলেও না দেয়ার ঘটনা ঘটছে ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কলারোয়া শাখায়।

Ads small one

চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম: ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম: ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত

সংবাদদাতা: গ্রীষ্মের প্রচ- দাবদাহ আর আষাঢ়ের ভ্যাপসা গরমে সাতক্ষীরায় বিদ্যুতের লোডশেডিং আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার কয়েক লাখ গ্রাহক। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে, বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় পরিস্থিতি আরও নাজুক। প্রচ- গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের বরাদ্দ অনেক কম মেলায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাধ্য হয়েই ফিডার ধরে ধরে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য ও সরকারি দপ্তরে। ভোমরা কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানের দাপ্তরিক সব কাজ অনলাইন নির্ভর। বিদ্যুৎ না থাকায় ইন্টারনেট ও কম্পিউটার বন্ধ থাকছে, যার ফলে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ফাইল তদারকি ও পণ্য খালাসে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।
ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অভিযোগ, ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে বাসাবাড়ির টেলিভিশন, ফ্রিজসহ দামি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে শিল্পকারখানার মালিকেরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার ফলে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা জানান, বিদ্যুতের এই চরম সংকটে স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘœ ঘটছে। গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে মোমবাতি, হারিকেন বা ল্যাম্প জ্বালিয়ে পড়তে বসতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে প্রয়োজনীয় চেষ্টা চলছে।

 

সাতক্ষীরায় ভুয়া চিকিৎসককে ৬ মাসের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ভুয়া চিকিৎসককে ৬ মাসের কারাদন্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় কোনো বৈধ সনদ ছাড়াই নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে রোগী দেখার অভিযোগে ইয়াসিন আলী নামের এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দুপুরে উপজেলার নলতা এলাকার ‘নলতা মানব স্বপ্ন হেলথ কেয়ার সেন্টারে’ অভিযান চালিয়ে এ দ- দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইয়াসিন আলী দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা সনদ ছাড়াই রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে এই কারাদ- দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাইনুল ইসলাম খান। তিনি জানান, জনস্বার্থে ভুয়া চিকিৎসক ও অননুমোদিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রতারণামূলক কর্মকা-ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যসেবার নামে এমন প্রতারণা রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ঘরে ও পুকুরপাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার দুপুরে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑউপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়া ঘোপ গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে হাসিব আল হাসান (১৯), ছোট বসন্তপুর গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহমান ইমন (২৪) ও একই গ্রামের মালেক মোড়লের ছেলে মেহেদি হাসান টুটুল (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শার্শার ছোট বসন্তপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের ওই গৃহবধূ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে আসেন। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েকজন যুবক তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। প্রথমে হাসিব আল হাসান তাকে ধর্ষণ করে। পরে অন্য আসামিরা তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় চিৎকার করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান এবং থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। রাতেই প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।