সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

চুম্বন হলো দুই ঠোঁটের স্পর্শের মাধ্যমে ভালোবাসা, স্নেহ বা সম্মান প্রকাশ করার একটি সর্বজনীন মাধ্যম। এটি শুধুমাত্র আবেগের বহিঃপ্রকাশই নয়, বরং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মানসিক চাপ হ্রাস এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী।

আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস প্রতি বছর ৬ জুলাই বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। এই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের জীবনে চুম্বনের আনন্দ ও গুরুত্বকে মনে করিয়ে দেওয়া এবং সামাজিক আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে ভালোবাসার এই বিশুদ্ধ রূপকে উদযাপন করা। এই বিশেষ দিবসটি উদযাপনের রীতি প্রথম শুরু হয় যুক্তরাজ্যে।

অনেকে চুম্বনকে কেবল একটি সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা বা শারীরিক সম্পর্কের পূর্ব ধাপ হিসেবে দেখেন। এই ধারণার বাইরে গিয়ে চুম্বনের আসল আনন্দ, মানসিক প্রশান্তি এবং ভালোবাসার বিশুদ্ধ প্রকাশকে উদযাপন করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। এটি কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মা-বাবা, সন্তান, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের প্রতি স্নেহ ও সম্মান প্রদর্শনের একটি মাধ্যম।

২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হতে থাকে। মানুষ যেন কেবল সামাজিক লৌকিকতা বা অন্য কোনো কাজের প্রস্তাবনা হিসেবে নয়, বরং ভালোবাসার এক গভীর অনুভূতি হিসেবে চুম্বনের সাধারণ আনন্দকে উপভোগ করতে পারে, সেই সচেতনতা তৈরি করা।

ভালোবাসা সপ্তাহের কিস ডে বনাম আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবসঅনেকেই এই দুটি দিবসের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন, তবে এ দুটির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ৬ জুলাই আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস, এটি সর্বজনীন ভালোবাসার প্রতীক। এটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং পরিবার, বন্ধু, সন্তান বা প্রিয় পোষা প্রাণীর প্রতি স্নেহ ও শ্রদ্ধা প্রকাশের দিন। ১৩ ফেব্রুয়ারি কিস ডে মূলত ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ বা ভালোবাসা সপ্তাহের একটি অংশ হিসেবে উদযাপিত হয়, যা সম্পূর্ণ রোমান্টিক সম্পর্কের ওপর কেন্দ্র করে পালিত হয়।

চুম্বনেরও প্রকারভেদ আছে। সম্পর্ক এবং সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে চুম্বন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। চুম্বনের ধরনই বলে দেয় সম্পর্কের গভীরতা। এমনকি চুম্বনের ধরন অনুযায়ী বোঝা যায়, সম্পর্কের ধরনও। চুম্বনের কোনও লিখিত ধরন নেই। তবে প্রচলিত রীতি আছে। ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুম্বন বা ফরাসি চুম্বন। প্রেমের গাঢ় বন্ধনকেই প্রকাশ করে ফ্রেঞ্চ কিস এই বিশেষ চুম্বন। আবার কপালের চুম্বন অন্য অর্থের ইঙ্গিত। কপালে চুম্বন বা গালে চুম্বন স্নেহমূলক। সম্পর্কের সুরক্ষা ও ভরসার সংকেত এই বিশেষ চুম্বন। প্রেমের বাইরেও এই চুম্বন অভিভাবকদের কাছ থেকে সন্তানরা পেয়ে থাকে।

চুম্বনের ইতিহাস মানব সভ্যতার মতোই পুরনো। ষষ্ঠ শতকের দিকে ফ্রান্সে নাচের মাধ্যমে একে অপরকে চুম্বন করার প্রথা ছিল। রোমানরা আবার একে তিন ভাগে ভাগ করেছিল। অস্কুলাম; বন্ধুর গালে চুম্বন, বাসিয়াম; ঠোঁটে চুম্বন এবং সুভিয়াম; গভীর চুম্বন। আধুনিক সময়ে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের শেষলগ্নে কিস ডে-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যাতে প্রিয়জনকে স্পর্শের মাধ্যমে মনের গভীর অনুরাগ প্রকাশ করা যায়।

ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ অনুযায়ী চুম্বনের ধরণও বদলে যায়। কপালে চুম্বন: এটি গভীর শ্রদ্ধা, যতœ এবং নিরাপত্তার প্রতীক। সঙ্গীকে আশ্বস্ত করতে এর চেয়ে বড় অস্ত্র আর নেই। হাতে চুম্বন: এটি মূলত আভিজাত্য এবং সঙ্গীর প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করার এক সুন্দর ধরণ। গালে চুম্বন: এটি স্নেহ এবং বন্ধুত্বের উষ্ণতা প্রকাশ করে।

গবেষণা ও চিকিৎসকদের মতে, চুম্বনের বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা রয়েছে। চুম্বনের ফলে মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন ও ডোপামিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করে। এটি রক্তনালীকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তীব্র বা আবেগপূর্ণ চুম্বনের মাধ্যমে প্রতি মিনিটে প্রায় ৬.৪ ক্যালোরি পর্যন্ত বার্ন বা ক্ষয় হতে পারে। সম্পর্কের বাঁধন মজবুত করার পাশাপাশি এটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও এক পরম ওষুধ।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

 

Ads small one

সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজে সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংবাদপত্রের সম্পাদকদের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডও যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান, যাতে সাধারণ মানুষ সরকারের ভালো উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানতে পারে।

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম এবং মানবকণ্ঠের সম্পাদক শহিদুল ইসলাম।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় দশ লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ হিজলদী, তলুইগাছা ও কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, পাতার বিড়ি, চা পাতা, মেহেদী, বিমল আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালী হতে ৭০ হাজার ৯০০ টাকার ভারতীয় পাতার বিড়ি, চা পাতা, মেহেদী ও বিমল আটক করে।

তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার নটিজঙ্গল হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ভাদিয়ালী হতে ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৯ লাখ ৮০ হাজার ৯০০ টাকা।

চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়।

 

এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

ফিংড়ীর জোড়দিয়াই ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
ফিংড়ীর জোড়দিয়াই ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

সংবাদদাতা: সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার সময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের জোড়দিয়াই ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সরকারি বাজেট বরাদ্দের অংশ হিসেবে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ সংস্কার, রাস্তা সংস্কার ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় জোড়দিয়া পশ্চিম পাড়ায় মৌলভী জালাল উদ্দিনের বাড়ি সংলগ্ন ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আলহাজ্ব মাস্টার হাবিবুর রহমান উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফিংড়ী ইউনিয়ন জামাায়াতের আমির শাহীনুজ্জামান শাহিন, ৭ নং ওয়ার্ড জামাায়াতের সভাপতি জুলফিকার আলী, ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বর সাংবাদিক মোঃ আবু ছালেক, আব্দুল আহাদ, আবুল হোসেন,আব্দুস সাত্তার, শাহিনুর রহমান, মমতাজ আলী, আব্দুস সালাম, সাইদুর রহমান, হাবিবুল্লাহ গাজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

উদ্বোধনকালে আলহাজ্ব মাস্টার হাবিবুর রহমান বলেন, জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।