শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

কপিলমুনির বাজারে এক মাস ধরে পড়ে আছেন বৃদ্ধ, পরিচয় মেলেনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনির বাজারে এক মাস ধরে পড়ে আছেন বৃদ্ধ, পরিচয় মেলেনি

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের কাশিমনগর বাজারে গত এক মাস ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছেন প্রায় ৮০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধ। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ এই বৃদ্ধ কথা বলতে পারেন না, শরীরজুড়ে পচন ধরেছে। অমানবিক নিষ্ঠুরতায় যাঁকে এখানে ফেলে রেখে গেছে সেই ‘পাষ-দের’ খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, কাশিমনগর জামে মসজিদের সামনে অবস্থিত ছাগলের হাটের চাঁদনীতে শুয়ে আছেন জরাজীর্ণ এক বৃদ্ধ। গায়ে একটি শার্ট ও পরনে হাফপ্যান্ট। দীর্ঘ এক মাস ধরে নড়াচড়া করতে না পারায় মল-মূত্র লেগেই তাঁর সারা শরীর থেকে উৎকট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা নাক চেপে পাশ দিয়ে হাঁটছেন, কিন্তু তাঁর পরিচয় জানার বা তাঁকে উদ্ধার করার উদ্যোগ যেন কারও নেই।
স্থানীয় এক চা দোকানি জানান, গত ঈদুল ফিতরের কয়েক দিন আগে একটি ভ্যানে করে দুই ব্যক্তি তাঁকে হাটের চাঁদনীতে বসিয়ে রেখে যায়। কিছু সময় পর ওই ব্যক্তিরা ভ্যান নিয়ে চলে যায়। তিনি বলেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম কেউ হয়তো স্বজনদের রেখে গেছেন, কিন্তু এক মাস পার হয়ে গেল, কেউ আর ফিরে এল না। আমরা অনেক ডাকাডাকি করেছি, কিন্তু তিনি একটি শব্দও করতে পারেননি।”
স্থানীয় বাসিন্দা জিএম মোস্তাক আহমেদ বলেন, “বৃদ্ধটির পরিচয় জানার জন্য আমরা বহু চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি নির্বাক। অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করার নেই তাঁর।”
বৃদ্ধটির মানবেতর জীবন দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। বাজার করতে আসা নুরুল আমিন বলেন, “যাঁরা একজন অসহায় বৃদ্ধকে এভাবে পশুর মতো ফেলে রেখে গেছেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা উচিত। এটি কেবল নিষ্ঠুরতা নয়, চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।”
বাজারে আসা একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বৃদ্ধটির বেঁচে থাকার জন্য এখন সরকারি বা কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন। তাঁর শরীরের ক্ষত ও দুর্গন্ধে জীবন এখন সংকটাপন্ন।
স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা, যাতে অন্তত মানবিক কারণে হলেও এই বৃদ্ধকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়।

 

 

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।