রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস: সম্মিলিত ক্ষুদ্র উদ্যোগে সমৃদ্ধি, সাম্য ও টেকসই উন্নয়নের পথ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস: সম্মিলিত ক্ষুদ্র উদ্যোগে সমৃদ্ধি, সাম্য ও টেকসই উন্নয়নের পথ

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর জুলাই মাসের প্রথম শনিবার বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস। দিবসটি পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের এক বৈশ্বিক দর্শনের স্মারক। ১৯২৩ সালে ‘আন্তর্জাতিক সমবায় জোট’ এ দিবস পালন শুরু করে এবং ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের স্বীকৃতির মাধ্যমে এটি আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করে।

সমবায়ের মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত মালিকানা, গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং ন্যায্য সুফল বণ্টন। এর দর্শন— “সকলের জন্য একজন, একজনের জন্য সকলে”Ñ ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে ক্ষুদ্রসমষ্টিগত কল্যাণকে গুরুত্ব দেয়। লাভের সর্বোচ্চীকরণের পরিবর্তে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নই সমবায়ের প্রধান লক্ষ্য।

আধুনিক সমবায় আন্দোলনের সূচনা ১৮৪৪ সালে ইংল্যান্ডের রচডেল শহরের ২৮ জন শ্রমিকের হাত ধরে। তাদের প্রণীত নীতিমালাই আজও বিশ্বব্যাপী সমবায় আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশে প্রায় ৩০ লাখ সমবায় প্রতিষ্ঠানে এক বিলিয়নেরও বেশি মানুষ যুক্ত রয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট কর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমবায় খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উন্নয়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সুরক্ষায় সমবায়ের অবদান আজ বিশ্বস্বীকৃত।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সমবায়ের গুরুত্ব একটু গভীর। কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সমবায় দীর্ঘদিনের ভূমিকা রয়েছে। কৃষি উৎপাদন, মৎস্য চাষ, পোল্ট্রি, গবাদিপশু ও দুগ্ধ শিল্প, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম, গ্রামীণ সঞ্চয় এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সমবায় একটি পরীক্ষিত মডেল। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং সমবায় অধিদপ্তর এ খাতের উন্নয়ন, নিবন্ধন ও তদারকির দায়িত্ব পালন করছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সমবায়ের অবদান অনস্বীকার্য, চলছে সরকারি বেসরকারি প্রকল্প।

বর্তমান বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন, আয়বৈষম্য, বেকারত্ব এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এমন বাস্তবতায় সমবায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন মডেল হিসেবে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। কৃষি ও ঋণ কার্যক্রমের বাইরে এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, ডিজিটাল সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও সমবায়ের বিস্তার ঘটছে। ডিজিটাল হিসাবরক্ষণ, অনলাইন বিপণন এবং ই-কমার্সভিত্তিক কার্যক্রম সমবায়কে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও যুগোপযোগী করে তুলতে পারে।

তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। দুর্বল ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতার ঘাটতি, নেতৃত্ব সংকট এবং কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব সমবায়ের কার্যকারিতা ব্যাহত করে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুশাসন নিশ্চিত করা, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে সমবায় শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে হবে এবং দূর করতে হবে সকল দুর্নীতি।

আন্তর্জাতিক সমবায় দিবস স্মরণ করিয়ে দেয় যে, টেকসই উন্নয়নের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে। ক্ষুদ্র সঞ্চয়, ক্ষুদ্র বিনিয়োগ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ যখন সমবেত শক্তিতে রূপ নেয়, তখন তা শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়, সামাজিক সাম্য ও মানবিক অগ্রগতির পথও সুগম করে। বৈষম্যহীন, অংশগ্রহণমূলক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমবায় আন্দোলনের বিকল্প নেই। তাই সমবায়কে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলাই হতে পারে আগামীর উন্নয়ন অভিযাত্রার অন্যতম কৌশল।

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।