মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ইমাম হোসেনকে দায়িত্ব প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ইমাম হোসেনকে দায়িত্ব প্রদান

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “যেখানে স্বপ্ন সেখানেই আমরা- ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ মানেই তোমরা” এই স্লোগানকে ধারণ করে সামাজিক ও মানবিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ দেশজুড়ে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে জীব-বৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে মোঃ ইমাম হোসাইনকে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

 

সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মনিরুল ইসলাম বাবু বলেন, “ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে জন্ম নেওয়া একটি স্বপ্নের সংগঠন। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক নেতৃত্বই একটি সংগঠনকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। মোঃ ইমাম হোসাইনের দূরদর্শিতা, সততা ও নিষ্ঠা আমাদের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। তার নেতৃত্বে সংগঠন আরও সুসংহত, কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে। কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দক্ষ, দায়িত্বশীল ও মানবিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই। মোঃ ইমাম হোসাইনের সাংগঠনিক দক্ষতা ও কাজের প্রতি একাগ্রতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

 

আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী, তিনি সংগঠনের কার্যক্রমকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত বলেন, সংগঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধান সমন্বয়কারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোঃ ইমাম হোসাইনের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও আন্তরিকতা আমাদের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করবে। তার মাধ্যমে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণে নতুন গতি পাবো বলে আশা করছি। নবনিযুক্ত প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ ইমাম হোসাইন বলেন, “ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি একটি মানবিক আন্দোলন। আমাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।

 

আমি বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবো। আমি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে সংগঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাব। সংগঠনের পক্ষ থেকে তার সার্বিক সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

 

Ads small one

আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কতা, ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিসের আর্থিক সহায়তায় এবং ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) ‘আইসিআরডিসিভি-৩’ প্রকল্পের আওতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
ইএসডিওর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শামসুল হক মৃধার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক আহ্বায়ক সম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিতীশ চন্দ্র গোলদার, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবহান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার বর্মণ, এবং সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান মনির।
এ ছাড়া সভায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস, বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. রিজাউল করিম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী ও আবু বক্কর সিদ্দিকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সিপিপি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো এবং টেকসই অভিযোজন কৌশলের ওপর জোর দেন বক্তারা। দুর্যোগ পূর্ববর্তী প্রস্তুতি গ্রহণ ও ঝুঁকি হ্রাসে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

আশাশুনির কাদাকাটিতে এক রাতে ৩ স্থানে চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির কাদাকাটিতে এক রাতে ৩ স্থানে চুরি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামে একরাতে ৩ স্থানে চুরি সংঘটিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাতে হলদেপোতা ব্রীজের কাছে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
কয়েকটি ইউনিয়ন ও উপজেলার সাথে সংযোগ সৃষ্টিকারী হলদেপোতা ব্রীজের কাছে কাদাকাটি গ্রামের আব্দুল হান্নান গাজীর ছেলে ভোলা ও সাবুদ আলী সরদারের ছেলে আব্দুল আলিমের দোকান এবং আরার গ্রামের মৃত সমজেল সরদারের ছেলে আব্দুল কাদেরের মৎস্য ঘেরের বাসা রয়েছে। সোমবার রাতে ভোলা ও আলিম দোকানে তালা লাগিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে দোকানে গিয়ে দেখেন ভোলার দোকান ঘরের চালের অ্যাডবেস্টারের টিন ফাঁকা। এবং দোকানে থাকা ৩টি বালতি, মূল্যবান মালপত্র (মূল্য অনুমান ১ লক্ষ টাকা) ও নগদ ২৫০০ টাকা চুরি হয়েছে। পাশে আলিমের স্টল দোকানে তালা ভেঙ্গে পাশের মসজিদের ৮৫০ টাকা ও অনুমান ৫০০০ টাকার মালপত্র চুরি হয়ে গেছে। একই স্থানে আব্দুল কাদের তার মৎস্য ঘেরের বাসায় সোমবার রাতে ক্রয়কৃত ১০হাজার টাকার মাছ রেখে বাড়িতে যান। চোরেরা বাসার দরজা ভেঙ্গে মাছগুলো নিয়ে যায়। এলাকাবাসী মোড়ে অবস্থিত সিসি ক্যামেরা সচল করা ও স্ট্রিট লাইটটি মেরামত করে চালু করার ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।