শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে অবৈধ আর্থিক জাল, ঝুঁকিতে মানুষের কষ্টার্জিত সঞ্চয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে অবৈধ আর্থিক জাল, ঝুঁকিতে মানুষের কষ্টার্জিত সঞ্চয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় ‘সমবায়’ নামটি আজ অনেকের কাছে আস্থার নয়, বরং আতঙ্কের প্রতীক হয়ে উঠছে। নিবন্ধিত সমবায়ের আড়ালে কিংবা একেবারেই নিবন্ধনবিহীনভাবে গড়ে ওঠা অসংখ্য সমিতি ও মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম-যার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান গ্রামগঞ্জের সহজ-সরল মানুষদের কাছ থেকে সঞ্চয় সংগ্রহ করছে।

 

ব্যাংকের চেয়েও বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা আমানত নিচ্ছে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই অর্থের নিরাপত্তা বা ফেরতের কোনো নিশ্চয়তা নেই। সুযোগ বুঝে অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছে। জেলা সমবায় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আশাশুনি উপজেলায় নিবন্ধিত সমবায় সমিতির সংখ্যা ১৭৯টি। এর মধ্যে সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় রয়েছে ১২টি। নিবন্ধিত এসব সমিতি সরকারি নিয়ম মেনে সদস্যদের মধ্যে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা। তবে বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অনেকেই নিয়ম ভেঙে সদস্যের বাইরের মানুষদের কাছ থেকেও অর্থ সংগ্রহ করছে।

 

অন্যদিকে, বুধহাটা, পাইথলী, কুল্যা, গুনাকরকাটি, বাহাদুরপুরসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লা ও বাজার এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অনিবন্ধিত সমবায় সমিতি। ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানের নেই কোনো বৈধ অনুমোদন, নেই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রথমে আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও ছবি সংগ্রহ করে নামমাত্র কমিটি গঠন করেন। পরে সেই কমিটির আড়ালে ‘সমবায় সমিতি’ বা ‘মাল্টিপারপাস’ প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যক্রম শুরু করেন।

 

অনেক ক্ষেত্রে সমবায় অফিসের অসাধু কিছু কর্মচারীর সঙ্গেও তাদের সখ্য গড়ে ওঠে, যার ফলে নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে এসব প্রতিষ্ঠান নির্বিঘেœ চালিয়ে যায় অবৈধ লেনদেন। সমবায়ের নিয়ম অনুযায়ী, একটি সমিতি তার নির্দিষ্ট এলাকার সদস্যদের মধ্যেই সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখবে। কিন্তু আশাশুনির বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ সমিতিই সেই নিয়ম মানছে না। তারা সদস্য বহির্ভূত ব্যক্তিদের কাছ থেকেও চেক বা পাসবইয়ের মাধ্যমে আমানত নিচ্ছে এবং নির্ধারিত এলাকার বাইরেও ঋণ বিতরণ করছে।

 

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো-এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যকর তদারকি নেই। বিশেষ করে বুধহাটা বাজারে একাধিক অনিবন্ধিত সমবায়ের কার্যক্রম প্রকাশ্যেই চললেও তা দেখার যেন কেউ নেই। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়ছেন। এরই মধ্যে বুধহাটা বাজারের ‘প্রগতি ঋণদান সমবায় সমিতি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার আমানত নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও তারা কোনো কার্যকর প্রতিকার পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার সময় হলে প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করে। কখনো তারা গা-ঢাকা দেয়, আবার কখনো ফিরে এসে ‘দিচ্ছি, দেব’ বলে গ্রাহকদের ঘুরিয়ে রাখে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মূলত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ, যারা স্বপ্ন দেখেছিলেন সামান্য সঞ্চয় থেকে কিছু লাভের।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত সমবায় কার্যক্রম শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির কারণ নয়, বরং সামগ্রিক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার জন্যও হুমকিস্বরূপ। তারা মনে করেন, দ্রুত এসব ভুয়া সমবায় চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। সুধী মহল বলছেন, সমবায় অধিদপ্তরের নজরদারি বাড়ানো, নিয়মিত অডিট নিশ্চিত করা এবং অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি।

 

পাশাপাশি গণমাধ্যম ও প্রশাসনের সমন্বয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার ফাঁদে না পড়ে। সমবায়ের মূল দর্শন ছিল পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমৃদ্ধি। কিন্তু সেই দর্শনকে পুঁজি করে যদি প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়, তবে তা শুধু একটি ব্যবস্থার ব্যর্থতা নয়-এটি সমাজের জন্যও এক গভীর সংকেত।

Ads small one

শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা রবি চৌধুরী ও শাবনূর। একজন গায়ক, অন্যজন অভিনেত্রী। তবে দুজনের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সেই বন্ধুত্বের দৃশ্য আবারও দেখা গেল। ফেসবুকের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিডনির রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন অভিনেত্রী, পাশে বসে গান শোনাচ্ছিলেন গায়ক। পেছনের আসনে শাবনূরের একমাত্র ছেলে আইজান নেহান।

শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। এদিকে সম্প্রতি স্টেজ শোতে গাইতে সেখানে গেছেন রবি চৌধুরী। তার আসার খবরে শাবনূর আগেই থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন একসঙ্গে ঘুরবেন। শুক্রবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিলো। সিডনির বিভিন্ন মনোরম জায়গা রবিকে ঘুরিয়ে দেখালেন তিনি।

এ সময় শাবনূরের অনুরোধে তার খুব পছন্দের গান ‘যেভাবেই তুমি সকাল দেখো’ গেয়ে শোনান রবি চৌধুরী। পরে গাড়ি থেকে নেমে শাবনূরের অনুরোধে গেয়ে ওঠেন ‘ভালোবাসি তোমাকে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’।

শাবনূর ও রবি চৌধুরীর জন্মদিনও একই দিনে—১৭ ডিসেম্বর। এর আগে শাবনূর ঢাকায় এলে রবি চৌধুরীর বাসায় একসঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করেছেন তারা। সময়ের সঙ্গে দুজনের জীবনের গতিপথ বদলেছে, বদলে গেছে ঠিকানাও; কিন্তু বন্ধুত্ব রয়ে গেছে আগের মতোই।

সামাজিক মাধ্যমে সিডনিতে কাটানো সময়ের ভিডিও প্রকাশ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘সিডনিতে প্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীকে কাছে পেয়ে ফিরে গেলাম ‘ভালোবাসি তোমাকে’ চলচ্চিত্রের সেই মধুর স্মৃতিতে। ছবিটির জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, যার মূল শিল্পী ছিলেন খালিদ হাসান মিলু ও কনকচাঁপা।

প্রিয় রবি চৌধুরীর কণ্ঠে আজ সেই গানটির দুই লাইন শুনে নস্টালজিয়ায় ডুবে গেলাম। বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় এই শিল্পীর সঙ্গে সিডনিতে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ভালোবাসি তোমাকে ছবিটির পরিচালক মহম্মদ হান্নান আর গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৫০। এমন কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসে সব হিসাব পাল্টে দিলো ক্যারিবীয়রা। শুক্রবার রাঁচিতে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সফল রান তাড়ার তালিকায় অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ভারতের ২৪৯ রান পেরিয়ে সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পেসার মায়াঙ্ক যাদব পরপর দুই বলে ফেরান কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ারকে। পরে ২৪ রান করা রোভম্যান পাওয়েলকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হোপ ও রাদারফোর্ড। চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালান তারা।

৩৮ রানে থাকতে মায়াঙ্ক যাদবের সহজ ক্যাচে জীবন পান রাদারফোর্ড। জীবন পেয়ে পরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন রাদারফোর্ড। মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কুলদীপ যাদবের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছয়।

তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তোলার গতি ঠিকই ধরে রাখেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ। তার ইনিংসে ভর করেই ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছয়।

এর আগে স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল ভারত। ইনিংসের শুরুতে অভিষেক শর্মা ও স্যামসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র চার ওভারের কম সময়ে ৪২ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

তবে সেই ঝড়ো শুরু থামান রোস্টন চেজ। অভিষেককে (২০) ফেরানোর পর ৪৩ রান করা ঈশান কিষান ও শিবম দুবেকেও (৭) আউট করেন তিনি। শামার স্প্রিঙ্গারের শিকার হন স্যামসন (৮২)।

শেষ দিকে আবারও রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক বর্মা মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। আইয়ার ১৮ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হন তিনি। তাতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। তিলক ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন রোস্টন চেজ। ৬৪ রানে দুটি নেন শামার স্প্রিঙ্গার।

সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে রবিবার।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক আইনের প্রখ্যাত প্রবক্তা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কৌঁসুলি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, পিল্লাইয়ের এমন মন্তব্যের জের ধরে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দেশটি।

শুক্রবার পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, নোবেল প্রাইজ কমিটি তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে। তারা এমন একজন কট্টর বর্ণবাদীকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে, যিনি একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

একই সঙ্গে পিল্লাই ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও কুৎসা রটাতে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি অন দ্য অকুপাইড প্যালেনস্টাইন টেরিটরি-এর প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই। অবশ্য এই কমিশনটি জাতিসংঘের মূল প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি কথা বলে না। তবে গত বছর এক প্রতিবেদনে কমিশনটি উল্লেখ করে যে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা সংঘটিত করছে।

সূত্র: এএফপি