রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস: সহিংসতার পৃথিবীতে শান্তির প্রতীক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস: সহিংসতার পৃথিবীতে শান্তির প্রতীক

সাকিবুর রহমান বাবলা

বিশ্বজুড়ে শান্তি, সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মানবিক সহাবস্থানের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান নিয়ে প্রতি বছর ২ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস। দিনটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং অহিংস দর্শনের প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। ২০০৭ সালের ১৫ জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৬১/২৭১ নম্বর রেজুলেশনের মাধ্যমে ২ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস ঘোষণা করে। রেজুলেশনটি ভোট ছাড়াই গৃহীত হয় এবং ভারতসহ ১৪০টি দেশ এর সহপৃষ্ঠপোষক ছিল।

জাতিসংঘের ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে অহিংসার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি, সহনশীলতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অহিংসার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার আকাক্সক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া। অর্থাৎ অহিংসা কেবল যুদ্ধ না করার নাম নয়; বরং অন্যায়, বৈষম্য ও বিরোধের মোকাবিলায় সহিংসতার পরিবর্তে সংলাপ, নৈতিক দৃঢ়তা, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও পারস্পরিক সম্মানের পথ অনুসরণ করা।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতের গুজরাটের পোরবন্দরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা করমচাঁদ গান্ধী ছিলেন পোরবন্দরের দেওয়ান এবং মা পুতলিবাঈ ছিলেন ধর্মপ্রাণ ও নীতিবোধসম্পন্ন নারী। ১৮৮৮ সালে আইন পড়তে তিনি লন্ডনে যান এবং ১৮৯১ সালে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে আসেন। ১৮৯৩ সালে আইনগত কাজের সূত্রে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পর বর্ণবৈষম্যের নানা অভিজ্ঞতা তাঁর চিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সেখানে ভারতীয়দের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে তিনি সত্যাগ্রহ ও অহিংস প্রতিরোধের ধারণাকে বিকশিত করেন।

১৯১৫ সালে ভারতে ফিরে তিনা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন। ১৯৩০ সালের লবণ সত্যাগ্রহ ও ডান্ডি অভিযান এবং ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে গণসম্পৃক্ততা ও অহিংস প্রতিরোধের শক্তিকে সামনে আনেন। তাঁর দর্শনের কেন্দ্রে ছিল সত্য, আত্মসংযম, নৈতিক সাহস, অসহযোগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান।
গান্ধীর কাছে অহিংসা দুর্বলতার প্রতীক ছিল না; বরং এটি ছিল মানুষের নৈতিক শক্তির প্রকাশ। জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসের প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় তৎকালীন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আনন্দ শর্মাও গান্ধীর অহিংসাকে মানবজাতির এক অসাধারণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।

অহিংস আন্দোলনের বিভিন্ন কৌশলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মিছিল, গণসমাবেশ, জনমত গঠন, বয়কট, অসহযোগ, অবস্থান ও নাগরিক অবাধ্যতার মতো পদ্ধতি ইতিহাসে ব্যবহৃত হয়েছে। এসব কৌশলের লক্ষ্য সহিংস সংঘাত সৃষ্টি করা নয়; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত, দৃঢ় ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক চাপ তৈরি করা। তবে অহিংসা মানে অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ নয়, বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেও প্রতিহিংসা ও অপ্রয়োজনীয় ক্ষতির পথ পরিহার করা। তাই ব্যক্তিগত আচরণ থেকে শুরু করে ‘সামাজিক আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ সব ক্ষেত্রেই অহিংসার প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে।

গান্ধীর অহিংস দর্শন ভারতের সীমানা অতিক্রম করে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ও মানবাধিকার আন্দোলনের আলোচনায় স্থান করে নেয়। মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অহিংস প্রতিরোধের ধারণা থেকে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রামের ইতিহাসেও গান্ধীর প্রভাব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলা ও দালাই লামাসহ বিভিন্ন বিশ্বনেতা ও চিন্তাবিদের সঙ্গে গান্ধীর অহিংস দর্শনের সম্পর্কও আলোচিত হয়েছে।

তবে বিশ্বের প্রতিটি গণআন্দোলনের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বাস্তবতা আলাদা। তাই পরবর্তী সব অহিংস আন্দোলনকে সরাসরি গান্ধীর আন্দোলনের অনুকরণ বলা যথার্থ নয়। বরং বলা যায়, সত্যাগ্রহ, নাগরিক অবাধ্যতা ও অহিংস প্রতিরোধের ধারণা পরবর্তী অনেক আন্দোলনের চিন্তাজগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

অহিংসা বর্তমানে শুধু নৈতিক বা রাজনৈতিক দর্শনের বিষয় নয়; এটি পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজ, কনফ্লিক্ট রেজোলিউশন, হিউম্যান রাইটস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মতো একাডেমিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ শান্তি, যুদ্ধ ও বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার কারণ নিয়ে আন্তঃবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা পরিচালনা করে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘ইউনিভার্সিটি অব পিস’ শান্তি ও সংঘর্ষ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।

অহিংসার প্রকৃত চর্চা শুরু হতে পারে আমাদের নিজেদের জীবন থেকেই। পরিবারে মতবিরোধ, বন্ধুত্বে ভুল বোঝাবুঝি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্বন্দ্ব কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতের পার্থক্যÑএসব ক্ষেত্রে রাগ, অপমান ও প্রতিশোধের পরিবর্তে যুক্তি, ধৈর্য, শ্রবণ ও সংলাপ বেছে নেওয়া অহিংস সংস্কৃতির অংশ। অহিংস আচরণ পারস্পরিক আস্থা ও সম্মান তৈরিতে সহায়তা করে, সংঘাতের বিস্তার রোধ করতে পারে এবং মানুষকে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল হতে শেখায়। তবে অহিংসা মানে নিজের অধিকার বিসর্জন নয়; বরং অধিকার ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি অন্যের মানবিক মর্যাদাকেও সম্মান করা।

আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, ঘৃণা, সামাজিক বিভাজন ও নানা ধরনের সহিংসতার বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। ২ অক্টোবর আমাদের মনে করিয়ে দেয়Ñশান্তি শুধু অস্ত্রের অনুপস্থিতি নয়; শান্তি হলো ন্যায়, মানবিক মর্যাদা, সহনশীলতা, সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতিষ্ঠা। এটি নিজেদের চিন্তা, ভাষা ও আচরণকে নতুন করে মূল্যায়নের দিন। ঘৃণার পরিবর্তে সহমর্মিতা, প্রতিহিংসার পরিবর্তে ন্যায়, সংঘাতের পরিবর্তে সংলাপ এবং সহিংসতার পরিবর্তে মানবিকতার পথ বেছে নেওয়াই হতে পারে এই দিবসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার।

 

Ads small one

ঝাউডাঙ্গায় ১৩ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গায় ১৩ সদস্যের মাদক নির্মূল কমিটি গঠন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১১নম্বর ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামে মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে এক নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে মাহবুবর রহমানকে সভাপতি এবং আলমগীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যের নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

৩ আগস্ট সন্ধ্যায় পাথরঘাটা ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোড়ে আয়োজিত এক সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু মোসা, সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান বাপ্পি, ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদ ইকবাল, জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি জুলফিকার আলী, ইউনিয়ন জাসদ সভাপতি আফসার আলী, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ইউনিয়ন তাঁতী দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও স্থানীয় সমাজসেবক হাফিজুর রহমান খোকন। সভায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সর্বস্তরের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এলাকাকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত করার সংকল্প ব্যক্ত করেন।

সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার: এমপি ইজ্জতউল্যাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার: এমপি ইজ্জতউল্যাহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় ঘোনা বাজারে ইসলামকাটি ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন সেক্রেটারি মো. আক্তার হোসেনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, ‘এলাকার উন্নয়নে আমি সকলের সহযোগিতা চাই। বরাদ্দের অর্থ যেন কোনো জনপ্রতিনিধি বা অন্য কেউ আত্মসাৎ করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। চাঁদা ও ঘুষের কারণে কাউকে যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়। যার হক, তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। সবার হক নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমার, আর আমার কোনো ত্রুটি থাকলে তা শুধরে দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের।’
পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ-অধ্যাপক গোলাম ফারুখ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মাস্টার আমিনুর রহমান, সেক্রেটারি মো. আব্দুল হালিম, আব্দুল হাকিম, মাওলানা খসরুল আলম, মাওলানা সাইফুল্লাহ মনসুর, মো. জুবায়ের হোসেন ও কাসেদ আলী। সভায় স্থানীয় জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা এলাকার সার্বিক সামাজিক ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনামূলক নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।

বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচনে সভাপতি খলিলুর ও সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বিজয়ী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা শাখার নির্বাচনে সভাপতি খলিলুর ও সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বিজয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) সাতক্ষীরা জেলা শাখার ১০ম ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬-এর ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে মো. খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে নূর মোহাম্মদ পাড় বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে বিভিন্ন পদে বিজয়ী প্রার্থী, তাঁদের প্রাপ্ত ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো: সভাপতি: বিজয়ী মো. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট (১০টি বাতিল)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আশফাকুর রহমান পেয়েছেন ১৯৬ ভোট।

সহ-সভাপতি: প্রথম বিজয়ী এস. এম. সহিদুল আলম পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। অন্য বিজয়ীদের মধ্যে মো. অলিউল ইসলাম ৩৪২ ভোট, মো. আবুল কালাম ৩৩৯ ভোট এবং মো. আজিয়ার রহমান ৩৩৪ ভোট পেয়েছেন।

এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী শিবপদ গাইন ৩১৩ ভোট, মো. আরিফ বিল্লাহ ১৮৬ ভোট, তপন কুমার রায় ১৮৫ ভোট, মু. শহীদুল ইসলাম ১৮১ ভোট, মো. আজিজুর রহমান ১৬৯ ভোট এবং মো. মশিউল আজম ১৯৪ ভোট পেয়েছেন।
সাধারণ সম্পাদক: বিজয়ী নূর মোহাম্মদ পাড় পেয়েছেন ৩৪২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস.এম সফিউল ইসলাম পেয়েছেন ১৯৫ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: বিজয়ী মো. শাহাদাৎ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সহ-সম্পাদক: বিজয়ী মো. রফিকুল ইসলাম ৩৪৫ ভোট এবং মো. সাইফুল ইসলাম ৩৪১ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে শেখ আবু নঈম ১৮৫ ভোট এবং মো. রুহুল আমীন ১৯২ ভোট পেয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ: বিজয়ী মো. আবদুল জব্বার পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বখতিয়ার উদ্দিন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক: বিজয়ী জি.এম আবদুল ওহাব পেয়েছেন ৩৬৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকবর হোসেন পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
দপ্তর সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফ হোসেন পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. টিপু সুলতান বিশ্বাস পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: বিজয়ী মো. ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুহা. ইবাদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮৯ ভোট।
প্রকাশনা ও প্রচার সম্পাদক: বিজয়ী মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৩৫৯ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নূর হোসাইন পেয়েছেন ১৮৪ ভোট।
গণসংযোগ সম্পাদক: বিজয়ী শেখ রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১৮৫ ভোট।
সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: বিজয়ী আসিফ বায়েজীদ পেয়েছেন ৩৫১ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হুমায়ুন কবীর পেয়েছেন ১৮০ ভোট।
ক্রীড়া সম্পাদক: বিজয়ী মো. আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭৪ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মো. তৌহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯১ ভোট।
মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী নাসরিন আক্তার বানু পেয়েছেন ৩৩০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মোমেনা খানম পেয়েছেন ২০৪ ভোট।
সহ-মহিলা সম্পাদক: বিজয়ী চম্পা রানী হাজরা পেয়েছেন ৩৪৭ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাহহুরা খাতুন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট।
বিজয়ী কার্যকরী সদস্যবৃন্দ হলেনÑ মো. রেজাউল করিম, মো. বাবলুর রহমান, মো. নওরশাদ আলম, মো. তৌহিদুল রহমান -১, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মো. সাইদুল হোসেন, মো. আমজাদ হোসেন, বাসুদেব কুমার সিংহ, মো. আবদুল মান্নান, মো. কামরুজ্জামান, এস.এম শফিকুল আজম, শঙ্কর কুমার সরকার, আবু সাঈদ তৌহিদ উদ্দীন আহমেদ, মো. ইয়াসিন আলী, রবীন্দ্রনাথ কর্মকার, অমরেন্দ্র নাথ মৃধা, পরেশ কুমার পাল, স.ম আবদুল মান্নান, হারুন-অর-রশিদ, আবুল হাসান মো. ফিরোজ কবীর, এস.এম কামরুজ্জামান, শেখ মঞ্জুরুল ইসলাম, পরমেশ চন্দ্র হারামী, মো. আনারুল ইসলাম, মো. আহসান হাবিব, মো. আশফাকুর রহমান, বি. এম আশরাফ উদ্দীন, সরদার নুরুল ইসলাম, মো. শফিউল আলম, মধুসূদন মন্ডল, সন্দীপ দাস, নাজমুল হাসান, পবিত্র কুমার মন্ডল প্রমুখ।