শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

আগুনের পরশমণি ছোঁয়া সাতক্ষীরা: ওষ্ঠাগত প্রাণ, বাতাসেও বিষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
আগুনের পরশমণি ছোঁয়া সাতক্ষীরা: ওষ্ঠাগত প্রাণ, বাতাসেও বিষ

​নিজস্ব প্রতিনিধি: ​চৈত্র শেষ হয়ে এল। দুয়ারে কড়া নাড়ছে বৈশাখ। চারদিকে যখন নতুন বছরকে বরণের আনন্দ আয়োজন চলার কথা, তখন সাতক্ষীরার আকাশ যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। নীল আকাশ জুড়ে মেঘের লেশমাত্র নেই; বরং খাঁ খাঁ রোদ আর উত্তপ্ত বাতাস জানান দিচ্ছে—প্রকৃতি এখন এক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

​দিগন্তজোড়া মাঠের দিকে তাকালে মনে হয়, ধরিত্রীর বুকের সবটুকু সুধা শুষে নিচ্ছে ওপরের ওই আগুনের গোলকটি। মাটির ফাটল দিয়ে বের হওয়া তপ্ত হাওয়া চোখের সামনে মরীচিকার মতো কাঁপছে।

​আজ রোববার দুপুরের সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপর, তখন সাতক্ষীরার পারদ ছুঁয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস বলছে, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই উত্তাপ ৩৬ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়। ভোরের স্নিগ্ধতাটুকু ২৬ ডিগ্রিতে আটকে থাকলেও সূর্য ওঠার পর থেকেই প্রকৃতি যেন রণমূর্তি ধারণ করে। আগামী কয়েক দিনও এই দহন থেকে নিস্তার নেই; পারদ ৩৫-৩৬ ডিগ্রির ঘরেই ওঠানামা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

​কেবল তপ্ত রোদ নয়, সাতক্ষীরার মানুষের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে জনপদের বাতাস। বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো বলছে, আজ এই শহরের বায়ু মানের সূচক (একিউআই) ছিল ১৪০। সাহিত্যের ভাষায় যাকে বলা যায় ‘মলিন বাতাস’। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’।

​যাঁদের ফুসফুসে পুরনো অসুখ কিংবা যাঁদের বয়স হয়েছে, এই বিষাক্ত বাতাস তাঁদের প্রাণ ওষ্ঠাগত করে তুলছে। ধুলিকণা আর দূষণের এই মেঘমুক্ত আকাশ যেন এক মায়াবী মরণফাঁদ। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সময়ে ঘরের কোণটুকুই নিরাপদ; একান্ত প্রয়োজনে বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা ছাড়া গতি নেই।

​তীব্র এই গরমে জীবন বাঁচানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। হিটস্ট্রোক আর পানিশূন্যতার ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো যেন এখন বাঁচার মন্ত্র:

​তৃষ্ণা না পেলেও বারবার বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার গ্রহণ।

​দুপুরের কড়া রোদ থেকে নিজেকে আড়াল রাখা এবং প্রয়োজনে ছাতার ছায়ায় আশ্রয় নেওয়া।

​কৃত্রিম তন্তু ছেড়ে পাতলা সুতির ঢিলেঢালা পোশাকে শরীরকে শান্ত রাখা।

​আবহাওয়া অফিস খুব একটা আশার বাণী শোনাতে পারছে না। আকাশে মাঝেমধ্যে মেঘের আনাগোনা হতে পারে ঠিকই, কিন্তু তৃষিত চাতকের মতো বৃষ্টির যে অপেক্ষা, তা মেটার সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। সাতক্ষীরার রুক্ষ প্রকৃতি এখন কেবল এক পশলা বৃষ্টির প্রতীক্ষায় দিন গুনছে।

Ads small one

চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিকানায় অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি- সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের সাবেক অধিনায়ক চেন্নাইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

অবশ্য এমন খবর প্রকাশের পর সেসব দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে চেন্নাই। সিএসকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ধোনির সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনাই হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এমএস (ধোনি) কখনো আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেননি। আমরা বিষয়টি নিয়ে কখনো আলোচনা করিনি। শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন, এমন কোনো তথ্যও আমাদের কাছে নেই।’

তবে সিএসকের সঙ্গে ধোনির কোনো শেয়ারের সম্পর্ক নেই- বিষয়টি এমন নয়। চেন্নাই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেয়ার কেনার সুযোগ থাকাকালে কিছু শেয়ার কিনেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সিএসকে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নয়। ফলে এর শেয়ার সাধারণ শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে বা অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা সম্ভব।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধোনির হাতে এক লাখের বেশি সিএসকে শেয়ার রয়েছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার কাঠামোর তুলনায় এটি খুবই সামান্য অংশ। জনসাধারণের হাতে রয়েছে ৩০ কোটির বেশি শেয়ার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার মূলধনের প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ধোনির এক লাখের বেশি শেয়ার পাবলিক শেয়ারহোল্ডিংয়েরও খুব ছোট একটি অংশ।

অন্যদিকে সিএসকের নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা রয়েছে শ্রীনিবাসন পরিবারের হাতে। তাদের হাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫৫ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে।

বর্তমান আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজারমূল্য বিবেচনায় ধোনির হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও খুব বেশি নয়। সর্বশেষ একটি আইপিএল দল ১৬ হাজার ৬০০ কোটি রুপির বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সেই মূল্যায়ন ধরে ধোনির শেয়ারের আনুমানিক মূল্য হতে পারে ২ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৩ কোটি রুপি।

অবশ্য ধোনির ২১ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে আয় এবং বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের তুলনায় এই অঙ্ক বেশ সামান্য। ধোনিকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি রুপি।

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।

কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

কানাডায় ছেলে অনীকের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। এর মধ্যে নায়ক রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পী ও তার পরিবারের সঙ্গেও বেশ কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে তার।

ঘরোয়া আড্ডার পাশাপাশি বাপ্পীর সঙ্গে ৩৬ ঘণ্টার দীর্ঘ সড়ক ভ্রমণও করেছেন এই অভিনেত্রী।

ববিতা জানান, বাপ্পী ১৮ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে কুইবেকে যান। সেখানে ঘোরাঘুরির পর তারা যান গেসপারে। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়—প্রকৃতির এমন বৈচিত্র্য মুগ্ধ করেছে তাকে। পরে আরও ১৮ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে তারা ফিরে আসেন।

এই দীর্ঘ যাত্রায় গল্প, স্মৃতি আর আনন্দে কেটেছে সময়। ববিতা বলেন, ‘সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ এখনও কানে বাজে। সমুদ্রের কাছে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল। তারপরও সবাই মিলে খুব উপভোগ করেছি। যেতে যেতে কত গল্প করেছি, ফেরার সময়ও গল্প করতে করতে ফিরেছি।’

 

বাপ্পীর সঙ্গে ববিতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারিবারিক। প্রতিবছর কানাডায় যাওয়ার আগে বাপ্পী তাকে ফোন করে জানতে চান কবে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাপ্পীর দুই সন্তান দাদাভাই রাজ্জাককে নিয়ে নানা গল্প শুনতে আগ্রহী। তাদের সঙ্গে আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন ববিতা। রাজ্জাকের বিপরীতে অভিনয় এবং তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন তিনি।

বাপ্পীর বাসায় কয়েক দিন কাটিয়ে আবার ছেলে অনীকের কাছে ফিরবেন ববিতা। নভেম্বরে দেশে ফেরার আশা করছেন এই অভিনেত্রী।