মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আশাশুনিতে জমি নিয়ে বিরোধে বাড়ি ঘর ভাংচুর শেষে ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে জমি নিয়ে বিরোধে বাড়ি ঘর ভাংচুর শেষে ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম

পত্রদূত রিপোর্ট: জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা বাড়ি ঘরে হামলা ও ভাংচুর শেষে একই পরিবারের চারজন নারীসহ ছয়জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ঝিকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত তিনজনকে খুলনা ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চারজনকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলার ঝিকরা গ্রামের মনোরঞ্জন ম-ল জানান, ৪৭ শতক ভিটা জমি নিয়ে তাদের সাথে প্রতিপক্ষ গোবিন্দ ম-ল, সুরঞ্জন ম-ল, শম্ভু ম-লসহ কয়েকজনের ১৯৮৮ সাল থেকে বিরোধ রয়েছে। ওই জমি তার (মনোরঞ্জন) নামে বর্তমান হাল রেকর্ড হলেও জোরপূর্বক দাবি করে আসছিলো তার শরিক সুরঞ্জন ম-লসহ অন্যরা। এ নিয়ে প্রতিপক্ষরা ১৯৮৮ সালে আশাশুনি উপজেলা আদালতে মামলা করে। ১৯৯৫ সালে রায় তারে বিপক্ষে গেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করে তারা। সেখানে হেরে যাওয়ায় ২০০৮ সালে মহামান্য হাইকোর্টে আপিল করে তারা। বর্তমানে ওই জমির উপর স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ থাকলেও প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন অজুহাতে তাদের জমি দখল ও পুকুরের মাছ লুটপাট করে আসছিলো। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার শালিসি বৈঠক হলেও তারা সে সিদ্ধান্ত মানেনি।

 

এমনকি ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল আশাশুনি থানায় উভয়পক্ষকে নিয়ে বসাবসি করে ১০জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে আপোষনামা তৈরি হলেও ২৮ এপ্রিল দুটি গরু উঠানে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ গোবিন্দ ম-ল, সাগর ম-ল সহ কয়েকজন পুত্রবধু রিতা রানী ম-ল, শিখা রানী ম-লকে পিটিয়ে জখম করে। ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি পুতনী পুজা ম-লকে পিটিয়ে জখম করে। এসব নিয়ে থানায় মামলা না হওয়ায় প্রতিপক্ষরা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

মনোরঞ্জন ম-ল আরো জানান, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রতিপক্ষ গোবিন্দ ম-ল, সুরঞ্জন ম-লসহ তাদের পরিবারের ৮/১০ জন তাদের দখলীয় ও রেকডীয় জমিতে ঢুকে কোদাল দিয়ে মাটি কাটতে থাকে। বাধা দেওয়ায় তার ছেলে পলাশ ম-লকে দা, লোহার রড ও কোদাল নিয়ে ধাওয়া করে গোবিন্দ, সুরঞ্জন, শম্ভু, কালিপদ, সুভাষ, চিত্তরঞ্জন, মিলন, তারামনি, কমলা, ফুলমতি ও কবিতা ম-লসহ কয়েকজন। পলাশ দৌড়ে ঘরের ভিতর ঢোকার চেষ্টা করলে হামলাকারিরা তাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে উঠানে এনে মারপিট করতে থাকে। তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে পুতনী কলেজ ছাত্রী সুপ্রিয়া ম-ল, কলেজ ছাত্রী পূজা ম-ল, পুত্রবধু শিখা ম-ল, রিতা ম-ল ও পৌত্র ১০ম শ্রেণীর ছাত্র রাজু ম-লকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়।

 

এ সময় তাদের ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় শিখা রানী ম-ল, পুজা রানী ম-ল ও সুপ্রিয়া ম-লকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে সুপ্রিয়া ম-লকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলেও তাকে সোমবার রাতে খুলনা সিটি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুরঞ্জন ম-ল বলেন, সোমবার দুপুরে পলাশ ম-লসহ অন্যরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মা কবিতা ম-লকে ধরে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার খবর পাই। এরপর তাদের বাড়ির লোকজনকে নিয়ে কবিতা ম-লকে উদ্ধারে গেলে তাদের সঙ্গে হাতহাতি হয়। নিজেদের অস্ত্র নিজেদের গায়ে লেগে জখম হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, তার মাকেও আশাশুনি থেকে মেডিকেলে ভর্তি করা হবে।

তবে সোমবার দুপুর আড়াইটায় এ প্রতিবেদক আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সমগ্র হাসপাতালে খুঁজে কবিতা ম-লকে পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, সুপ্রিয়া ম-ল ও শিখা ম-লকে ধারালো জিনিস দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে। তা ছাড়া সুপ্রিয়া, শিখা ও পুজাকে ভারী জিনিস দিয়ে হাত ও পা, পিঠ জখম করা হয়েছে। বার বার বমি হওয়ায় অবস্থার অবনতি হলে সুপ্রিয়াকে খুলনায় ভর্তি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শামীম খান সুমিত্রা ম-লসহ কয়েকজনের উপর প্রতিপক্ষের গুরুতর হামলার কথা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় পঙ্কজ কুমার ম-ল বাদি হয়ে সোমবার রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছন। এঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হবে। গ্রেপ্তার করা হবে আসামীদের।

 

Ads small one

বর্ণিল আয়োজনে সাতক্ষীরায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বর্ণিল আয়োজনে সাতক্ষীরায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস

পত্রদূত রিপোর্ট: ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বর্ণিল শোভাযাত্রায় সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত ১৫ মাসে (জানুয়ারি ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) আওতায় ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জেলা জজ আদালত চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “অসহায় ও দরিদ্র মানুষের দ্রুত ও কার্যকর বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের লক্ষ্য সাতক্ষীরার গাবুরা থেকে কলারোয়ার ইলিশপুর পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে এই সেবা পৌঁছে দেওয়া।”

তিনি আরও জানান, উল্লিখিত সময়ে ২ হাজার ১২০টি আবেদনের বিপরীতে ৫২০টি মামলা দায়ের হয়েছে। এডিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৪৮১টি বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যা বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব করছে। এই সময়ে ২ হাজার ১৬৫ জন মানুষ সরাসরি আইনি সুবিধা পেয়েছেন, যার মধ্যে বড় একটি অংশ নারী।

দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে সাতটায় জজ কোর্ট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালতে এসে শেষ হয়। এতে বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিলÑ আইনি সহায়তা মেলা। এতে সাধারণ মানুষকে আইনি পরামর্শ দিতে আদালত চত্বরে বসে বিশেষ বুথ। আগত বিচারপ্রার্থীদের জন্য ছিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ। শ্রেষ্ঠ প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নারী ক্যাটাগরিতে উম্মে হাবিবা রূপা এবং পুরুষ ক্যাটাগরিতে মো. আসাদুজ্জামান আসাদকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিকেলে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান বলেন, সরকারি এই উদ্যোগের ফলে এখন অর্থিক অনটনের কারণে কারও বিচারপ্রাপ্তি আটকে থাকছে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুস সালাম, পিপি শেখ আবদুস সাত্তার এবং জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা একমত হন যে, সরকারি খরচে আইনি সহায়তা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থী মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

 

 

সাতক্ষীরায় শুক্রবার ‘ওষুধ বিড়ম্বনা’, দীর্ঘ লাইনে রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শুক্রবার ‘ওষুধ বিড়ম্বনা’, দীর্ঘ লাইনে রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দেখা মিললেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ। জেলা ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি শুক্রবার অর্ধেকের বেশি ফার্মেসি বন্ধ রাখায় তীব্র সংকটে পড়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত রোগী ও তাঁদের স্বজনরা। খোলা থাকা হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাক্সিক্ষত ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতি (বিসিডিএস) সাতক্ষীরা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শহরের বড় ফার্মেসিগুলো পালাক্রমে প্রতি শুক্রবার বন্ধ রাখা হয়। এক শুক্রবার পপুলার ফার্মেসি, সাতক্ষীরা ড্রাগ ও জিন্না ফার্মেসি বন্ধ থাকলে পরের শুক্রবার বন্ধ থাকে সাতক্ষীরা ফার্মেসি, নাহিদ মেডিকেল ও আলী মেডিকেলের মতো ব্যস্ততম দোকানগুলো।

ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, কর্মচারীদের বিশ্রামের সুযোগ দিতেই এই ‘রোটেশন’ পদ্ধতি। তবে সচেতন মহল বলছে, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত অমানবিক।

শুক্রবার ঢাকা ও খুলনা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেখাতে জেলার সাতটি উপজেলা থেকে কয়েক হাজার রোগী শহরে ভিড় করেন। প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে যখন তাঁরা ওষুধের দোকানে যাচ্ছেন, তখন শুরু হচ্ছে নতুন বিড়ম্বনা।

আশাশুনির প্রতাপনগর থেকে আসা সাধন বিশ্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ডাক্তার দেখানো আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করলাম। এখন ওষুধের দোকানে যে ভিড়, কখন বাড়ি ফিরব তার ঠিক নেই।”
অভিযোগ রয়েছে, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কিছু ফার্মেসি কেবল বড় অংকের (এক মাস বা ১৫ দিনের) ওষুধের মেমো করছে। অল্প টাকার ওষুধ নিতে আসা রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে অথবা ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্যামনগরের আফজাল শরীফ জানান, অসুস্থ মাকে নিয়ে তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে শহরে এসেছেন। কিন্তু ওষুধের দোকানের দীর্ঘ লাইনে অসুস্থ মায়ের কষ্ট আরও বাড়ছে।

ফার্মেসি বন্ধের এই সিদ্ধান্তে রোগীদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করলেও বিসিডিএস সাতক্ষীরার সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শিফট না থাকায় তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাদের বিশ্রামের জন্যই এই ব্যবস্থা। তবে সেবায় বৈষম্য বা অনিয়মের অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।”

এদিকে, জনস্বার্থে শুক্রবার সব ফার্মেসি খোলা রাখা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের মতে, চিকিৎসাসেবা যেখানে জরুরি সেবা হিসেবে স্বীকৃত, সেখানে ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

 

আইনি সহায়তা দিবসে উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’-এর অংশগ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
আইনি সহায়তা দিবসে উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’-এর অংশগ্রহণ

সাতক্ষীরায় ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠন ‘স্বদেশ’। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেয় সংগঠনটি।

সকালে জেলা জজ আদালত চত্বর থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে স্বদেশের মানবাধিকার আইনজীবী ফোরাম (এইচআরএলএফ), বিদ্যালয় নাট্যদল (বিনাদ) এবং ইয়ুথ গার্লস গ্রুপের সদস্যরা ব্যানার ও ফেস্টুনসহ যোগ দেন। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও খুলনা রোড মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত চত্বরে এসে শেষ হয়।

স্বদেশ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলায় মানবাধিকার উন্নয়ন, জেন্ডার সমতা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সহায়তা প্রদান করে আসছে। দিবসের আলোচনা সভায় স্বদেশের প্রতিনিধিরা ছাড়াও জেলা মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি আইনি সেবার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রান্তিক নারীদের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে তাঁদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি