শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

আপনার কম্পিউটার মাউস নোংরা? কয়েক মিনিটেই পরিষ্কার করার সহজ উপায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
আপনার কম্পিউটার মাউস নোংরা? কয়েক মিনিটেই পরিষ্কার করার সহজ উপায়

প্রতিদিনের ব্যবহারে আপনার কম্পিউটার মাউসটি অজান্তেই ধুলো, খাবারের কণা এবং নানা ময়লা জমায়—ঠিক যেন একটি সত্যিকারের ইঁদুরের মতো ঘুরে বেড়ায়। তবে পার্থক্য হলো, আসল ইঁদুর নিজে নিজেই পরিষ্কার হয়ে নেয়, কিন্তু আপনার মাউস তা পারে না। আমরা নিয়মিত কীবোর্ড বা ইয়ারফোন পরিষ্কার করলেও মাউসকে প্রায়ই উপেক্ষা করি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যবহৃত এই ডিভাইসটি পরিষ্কার না রাখলে তা শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়, কাজের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মাউস পরিষ্কার রাখা জরুরি।

কী কী লাগবে?

মাউস পরিষ্কার করতে খুব বেশি কিছু প্রয়োজন নেই। হাতের কাছেই রাখুন— কমপ্রেসড এয়ার, লিন্ট-ফ্রি কাপড়, টুথপিক বা স্পাডজার (পাতলা প্লাস্টিক স্টিক) এবং অ্যালকোহল ওয়াইপ।

অপটিক্যাল/লেজার মাউস পরিষ্কার করার নিয়ম

 

গেমিং মাউস নিয়মিত ব্যবহার করার ফলে এতে ধুলা, ময়লা এবং ক্ষুদ্র কণিকা জমে যেতে পারে। তাই সঠিকভাবে পরিষ্কার রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে মাউসের কার্যক্ষমতা বজায় থাকে।

প্রথমেই নিশ্চিত করুন যে মাউসটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। যদি এটি তারযুক্ত হয়, তাহলে কম্পিউটার থেকে খুলে ফেলুন। আর যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে সাধারণত একটি সুইচ থাকে—সেটি বন্ধ করে দিন।

এরপর একটি কমপ্রেসড এয়ার ক্যান ব্যবহার করে মাউসের LED অংশটি আলতোভাবে পরিষ্কার করুন। যদি ব্যাটারির জন্য আলাদা অংশ থাকে, তাহলে ব্যাটারি খুলে নিয়ে সেখানে কমপ্রেসড এয়ার বা শুকনো, লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। এই অংশে কখনো ভেজা কিছু ব্যবহার করবেন না।

এরপর একটি টুথপিক বা স্পাডজার ব্যবহার করে মাউসের সব খাঁজ ও ফাঁকফোকর পরিষ্কার করুন। গেমিং মাউসে সাধারণত অতিরিক্ত বোতাম থাকে, তাই প্রতিটি বোতামের চারপাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। স্ক্রল হুইল থাকলে সেটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরিষ্কার করুন, যাতে ভেতরের ময়লাও বের হয়ে আসে।

সবশেষে আবার কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে বাকি ধুলাবালি উড়িয়ে দিন। এরপর একটি অ্যালকোহল ওয়াইপ বা হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে মাউসের বাইরের অংশ মুছে নিন। যদি ভেজা কাপড় ব্যবহার করেন, তাহলে শেষে একটি শুকনো কাপড় দিয়ে আবার মুছে নিন।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার গেমিং মাউস পরিষ্কার থাকবে এবং দীর্ঘদিন ভালোভাবে কাজ করবে।

ট্র্যাকবল মাউস পরিষ্কার করার নিয়ম

 

এই ধরনের মাউসে ময়লা বেশি জমে। প্রথমেই যদি আপনার ট্র্যাকবল মাউসটি তারযুক্ত হয়, তবে সেটি কম্পিউটার থেকে বিচ্ছিন্ন করুন। আর যদি ব্যাটারি চালিত হয়, তাহলে পরিষ্কার করার আগে ব্যাটারি খুলে নিন।

এরপর ট্র্যাকবলটি মাউসের বডি থেকে আলাদা করুন। কিছু মাউসে বলটি সহজেই ওপরে থেকে বের করা যায়। আবার কিছু মডেলে, বিশেষ করে যেগুলোর ট্র্যাকবল নিচে থাকে, সেগুলোর ক্ষেত্রে হাউজিংটি হালকা ঘুরিয়ে খুলতে হয়। সাধারণত এ কাজে কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন হয় না।

বলটি বের করার পর, একটি অ্যালকোহল ওয়াইপ বা হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে নিন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে মাউসের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করুন এবং কাপড় দিয়ে হালকাভাবে মুছে নিন।

মাউসের কোণ বা ফাঁকফোকরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে একটি টুথপিক বা স্পাডজার ব্যবহার করতে পারেন। যদি ময়লা শক্তভাবে আটকে থাকে, তবে আবার কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে তা ঢিলা করে নিন।

সবশেষে, একটি হালকা ভেজা লিন্ট-ফ্রি কাপড় বা অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে পুরো মাউসের বাহিরের অংশ মুছে নিন। তারপর ট্র্যাকবলটি আবার আগের জায়গায় বসিয়ে দিন।

ভার্টিক্যাল (এরগোনমিক)

ভার্টিক্যাল এরগোনমিক মাউস, যেমন লজিটেক লিফ্ট, হাতের কব্জির ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। তবে পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে এগুলো কিছুটা ঝামেলার হতে পারে। তাই সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করা জরুরি।

প্রথমেই, অন্যান্য মাউসের মতো এটিকেও বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করুন। যদি আপনার মনে হয় মাউসের ভেতরে খাবারের কণা বা ধুলাবালি ঢুকে গেছে, তাহলে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউসটি খুলে ফেলুন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার এবং শুকনো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে ভেতরের অংশ পরিষ্কার করুন। বাইরের অংশটি হালকা ভেজা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব কিছু শুকিয়ে গেলে আবার মাউসটি জোড়া লাগান।

যদি আপনি মাউস খুলতে না চান এবং শুধু বাইরের অংশ পরিষ্কার করাই যথেষ্ট মনে করেন, তাহলে একটি টুথপিক বা স্পাডজার দিয়ে মাউসের সব খাঁজ ও ফাঁক পরিষ্কার করুন। এরপর কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করে ধুলাবালি উড়িয়ে দিন এবং শেষে একটি হালকা ভেজা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে পুরো মাউসটি মুছে ফেলুন।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—অনলাইনে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন যে এই ধরনের মাউসের কিছু কোটিং সহজেই ময়লা ধরে। এর চেহারা পুরোপুরি আগের মতো ঝকঝকে করা কঠিন হতে পারে। তবে এই পরিষ্কার করার পদ্ধতি অনুসরণ করলে অন্তত এটি পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকবে, যদিও একেবারে নতুনের মতো না-ও দেখাতে পারে।

মনে রাখা ভালো, আপনার মাউস প্রতিদিন আপনার হাতের স্পর্শে থাকে। তাই এটিকে পরিষ্কার রাখা মানে শুধু ডিভাইসের যত্ন নয়, নিজের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত রাখা। মাত্র কয়েক মিনিট সময় দিলেই মাউস থাকবে নতুনের মতো পরিষ্কার। সূত্র: পিসিম্যাগ

Ads small one

মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাত শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সংবর্ধিতরা হলেন—জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্বাস উদ্দীন, ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কনিকা দত্ত, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম. আলাউদ্দীন, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রঞ্জিতা মন্ডল, প্রধান হিসাব সহকারী মো. আব্দুল আজিজ এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হাসেম আলী ও আব্দুল মোতালেব।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফরোজা মাহমুদ বিদায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে ফুলের তোড়া, সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহারসামগ্রী তুলে দেন।
ইসলামী শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহিববুল্লাহর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ বাবুল আকতার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।