শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: জাতীয় সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আশাশুনিতে গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ করেছে উপজেলা জামায়াত। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় আশাশুনি বাজারে এ অনুষ্ঠান করা হয়।
গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর, সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার। পথচারি ও দোকানদারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গণভোট মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে দলীয়করণ বন্ধ হবে, একনায়কতন্ত্র বন্ধ হবে, সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠন হবে। এজন্যই বিএনপি গণভোট মানে না। তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার জন্য রচিত বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তনের জন্য। এজন্যই সংবিধান সংস্কার করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মাও. আনওয়ারুল হক, অফিস সেক্রেটারী মাও. রুহুল কুদ্দুস, সদর ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য এবিএম আলমগীর পিন্টু, সদর ইউনিয়ন সেক্রেটারী মাও. আব্দুল হাই, সহ-সেক্রেটারী এসএম শহিদুজ্জামান বাবলু, ডা. রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

Ads small one

আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*র্যা*ত*নের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*র্যা*ত*নের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মো. রবিউল সরদার (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণ জানিয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত মোক্তার আলী সরদারের ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। শিশুটি কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ২৯ নম্বর গুনাকরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে রবিউল সরদার মিষ্টি কথায় শিশুটিকে ভুলিয়ে তাঁর কাঠের দোকানে নিয়ে যান। এরপর দোকানের দরজা ভেতরে থেকে আটকে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় এক নারী বিষয়টি দেখে ফেললেও ভয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে কিছু জানাতে পারেননি।

পরপর দুই দিন ঘটনাটি চেপে রাখার পর ১০ অক্টোবর শনিবার সকালে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় শিশুটি নিজেই সেই ভয়াবহতার বর্ণনা দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। বেলা ১টার দিকে আশাশুনি থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দেওয়া তথ্যের সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত রবিউল সরদারকে গ্রেপ্তার করে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান জানান, শিশুটির বাবার এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। বিকেলের দিকে তিনি বুধহাটা ও আশপাশের বিভিন্ন পূজাম-প ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়া পূজাম-প, বুধহাটা কাছারীবাড়ী সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং গোয়ালডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও ম-প পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশের খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পূজাম-প ঘুরে দেখার সময় তিনি প্রতিমা দর্শন করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় এ বছর ৬০৯টি পূজাম-পে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য জনপদ, যেখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে বসবাস করে এবং উৎসবগুলো একত্রে পালন করে। নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, পূজার দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ পূজাম-পে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকিগুলোও দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে।

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিঠুন কুমার সরকার, দেবহাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বায়েজীদ ইসলাম, আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান, থানার সেকেন্ড অফিসার লক্ষণ চন্দ্র দাস এবং বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সেকেন্দার আলীসহ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্য ও স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।