সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ায় সার ও বীজ বিক্রেতাদের সঙ্গে মনিটরিং কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সার ও বীজ বিক্রেতাদের সঙ্গে মনিটরিং কমিটির সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় বীজ, সার ও কীটনাশক বিক্রেতাদের সঙ্গে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম।
সভায় সার ও বীজ বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত দাম ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার তালিকাভুক্ত সার ও বীজ বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বেতনা নদীর তীরে বৃক্ষরোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বেতনা নদীর তীরে বৃক্ষরোপণ

সংবাদদাতা: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তেঁতুলডাঙ্গা গ্রামে বেতনা নদীর তীরে ২ হাজার বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৪ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। নদীতীরবর্তী পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তের সার্বিক নির্দেশনা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তত্ত্বাবধানে এবং ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এতে ৫৪ জন শিশু ও যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

জীবন দক্ষতা থেকে পরিবেশ সুরক্ষা: শিশু ও যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় জীবন দক্ষতাবিষয়ক সেশনের মাধ্যমে শিশুদের নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব সেশনে অর্জিত জ্ঞান ও অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে শিশুরা কমিউনিটি পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বেতনা নদীর তীরে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমে শিশু ও যুবরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। বৃক্ষরোপণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে তাদের সম্পৃক্ততা জীবন দক্ষতা সেশনে অর্জিত শিক্ষার বাস্তব প্রয়োগের একটি ইতিবাচক উদাহরণ। এর মাধ্যমে শিশুরা পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব অনুধাবনের পাশাপাশি নিজেদের কমিউনিটির উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ পাচ্ছে।

প্রায় সাত বিঘা জমিতে বৃক্ষরোপণ, গুরুত্ব পাচ্ছে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ:
এ সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের আওতায় বেতনা নদীর তীরবর্তী প্রায় সাত বিঘা জমিতে দুই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। রোপণকৃত গাছের মধ্যে রয়েছে কদবেল, তেঁতুল, গোলপাতা, খইবাবলা, বাবলা, কাঁকড়া, বাইন, কাঁকড়া, পবন ঝাউ ও কেওড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ।
স্থানীয় পরিবেশ ও নদীতীরবর্তী এলাকার বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রোপণকৃত চারার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্থানে নেট বা জাল, খুঁটি ও বাঁশের বেড়া ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলো বেড়ে উঠলে নদীতীরবর্তী পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মিলিত উদ্যোগে চলবে বৃক্ষের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ:
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণকৃত চারাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় কমিউনিটি, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ এবং বন বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগে গাছগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। শিশু ও যুবদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এ কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকারি প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, বন বিভাগ এবং কমিউনিটির সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ সামাজিক বনায়নকে একটি টেকসই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে।

জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ
উপকূলীয় সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিবর্তনের নানা ঝুঁকির মুখোমুখি। এ প্রেক্ষাপটে বেতনা নদীর তীরে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।

বিশেষ করে শিশু ও যুবদের জীবন দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি বাস্তব সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা তাদের নেতৃত্ব, সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে সহায়তা করে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ পরিবেশ সংরক্ষণকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

যথাযথ পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বেতনা নদীর তীরের এ সামাজিক বনায়ন ভবিষ্যতে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

পাইকগাছায় দুর্গা পূজা উপলক্ষে অসহায় জনগোষ্ঠীর মাঝে শাড়ি বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় দুর্গা পূজা উপলক্ষে অসহায় জনগোষ্ঠীর মাঝে শাড়ি বিতরণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দুর্গা পূজা উপলক্ষে অসহায় জনগোষ্ঠীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডারের বরাদ্ধ হতে সনাতন ধর্মালম্বী দুস্থ, দরিদ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়।

শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর সোমবার সকালে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুস্থ, দরিদ ও অসহায় মানুষদের মাঝে শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা এসএম আমিনুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুল মমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা বুলবুল আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলতাফ হোসেন, আবাদুল্লাহ আল মামুন, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রাণকৃষ্ণ দাশ, পৌর কমিটির সভাপতি বাবুরাম মন্ডল, সদস্য সচিব হিমাদ্রি শেখর দে, সুরজ্ঞন চক্রবর্তী প্রমুখ।

উপজেলার ১৫১টি দূর্গাপূজা মন্দিরের দুস্থ, দরিদ্র ও অসহায় নারীদের ১৫১টি শাড়ি প্রদান করা হয়েছে। শাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ, মন্দির কমিটির সভাপতি সম্পাদকসহ বিভিন্ন মন্দিরের নারী সদস্যবৃন্দ।

 

তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়তে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়তে আলোচনা সভা

তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়ে তোলা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্দেশিকা’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার সম্মেলনকক্ষে সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, যুগের যাত্রী, মৃত্তিকা, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, প্রভা ও মৌমাছির যৌথ আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মৌমাছির নির্বাহী পরিচালক সুশান্ত মল্লিকের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ফোকাল পার্সন মো. জিয়াউর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আকতার হোসেন তালুকদার, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রবিউল আলম এবং সহকারী লাইসেন্স কর্মকর্তা মো. রাহান আহমেদ।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকার নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুস সালাম, প্রভা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাম্মী আক্তার কুমকুম এবং সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান। এ ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সুজিত কুমার নাথ, নাসরিন সুলতানা মৌ ও রতœা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তামাকজনিত রোগ, অকালমৃত্যু এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশিকার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, তামাকমুক্ত পৌরসভা গড়তে শুধু সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ, নিয়মিত তদারকি, পৃথক বাজেট বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত অংশগ্রহণ। এ ক্ষেত্রে পৌরসভা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় তামাকজাত দ্রব্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন অপসারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ এবং কলেজ পর্যায়ে তামাকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির স্থান চিহ্নিত করে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি, পৌরসভা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির নিয়মিত সভা এবং তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়।

আলোচনা সভা থেকে সাতক্ষীরা পৌরসভাকে স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশিকার কার্যকর বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, নিয়মিত তদারকি এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি