শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় নদীভাঙন তীব্র, দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ ডিসির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় নদীভাঙন তীব্র, দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ ডিসির

সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা বাজারসংলগ্ন নদীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করতে সোমবার দুপুরে এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। পরিদর্শন শেষে তিনি বাঁধ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, খোলপেটুয়া নদীর তীব্র স্রোতে গোয়ালডাঙ্গা বাজারসংলগ্ন বেড়িবাঁধের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে। ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় আশপাশের জনপদ ও বাজার এখন ঝুঁকির মুখে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের আশ্বস্ত করেন। এ সময় তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত ইউপি প্রশাসক আক্তার ফারুক বিল্লাল, বাজার কমিটির সভাপতি মহির উদ্দিন ফকির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আব্দুল ওয়াবসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদও পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পরিষদের দাপ্তরিক নথিপত্র যাচাই, গ্রাম পুলিশের কার্যক্রম এবং সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হোসেনুজ্জামান এবং আশাশুনি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। পরে জেলা প্রশাসক উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় এবং ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাগিদ দেন।

Ads small one

১০ মহরম ত্যাগ, ন্যায় ও মানবতার এক অবিনশ্বর ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
১০ মহরম ত্যাগ, ন্যায় ও মানবতার এক অবিনশ্বর ইতিহাস

এম.এম হায়দার আলী

ইসলামের ইতিহাসে ১০ মহরম বা আশুরা এমন একটি দিন, যা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে গভীর শোক, আত্মত্যাগ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে চিরস্মরণীয়। ৬১ হিজরির ১০ মহরম (১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ইরাকের কারবালার প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর পরিবার ও অল্পসংখ্যক সঙ্গীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে শাহাদাত বরণ করেন। ইতিহাসে এই ঘটনাই “কারবালার ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।

কারবালার ঘটনা কেবল একটি যুদ্ধের ইতিহাস নয়; এটি অন্যায়, জুলুম ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সত্যের বিজয়ের প্রতীক। সংখ্যায় অল্প হলেও ইমাম হুসাইন (রা.) আপোষ করেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করার চেয়ে সত্যের পথে জীবন উৎসর্গ করা অধিক মর্যাদার। সে সময় মুসলিম বিশ্বের শাসক ইয়াজিদের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণের জন্য ইমাম হুসাইন (রা.)-এর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু তিনি মনে করতেন, অন্যায় ও অবিচারের সঙ্গে আপস করা ইসলামের মৌলিক আদর্শের পরিপন্থী। তাই তিনি মদিনা থেকে মক্কা এবং পরে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

 

পথে কারবালায় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে অবরুদ্ধ করা হয়। ইতিহাস বর্ণনা করে, টানা কয়েক দিন ফোরাত নদীর পানি থেকেও তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়। তীব্র তৃষ্ণা, অনাহার ও প্রতিকূলতার মধ্যেও ইমাম হুসাইন (রা.) এবং তাঁর সঙ্গীরা সত্যের পথ থেকে সরে আসেননি। অবশেষে ১০ মহরম তিনি, তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বিশ্বস্ত সঙ্গীরা একে একে শাহাদাত বরণ করেন। এই নির্মম ঘটনার স্মৃতি আজও বিশ্ব মুসলিমকে শোকাহত করে। বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা আশুরার দিনকে বিভিন্নভাবে স্মরণ করেন। অনেকে রোজা রাখেন, দোয়া ও ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেন এবং কারবালার শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করেন।

 

ইসলামি ঐতিহ্যে সহিহ হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে, আশুরার রোজা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদত। রাসুলুল্লাহ (সা.) আশুরার রোজা রাখতেন এবং পরবর্তীতে ৯ ও ১০ মহরম অথবা ১০ ও ১১ মহরম রোজা রাখার উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে অন্য ধর্মাবলম্বীদের রীতি থেকে ভিন্নতা বজায় থাকে।

কারবালার শিক্ষা আজও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়ানো, সত্যকে আঁকড়ে ধরা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার যে আদর্শ ইমাম হুসাইন (রা.) রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে মানুষকে অনুপ্রাণিত করে আসছে। ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কাছে নীতিকে বিসর্জন না দেওয়ার এক অনন্য উদাহরণ কারবালার ঘটনা। বর্তমান বিশ্বে যখন যুদ্ধ, সংঘাত, বৈষম্য, দুর্নীতি ও অবিচার নানা রূপে মানব সমাজকে বিপর্যস্ত করছে, তখন কারবালার বার্তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকাই একজন মানুষের সর্বোচ্চ মর্যাদা।

 

১০ মহরম তাই শুধু শোকের দিন নয়; এটি আত্মত্যাগ, নৈতিকতা, ধৈর্য, সাহস ও মানবতার এক চিরন্তন প্রেরণার দিন। কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ মানব সভ্যতার ইতিহাসে এমন এক আলোকবর্তিকা, যা অন্যায়ের অন্ধকারে ন্যায়ের পথ দেখিয়ে যাবে অনন্তকাল এমনটি আশা আমি অধমের।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
মোবাইলঃ ০১৯৭৯ ১৩৬০৯৮

 

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম

সংবাদদাতা: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি)-এ পুলিশ অফিসার থেকে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম। তার এই অর্জনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি, সাতক্ষীরাবাসী এবং স্বজনদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৭ জুন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সদর দপ্তরের পুলিশ একাডেমিতে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সার্জেন্ট পদমর্যাদার সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলীর স্বীকৃতিস্বরূপ আব্দুল হালিমকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “প্রথমত আমি একজন বাঙালি, একজন বাংলাদেশি এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের সন্তান হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমার এই অর্জন নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অনুপ্রাণিত করবে বলে বিশ্বাস করি।”

মো. আব্দুল হালিম সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা মরহুম শওকাত আলী গাজী এবং মা রোকেয়া বেগম। এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করার পর তিনি সরকারি বিএল কলেজ, খুলনায় অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০০৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিস বিষয়ে স্নাতক এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ২০১১ সালে তিনি এনওয়াইপিডিতে ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০১৫ সালে পুলিশ অফিসার হিসেবে যোগ দিয়ে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে সার্জেন্ট পদে উন্নীত হলেন।

বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এক অভিনন্দন বার্তায় জানায়, আব্দুল হালিমের এই পদোন্নতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি সমগ্র বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্য গর্বের বিষয়। সংগঠনটির নেতারা আশা প্রকাশ করেন, তার সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহিত করবে।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি আব্দুল হালিম নিজ এলাকার শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রেখে চলেছেন।

তার পদোন্নতির খবরে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মসজিদ ও মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল এবং মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা প্রকাশ করেছেন, কর্মদক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে আব্দুল হালিম ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও সাতক্ষীরার সুনাম আরও উজ্জ্বল করবেন।

পাইকগাছায় গাঁজা সেবনের আসরে পুলিশের হানা: ৫ জনের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গাঁজা সেবনের আসরে পুলিশের হানা: ৫ জনের কারাদন্ড

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় পুলিশি তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়েছে এক দল মাদকসেবী। উপজেলার কপিলমুনিতে মাদক সেবনের সময় ৫ জনকে আটক করার পর আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন খবরে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের নগর শ্রীরামপুর কলেজ পাড়ায় সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের ভাড়া বাড়িতে লিপু (৩০) নামের এক ভাড়াটিয়ার ঘরে একদল যুবক মাদক সেবন করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পুরো বাড়িটি ঘেরাও করেন। প্রায় এক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস চেষ্টার পর ঘরের ভেতর থেকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় ৫ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটকের পর আসামিদের দ্রুত আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ বিচারক অপরাধের সত্যতা প্রমাণ পাওয়ায় সবাইকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার নগর শ্রীরামপুর গ্রামের জামালের পুত্র মাহিন (২০),কাশিমনগর গ্রামের হাসান ইমামের পুত্র মর্তুজা ইমাম (৩০), শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল বিশ্বাসের পুত্র মো. রিয়াজুল ইসলাম (৩৬), নাসিরপুর গ্রামের শেখ শামসুল আলম পিন্টুর পুত্র শেখ তামিম ইসলাম (৩০), কপিলমুনির মোস্তাক গাজীর পুত্র আব্দুস সালাম (২৮)।

পাইকগাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে এই ধরনের বিশেষ ও কঠোর অভিযান আগামীতেও একইভাবে জারি থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।