কলারোয়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
তালা প্রতিনিধি: বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পর্যায়ে কলেজ শ্রেণিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় কবি ও প্রভাষক শিরিন সাদীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ৫ অক্টোবর তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘শিক্ষকের কণ্ঠে শিক্ষার রূপান্তর, এর মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনে ৬০ বছর’Ñএই প্রতিপাদ্য নিয়ে তালায় দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিরিন সাদীর এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়ে কবি ও লেখক শেখ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, শিক্ষকতায় নিষ্ঠা ও সাহিত্যচর্চায় অবদানের এটি এক উপযুক্ত স্বীকৃতি।
সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকালে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহিন হোসেন ও প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল প্রমুখ।
আলোচনাসভা শেষে মাসব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সচ্চিদানন্দ দে সদয়, আশাশুনি: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দিরে তৈরি হচ্ছে ব্যতিক্রমী এক প্রতিমা। মাটির কাঠামোর ওপর কয়েক মণ মুগ ডাল বসিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ ও অসুরকে।
মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, ভাস্কর কপিল মুনি প্রহ্লাদ বিশ্বাসের হাত ধরে নিপুণভাবে ফুটে উঠছে প্রতিমার অবয়ব। বাঁশ, খড় ও মাটি দিয়ে তৈরি কাঠামোর ওপর আঠা দিয়ে একটি একটি করে মুগ ডাল বসানো হচ্ছে। সোনালি রঙের এই ডালের সুবিন্যস্ত ব্যবহারে প্রতিমা পেয়েছে এক অভিনব রূপ।
প্রতিমাশিল্পী কপিল মুনি প্রহ্লাদ বিশ্বাস জানান, কাজটি অত্যন্ত ধৈর্য ও সময়সাপেক্ষ। মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ কর্মকার বলেন, প্রতিবছরই তাঁদের ম-পে নতুনত্ব আনার চেষ্টা থাকে। এবার স্থানীয় কৃষিজীবনের অন্যতম উপাদান মুগ ডালকে পূজার ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। পূজা শুরু হওয়ার আগেই এই প্রতিমা দেখতে দূর-দূরান্তের মানুষ মন্দিরে ভিড় করছেন।