বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

আমার গাছ আমার প্রাণ স্লোগানে মুখরিত কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আমার গাছ আমার প্রাণ স্লোগানে মুখরিত কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সংবাদদাতা: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো প্রধানমন্ত্রীর প্রাধিকার প্রকল্প ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি। কলারোয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশনায় ও কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় ১৭ জুন (বুধবার) সকালে বিদ্যালয়ের মাঠে এই অভিনব ও অনুপ্রেরণামূলক ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। বিদ্যালয়ের মোট ৫৬৬ জন শিক্ষার্থী এই মহতী কর্মসূচিতে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

 

ক্ষুদে এই প্রকৃতিপ্রেমীদের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ বড়দের জন্যও এক বিশাল বার্তা নিয়ে এসেছে-পরিবেশ রক্ষায় দায়বদ্ধতা আমাদের সবার। এবারের কর্মসূচির মূল স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে- “আমার গাছ, আমার প্রাণ” এবং এর পাশাপাশি প্রতিটি শিশুর মনে মালিকানাবোধ ও দায়িত্বশীলতা তৈরিতে উদ্বুদ্ধকরণ বার্তা হিসেবে যুক্ত হয়েছে “এই গাছটি আমার”।

 

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ব্যানার ও ফেস্টুনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে- “স্কুলে অথবা বাড়িতে প্রতিটি শিশু ১ টি করে করবে বৃক্ষরোপণ আনন্দে”।

 

শুধু গাছ রোপণ করেই ক্ষান্ত হয়নি এই খুদে শিক্ষার্থীরা, বরং চারা রোপণের পর তা টিকিয়ে রাখার জন্য নিয়মিত যতœ নিশ্চিত করার শপথও নিয়েছে তারা। তাদের এই আগ্রহকে স্থায়ী রূপ দিতে প্রতিটি গাছের সাথে শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি, রোল এবং রোপণ করা গাছের জাত ও তারিখ সম্বলিত আকর্ষণীয় পরিচয়পত্র বা প্ল্যাকার্ড ইতিমধ্যে তৈরি করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

এই কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য চারা রোপণকারীদের মধ্যে ৩য় শ্রেণির রোল ১ মোছাঃ মারিয়াম তাবাসসুম একটি হিমসাগর আম গাছ, ১ম শ্রেণির রোল ১ রাইসা সুলতানা একটি লিচু গাছ, ২য় শ্রেণির রোল ১ রাইসা আহম্মেদ একটি কাঁঠাল গাছ, ৫মা শ্রেণির রোল ১ সাবিহা ইসলাম একটি কামরাঙা গাছ এবং ৪থ শ্রেণির রোল ১ আমিনা সিদ্দীকা একটি গাব গাছের চারা রোপণ করে।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদুর রহমান ও কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মুজিবুর রহমান জানান, এই কর্মসূচির আওতায় উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল প্রাঙ্গণে অথবা নিজ নিজ বাড়িতে অন্তত একটি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। শিশুরা যাতে আনন্দের সাথে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়, সে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন করার ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের এই অভূতপূর্ব আগ্রহ ও নিষ্ঠা দেখে এটি স্পষ্ট যে, নতুন প্রজন্ম পরিবেশ ও গাছপালার গুরুত্ব অত্যন্ত গভীরভাবে অনুধাবন করতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এবং শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মহতী প্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কলারোয়া উপজেলা তথা সমগ্র দেশে সবুজায়নের এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটবে।

 

এটি শুধু একদিনের কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং শিশুদের মনে আজীবন প্রকৃতিপ্রেম জাগ্রত রাখার এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার এক দীর্ঘমেয়াদী টেকসই পদক্ষেপ। আগামী দিনের এই পথচলায় আয়োজক ও শিক্ষার্থীরা সবার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা কামনা করেছেন। সংবাদদাতা: জুলফিকার আলী

Ads small one

চুল পড়ার কারণ কি থাইরয়েড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
চুল পড়ার কারণ কি থাইরয়েড

রাইসা মেহজাবীন, ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ফিটনেস ট্রেনিং, ইনস্পিরন ফিটনেস অ্যান্ড ডায়েট কনসালটেন্সি সেন্টার, ধানমন্ডি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, নিউট্রিশন ফর চেঞ্জ

চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। চুলের যত্নে শ্যাম্পু, তেল, সিরাম কিংবা নানা ধরনের সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেন অনেকে। কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে কখনো কখনো লুকিয়ে থাকতে পারে শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোনজনিত সমস্যা থাইরয়েডের অস্বাভাবিকতা।

গলার সামনের দিকে থাকা ছোট একটি গ্রন্থি থাইরয়েড। এটি মূলত টি-৩ ও টি-৪ হরমোন তৈরি করে, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া, শক্তি উৎপাদনসহ বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। চুলের ফলিকলও থাইরয়েড হরমোনের প্রভাবে প্রভাবিত হয়। তাই হরমোনের মাত্রা কমে গেলে বা বেড়ে গেলে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ঝরে পড়ার চক্রে পরিবর্তন ঘটতে পারে। গবেষণায় হাইপোথাইরয়েডিজম ও হাইপারথাইরয়েডিজম দুই অবস্থার সঙ্গেই ব্যাপকভাবে চুল ঝরে পড়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

চুল পড়ার ধরন কেমন হয়?

থাইরয়েডজনিত চুল পড়া সাধারণত মাথার নির্দিষ্ট একটি জায়গায় টাক তৈরি করার বদলে পুরো মাথাজুড়ে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার মতো দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে এটি টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামে পরিচিত এক ধরনের অতিরিক্ত চুল ঝরে পড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাইপোথাইরয়েডিজমে চুল শুষ্ক, রুক্ষ ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে হাইপারথাইরয়েডিজমেও চুল পাতলা হওয়া বা অতিরিক্ত ঝরে পড়া দেখা যেতে পারে।

তবে শুধু চুল পড়ছে বলেই যে থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, তা নয়। চুল পড়ার কারণ হিসেবে আয়রনের ঘাটতি, পুষ্টির ঘাটতি, মানসিক বা শারীরিক চাপ, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, কিছু ওষুধ, বংশগত চুল পড়া এবং অন্যান্য রোগও দায়ী হতে পারে।

সঙ্গে থাকতে পারে অন্য উপসর্গও

থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চুল পড়ার পাশাপাশি ক্লান্তি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, ঠান্ডা বা গরম সহ্য করতে সমস্যা, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বুক ধড়ফড় করা কিংবা মাসিকের অনিয়মের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই উপসর্গ থাকবে এমন নয়। কখনো চুল পড়াই হতে পারে সমস্যাটির প্রথম লক্ষণগুলোর একটি।

পরীক্ষা কি প্রয়োজন?
দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক হারে চুল পড়লে কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সাধারণত টিএসএইচ এবং ফ্রি টি-৪ পরীক্ষা করতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা যুক্ত হতে পারে। চুল পড়ার অন্য সম্ভাব্য কারণ বিশেষ করে আয়রনের ঘাটতি বা অন্যান্য পুষ্টিগত সমস্যা মূল্যায়ন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। শুধু চুল পড়ার জন্য নিজের ইচ্ছায় থাইরয়েডের ওষুধ কিংবা বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট শুরু করা ঠিক নয়। কারণ চুল পড়ার চিকিৎসা নির্ভর করে এর প্রকৃত কারণের ওপর।

চিকিৎসায় কি চুল আবার গজায়?
থাইরয়েডের অস্বাভাবিকতার কারণে চুল পড়লে মূল রোগটি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার পর অনেক ক্ষেত্রেই চুল পড়া কমে আসে এবং পুনরায় চুল গজাতে শুরু করে। তবে চুলের বৃদ্ধি একটি ধীর প্রক্রিয়া। তাই থাইরয়েডের মাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরপরই মাথায় নতুন চুল দেখা যাবে এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। দৃশ্যমান পরিবর্তনের জন্য কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

চুল পড়াকে তাই শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। বিশেষ করে হঠাৎ বা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চুল পড়ার সঙ্গে যদি ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন বা ঠান্ডা-গরম সহ্য করার ক্ষমতায় পরিবর্তনের মতো উপসর্গ থাকে, তাহলে থাইরয়েডসহ অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সুস্থ চুলের জন্য শুধু বাইরে থেকে যত্ন নয়, শরীরের ভেতরের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

বাংলাদেশে কেন বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে, ব্যাখ্যা দিলো আদানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে কেন বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে, ব্যাখ্যা দিলো আদানি

ভারতের রেলপথে যানজট ও পণ্য বোঝাইয়ের ওপর বিধিনিষেধের কারণে কয়লা পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার।

বুধবার (২ আগস্ট) বাংলাদেশে একটি জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে কোম্পানিটি জানায়, গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লাবাহী রেক চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়লা সরবরাহ কমে গেছে এবং সাময়িকভাবে উৎপাদন সমন্বয় করতে হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সরবরাহ কমে যাওয়ার বিষয়ে আদানি পাওয়ারের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম ব্যাখ্যা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে বেশিরভাগ সময় গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রটির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম।

আদানি জানায়, সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দিনের অফ-পিক সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে রাখা হয়েছে।

কোম্পানিটি বলেছে, আমরা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত রেখেছি এবং স্বাভাবিক রেকের প্রাপ্যতা দ্রুত নিশ্চিতে ভারতীয় রেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।

কোম্পানিটি আশা করছে, শিগগির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

কোম্পানিটি আরও জানায়, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত কমে গেছে। যার ফলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের, জবাব দিলো ইরান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের, জবাব দিলো ইরান

ইরানে নতুন করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও হামলা চালাতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র।

এর মধ্যে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান।

দক্ষিণ ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন।

এই পাল্টাপাল্টি হামলায় আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষক রস হ্যারিসনের মতে, মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের বৃহত্তর রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে এসব হামলা এখন পর্যন্ত সফল হয়নি।

হ্যারিসন বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতায় আঘাত এলেও দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা এখনও যথেষ্ট স্থিতিশীল ও প্রতিরোধক্ষম। হামলার পর তেহরান সামরিক প্রতিরোধ সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

তার মতে, ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

এই সংঘাতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই জলপথ ঘিরে যেকোনও ধরনের সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক তেলবাজার ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।