বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা সম্বলিত অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা সম্বলিত অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলের সংকট নিরসনে বিশেষ বরাদ্দ প্রদানসহ ২১দফা প্রস্তাব অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গবেষণা সংস্থা ‘ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিআরডিএফ)’ এবং নাগরিক সংগঠন ‘সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। একই স্মারকলিপি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে।

ডিআরডিএফ’র সভাপতি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, উপকূলে প্রতিনিয়ত দুর্যোগ আঘাত হানছে। একইসঙ্গে লবণাক্ততা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেখানে সুপেয় পানি ও খাদ্য সংকট বেড়েছে। কৃষি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। এতে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ছে এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

এই সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগণ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, নাগরিক নেতৃবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে উপকূলের জন্য সুনির্দ্দিষ্ট সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১দফা প্রস্তাবনা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাবসহ বেশকিছু প্রস্তাব অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। যা সংসদে বাজেট আলোচনায় সংসদ সদস্যরাও বাজেট আলোচনায় তুলে ধরেছেন। বাজেট পাসের আগে উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ওই সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত ২১ দফায় বলা হয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করতে হবে। উপকূলে সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। সুন্দরবন সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব এবং দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রত্যন্ত এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তাই উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি। বাজেট পাসের আগেই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

Ads small one

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৪ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৪ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৪ লাখ টাকার বেশি মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিনভর সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ গাজীপুর, মাদরা, বৈকারী, পদ্মশাখরা ও কাকডাঙ্গা বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ, চিংড়ি মাছের রেণু পোনা ও আগরবাতি আটক করা হয়।

অভিযানের বিবরণ দিয়ে বিজিবি জানায়Ñ সাতক্ষীরা সদর থানার বেলতলা এলাকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে। কলারোয়া থানার চাঁন্দা নামক স্থান থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করে। সাতক্ষীরা সদরের বৈকারী মোড় থেকে ৭ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় আগরবাতি জব্দ করে।

 

সীমান্তের শূন্য লাইনের ভেতরের হাড়দ্দহা জোড়া তালগাছ এলাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ির রেণু পোনা আটক করে। কলারোয়া থানার ভাদিয়ালী এলাকা থেকে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে। সাতক্ষীরা সদরের কামারবাইসা এলাকা থেকে ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে। জব্দকৃত চোরাচালানি মালের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ২ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এ ধরনের চোরাচালানের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

তালায় কাজ না করেই কাবিটা প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকা তুললেন ইউপি সদস্য!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
তালায় কাজ না করেই কাবিটা প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকা তুললেন ইউপি সদস্য!

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলায় কাজ না করেই গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (কাবিটা) প্রকল্পের আড়াই লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মশিয়ার রহমান উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় পর্যায়ে দেওয়ানীপাড়া বাজার সংলগ্ন পিচের রাস্তা হতে ওহাবের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা সংস্কারের জন্য এই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২৫ ২৫ জুন) সকালে সরেজমিনে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, গত চার-পাঁচ বছরে এই রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি। রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে মোশায়ার মেম্বার তাঁদের বলেছিলেন, টাকা এখনো আসেনি। কিন্তু কোনো কাজ বা নেমপ্লেট ছাড়াই পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়কে ম্যানেজ করেই এই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান টাকা তুলে নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “আগামীকাল কাজ শুরু করব এবং একদিনের মধ্যে কাজ শেষ করব।” তবে আড়াই লাখ টাকার কাজ কীভাবে একদিনে শেষ হবে, তার কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনি কাজ শেষ হয়েছে বলেই জানতেন। যদি কাজ না করে অনিয়ম করা হয়, তবে তিনি নিজেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন বলেন, “এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়েছে, পরে কাজ করে দেওয়া হবে।” তবে কাজ শেষের আগেই কেন বিল দেওয়া হলো, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী ফল মেলা শেষ, আমের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী ফল মেলা শেষ, আমের চারা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’Ñএই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা খামারবাড়ি কনফারেন্স রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

সাতক্ষীরা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু সাঈদ শুভ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) সাতক্ষীরার পিএসও ড. শিমুল মন্ডল, খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) ইকবাল আহমেদ ও অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. জামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বারি-৪ ও বারি-১১ জাতের উন্নত আমের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মেলায় অংশ নেওয়া সেরা ৩টি স্টলকে পুরস্কৃত করা হয়।