অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’!
নিজস্ব প্রতিনিধি: অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি, গ্রাহকদের টাকা দিতে না পারা, অসৌজন্যতার আরেক নাম কলারোয়ার ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক’। কলারোয়া বাজারের এমআর ফাউন্ডেশনে দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এই ব্যাংকে গ্রাহকদের হয়রানি ও নাজেহাল নিত্যদিনের ঘটনা।
গত রবিবার দুপুরের দিকে পৃথক দুটি চেকে ৯ লাখ টাকা তুলতে যান একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। ক্যাশ কাউন্টারের দায়িত্ব মহিলা কর্মকর্তা জানালেন টাকা নেই। অথচ তখনই পরপর দুই থেকে তিনজন ব্যক্তি পাঁচশত ও এক হাজার টাকা নোটের কয়েকটি ব্যান্ডেল জমা দিলেন। আনুমানিক ৩০/৪০ লাখ টাকার মতো। তখন বলা হলো এখনতো টাকা জমা পড়েছে তাহলে আমাদের চেকের টাকাটা দেন। ক্যাশ কাউন্টারের মহিলা কর্মকর্তা বললেন, ম্যানেজার সাহেব কে জানান। ম্যানেজার সাব্বির আহমেদকে জানালে তিনি ক্যাশ কাউন্টারের কর্মকর্তাকে একটি চেকের টাকা দিতে বললেন। ম্যানেজারকে জানানো হলো- ইতোমধ্যে বহু টাকা জমা পড়েছে। তবু তিনি বললেন, বাকি টাকা ঝাউডাঙ্গা শাখা থেকে নেন। অগত্যা নিরুপায় হয়ে একটি থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেলে ২ লাখ টাকা দিয়ে বাকি টাকা ১০০ টাকার নোটের ব্যান্ডেল দিতে পাঁচ লাখ টাকা ডেলিভারি দিলেন। ক্যাশ কাউন্টার মহিলাকে জানানো হলো, যেহেতু বড় টাকার নোটের ব্যান্ডেল আছে সেখান থেকে দেন, কারণ এগুলো অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। বড় নোটের টাকার ব্যান্ডেল থাকা সত্ত্বেও ওই কর্মকর্তা কিছুতেই দিলেন না। এ নিয়ে বাগবিত-াও হলো। অগত্যা সেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছুটলেন ঝাউডাঙ্গা শাখায়।
এরূপ প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমুলক আচরণ, অব্যবস্থাপনা, গ্রাহকদের হয়রানি ও টাকা থাকলেও না দেয়ার ঘটনা ঘটছে ‘আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কলারোয়া শাখায়।










