সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বেতনা নদীর তীরে বৃক্ষরোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বেতনা নদীর তীরে বৃক্ষরোপণ

সংবাদদাতা: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তেঁতুলডাঙ্গা গ্রামে বেতনা নদীর তীরে ২ হাজার বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৪ থেকে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। নদীতীরবর্তী পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তের সার্বিক নির্দেশনা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তত্ত্বাবধানে এবং ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এতে ৫৪ জন শিশু ও যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

জীবন দক্ষতা থেকে পরিবেশ সুরক্ষা: শিশু ও যুবদের সক্রিয় অংশগ্রহণ
ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের বাস্তবায়িত প্রকল্পের আওতায় জীবন দক্ষতাবিষয়ক সেশনের মাধ্যমে শিশুদের নেতৃত্ব, দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব সেশনে অর্জিত জ্ঞান ও অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে শিশুরা কমিউনিটি পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বেতনা নদীর তীরে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমে শিশু ও যুবরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। বৃক্ষরোপণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে তাদের সম্পৃক্ততা জীবন দক্ষতা সেশনে অর্জিত শিক্ষার বাস্তব প্রয়োগের একটি ইতিবাচক উদাহরণ। এর মাধ্যমে শিশুরা পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব অনুধাবনের পাশাপাশি নিজেদের কমিউনিটির উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ পাচ্ছে।

প্রায় সাত বিঘা জমিতে বৃক্ষরোপণ, গুরুত্ব পাচ্ছে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ:
এ সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের আওতায় বেতনা নদীর তীরবর্তী প্রায় সাত বিঘা জমিতে দুই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। রোপণকৃত গাছের মধ্যে রয়েছে কদবেল, তেঁতুল, গোলপাতা, খইবাবলা, বাবলা, কাঁকড়া, বাইন, কাঁকড়া, পবন ঝাউ ও কেওড়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ।
স্থানীয় পরিবেশ ও নদীতীরবর্তী এলাকার বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রোপণকৃত চারার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় স্থানে নেট বা জাল, খুঁটি ও বাঁশের বেড়া ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলো বেড়ে উঠলে নদীতীরবর্তী পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্মিলিত উদ্যোগে চলবে বৃক্ষের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ:
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণকৃত চারাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় কমিউনিটি, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদ এবং বন বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগে গাছগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। শিশু ও যুবদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এ কার্যক্রমের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকারি প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, বন বিভাগ এবং কমিউনিটির সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ সামাজিক বনায়নকে একটি টেকসই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে।

জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ
উপকূলীয় সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিবর্তনের নানা ঝুঁকির মুখোমুখি। এ প্রেক্ষাপটে বেতনা নদীর তীরে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।

বিশেষ করে শিশু ও যুবদের জীবন দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি বাস্তব সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা তাদের নেতৃত্ব, সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বিকাশে সহায়তা করে। এ ধরনের উদ্যোগে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ পরিবেশ সংরক্ষণকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

যথাযথ পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে বেতনা নদীর তীরের এ সামাজিক বনায়ন ভবিষ্যতে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

Ads small one

আশাশুনিতে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘœ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্বস্ত্রীক উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। গত দুই দিনে তিনি আশাশুনি উপজেলার ১১টা ইউনিয়নে ১০৬টি পূজা মন্ডপের মধ্যে ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামন্ডপগুলোর সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য উৎসব। এ উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও আনন্দমুখর করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পূজামন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আনসার-ভিডিপি সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোথাও যেন অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশৃঙ্খলা কিংবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

পূজামন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত প্রশাসন ও পুলিশকে জানাতে হবে।” উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে উৎসব উদ্যাপন করবেন-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি পূজামন্ডপ সংশ্লিষ্টদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলা, নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। দুই দিনে উপজেলার ৪০টি পূজামন্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে পূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়াকে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

 

 

আশাশুনিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ, ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ, ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে জমি ও মাছের ঘের নিয়ে বিরোধের জেরে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন বড়দল বাজার এলাকার মৃত লতিফ শেখের ছেলে রেজাউল শেখ।

এজাহার সূত্রে ও বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে, আশাশুনি থানাধীন বড়দল মৌজায় ৩০ বিঘা জমিতে একটি যৌথ মাছের ঘের করতেন এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামির সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হওয়ায় বাদী ঘেরের অংশীদারত্ব থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় এক নম্বর আসামির অংশ এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার টাকার বিনিময় কিনে নিয়ে তিনি এককভাবে ঘেরটি পরিচালনা করে আসছিলেন বলে জানা গেছে। এক নম্বর আসামির ছেলে তাঁর বাবার ঘেরের অংশ রক্ষা করতে না পারায় বাদীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময় হুমকি দেন। সুযোগ পেলে ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছের ক্ষতি করবেন বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে এক নম্বর আসামি ও তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করা হয়। এ সময় ঘেরে থাকা বাগদা, গলদা, হরিণাসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ মরে যায়। এতে আনুমানিক ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। বাদীর দাবি, ঘটনার সময় সাক্ষী মো. সাব্বির হোসেন (২৮) বিষয়টি সরাসরি দেখেছেন। পরদিন ১৮ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই ঘেরে আবারও বিষ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনাও কয়েকজন সাক্ষী সরাসরি দেখেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি জানার পর বাদী সাক্ষীদের নিয়ে ঘের পরিদর্শন করেন। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখে তিনি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত হন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় এজাহার দায়ের করেন।

এ বিষয়ে বাদী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদুর রহমান জানান ঘেরে বিষ প্রয়োগের ব্যাপারে একটা লিখিত এজাহার পেয়েছি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের কার্যকরী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অনলাইন গণমাধ্যমের পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে শ্যামনগরের সুন্দরবন পিকনিক কর্নারে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের সাবেক সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান।

নবগঠিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিতে গাজী নুরুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং সরদার আলামিনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন বশির উদ্দিন সাজু, মাসুম বেলাল কাইয়ুম ও আবু রায়হান।

সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সদস্যদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যমে জনস্বার্থে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং শ্যামনগরে অনলাইন সাংবাদিকতার পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি