সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়তে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়তে আলোচনা সভা

তামাকমুক্ত সাতক্ষীরা পৌরসভা গড়ে তোলা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্দেশিকা’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার সম্মেলনকক্ষে সাতক্ষীরা পৌরসভা, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, যুগের যাত্রী, মৃত্তিকা, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, প্রভা ও মৌমাছির যৌথ আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মৌমাছির নির্বাহী পরিচালক সুশান্ত মল্লিকের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ফোকাল পার্সন মো. জিয়াউর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আকতার হোসেন তালুকদার, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রবিউল আলম এবং সহকারী লাইসেন্স কর্মকর্তা মো. রাহান আহমেদ।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকার নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুস সালাম, প্রভা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাম্মী আক্তার কুমকুম এবং সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান। এ ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সুজিত কুমার নাথ, নাসরিন সুলতানা মৌ ও রতœা খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, তামাকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তামাকজনিত রোগ, অকালমৃত্যু এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশিকার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, তামাকমুক্ত পৌরসভা গড়তে শুধু সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ, নিয়মিত তদারকি, পৃথক বাজেট বরাদ্দ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত অংশগ্রহণ। এ ক্ষেত্রে পৌরসভা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় তামাকজাত দ্রব্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন অপসারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রি নিয়ন্ত্রণ এবং কলেজ পর্যায়ে তামাকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রির স্থান চিহ্নিত করে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি, পৌরসভা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটির নিয়মিত সভা এবং তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়।

আলোচনা সভা থেকে সাতক্ষীরা পৌরসভাকে স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশিকার কার্যকর বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, নিয়মিত তদারকি এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

আশাশুনিতে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘœ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্বস্ত্রীক উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। গত দুই দিনে তিনি আশাশুনি উপজেলার ১১টা ইউনিয়নে ১০৬টি পূজা মন্ডপের মধ্যে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামন্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব। এ উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আনসার-ভিডিপি সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোথাও যেন অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশৃঙ্খলা কিংবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

পূজামন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত প্রশাসন ও পুলিশকে জানাতে হবে।” উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে উৎসব উদ্যাপন করবেন-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি পূজামন্ডপ সংশ্লিষ্টদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। দুই দিনে উপজেলার ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে পূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়াকে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

 

 

আশাশুনিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ, ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ, ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জমি ও মাছের ঘের নিয়ে বিরোধের জেরে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন বড়দল বাজার এলাকার মৃত লতিফ শেখের ছেলে রেজাউল শেখ।

এজাহার সূত্রে ও বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে, আশাশুনি থানাধীন বড়দল মৌজায় ৩০ বিঘা জমিতে একটি যৌথ মাছের ঘের করতেন এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামির সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হওয়ায় বাদী ঘেরের অংশীদারত্ব থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় এক নম্বর আসামির অংশ এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার টাকার বিনিময় কিনে নিয়ে তিনি এককভাবে ঘেরটি পরিচালনা করে আসছিলেন বলে জানা গেছে। এক নম্বর আসামির ছেলে তাঁর বাবার ঘেরের অংশ রক্ষা করতে না পারায় বাদীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি দেন। সুযোগ পেলে ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছের ক্ষতি করবেন বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে এক নম্বর আসামি ও তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করা হয়। এ সময় ঘেরে থাকা বাগদা, গলদা, হরিণাসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ মরে যায়। এতে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। বাদীর দাবি, ঘটনার সময় সাক্ষী মো. সাব্বির হোসেন (২৮) বিষয়টি সরাসরি দেখেছেন। পরদিন ১৮ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই ঘেরে আবারও বিষ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনাও কয়েকজন সাক্ষী সরাসরি দেখেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি জানার পর বাদী সাক্ষীদের নিয়ে ঘের পরিদর্শন করেন। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখে তিনি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় এজাহার দায়ের করেন।

এ বিষয়ে বাদী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদুর রহমান জানান ঘেরে বিষ প্রয়োগের ব্যাপারে একটা লিখিত এজাহার পেয়েছি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অনলাইন গণমাধ্যমের পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে শ্যামনগরের সুন্দরবন পিকনিক কর্নারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের সাবেক সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান।

নবগঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিতে গাজী নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং সরদার আলামিনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন বশির উদ্দিন সাজু, মাসুম বেলাল কাইয়ুম ও আবু রায়হান।

সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সদস্যদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে জনস্বার্থে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং শ্যামনগরে অনলাইন সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি