বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কাজের খোঁজে অনিশ্চয়তায় কয়রার যুবসমাজ, টিটিসি স্থাপনে ঘুচতে পারে বেকারত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
কাজের খোঁজে অনিশ্চয়তায় কয়রার যুবসমাজ, টিটিসি স্থাপনে ঘুচতে পারে বেকারত্ব

0-3840x2160-0-0-{}-0-12#

কয়রা (খুলনা) প্রতনিধি: খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় বেকারত্ব সমস্যা দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। বারবার আঘাত হানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এই দুর্গম অঞ্চলে কর্মসংস্থানের অভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজ কাজের অভাবে গভীর অনিশ্চয়তায় ভুগছে, যা এলাকায় সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলছে। এমন পরিস্থিতিতে এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কয়রায় একটি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) স্থাপনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুন্দরবনসংলগ্ন কয়রা উপজেলা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা একটি এলাকা। এখানকার অধিকাংশ মানুষের জীবিকা কৃষি, মৎস্য ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। তবে ফসলি জমিতে নোনাপানির ঘেরের আধিক্যের কারণে এখন কর্মসংস্থানের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। ফলে জীবিকার তাগিদে বছরের একটি বড় সময় এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষকে অন্য জেলার ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতে যেতে হয়। এতে বিঘিœত হচ্ছে সন্তানদের পড়াশোনা, অনেকেই ঝরে পড়ছে বিদ্যালয় থেকে। অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের অভাবে উচ্চশিক্ষিত বহু নারী-পুরুষকেও এখানে দিনমজুরের কাজ করতে হচ্ছে। উপযুক্ত কাজের অভাবে যুবসমাজের একটি বড় অংশ বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে মাদক ও জুয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উপজেলাটিতে কোনো সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই। ফলে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্নকারী কিংবা অনার্স-মাস্টার্স পাস করা শিক্ষার্থীরাও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন না। তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলেও বাস্তবমুখী দক্ষতার অভাবে তারা চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ছেন, বঞ্চিত হচ্ছেন আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ থেকেও।

বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরো কয়রা উপজেলা শাখার সহসভাপতি জি এম মোনায়েম বলেন, “কয়রার মতো দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় বেকারত্ব এখন মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে। কর্মসংস্থানের অভাবে মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লিপ্ত হচ্ছে এবং শিশুশ্রম বাড়ছে।”

এদিকে, উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম একটি ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ সংকটের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুর্যোগের কারণে প্রতি বছরই কয়রায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার করতে হয়। কিন্তু এসব কাজে মাটির কাটার জন্য স্কেভেটর কিংবা কার্পেটিং সড়ক নির্মাণের রোলার চালক ও দক্ষ কর্মী বাইরে থেকে আনতে হয়। অথচ প্রশিক্ষণের অভাবে স্থানীয় মানুষ কর্মহীন বসে আছেন। তাঁর মতে, “কয়রাতেই যদি স্কেভেটর ও রোলার ড্রাইভিং, গাড়ি মেরামত কিংবা আইটি খাতের ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যায়, তবে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান যেমন হবে, তেমনি দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত ও কম খরচে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।”

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন জানান, দুর্যোগ ও লবণাক্ততার কারণে কৃষি ও মৎস্য খাত বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিবারগুলো টেকসই আয়ের পথ হারিয়েছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এলাকা ছেড়ে ইটভাটা ও বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক অস্থায়ী শ্রমিকের কাজে চলে যাওয়ায় পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে এবং শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তবে আশার কথা শুনিয়েছেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তিনি জানান, কয়রায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কর্মকর্তারা সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। কয়রায় একটি টিটিসি স্থাপনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি গড়তে এই প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখবে এবং এটি চালু হলে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএমইটি-এর আওতাধীন ‘উপজেলা পর্যায়ে ৫০টি টিটিসি স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সম্প্রতি কয়রায় সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে এর গুরুত্ব উল্লেখপূর্বক একটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছেন।

প্রস্তাবিত এই কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি স্থাপিত হলে ড্রাইভিং, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, ওয়েল্ডিং, গার্মেন্টস ও নির্মাণসহ বিভিন্ন ট্রেডে যুবকেরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। এতে দেশ ও বিদেশের বাজারে তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি কমবে দারিদ্র্য। এছাড়া দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হওয়ায় এই বহুতল ভবনটিকে দুর্যোগের সময়ে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে, যা স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Ads small one

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় নিয়মিত একটি মামলার আসামি হিসেবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেনÑসাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহরের সুলতানপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ জাহাঙ্গীর কবির (৪৭) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও ইটাগাছা এলাকার বাসিন্দা এস এম তুহিনুর রহমান (৩৬)।
সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহিল আরিফ নিশাত ও সমীর গাইনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকালই তাঁদের পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: বিপন্ন গ্রামীণ সড়ক ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮টি মৎস্য ঘেরের একটি বড় অংশই গড়ে উঠেছে সরকারি আইন ও পরিবেশগত বিধিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে। অনেক প্রভাবশালী ঘের মালিক সরকারি পাকা ও কাঁচা সড়কগুলোকে তাঁদের ঘেরের বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শতাধিক গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন ধ্বংসের মুখে পড়েছে, তেমনি সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নব্বইয়ের দশক থেকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকা দখল করে মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই প্রবণতা গ্রামীণ সড়কের বুক পর্যন্ত এসে ঠেকেছে। গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের একাংশসহ কেশবপুরের বহু গুরুত্বপূর্ণ পাকা ও কাঁচা রাস্তার শোল্ডার ও পিচের অংশ ঘেরের পানির কারণে ধসে যাচ্ছে। ফলে যানবাহন ও জনসাধারনের চলাচলের সাধারণ পথগুলো এখন বিপজ্জনক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, যেকোনো সড়ক থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
এর চেয়েও বড় সংকট তৈরি হয়েছে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল করে দেওয়ায়। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ব্যক্তিগত মৎস্য ঘের তৈরি করায় বৃষ্টির পানি নামার পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিলসহ ওই অঞ্চলের অন্তত এক ডজন বিশাল বিলের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থারই ক্ষতি হবে না, বরং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বিল এলাকার হাজার হাজার নি¤œআয়ের মানুষ ও মৎস্যজীবী দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা সংকটে পড়বেন।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য বিভাগ মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও সচেতনতামূলক সভা করলেও তা প্রভাবশালী ঘের মালিকদের থামাতে পারছে না। নামমাত্র জরিমানা বা সাময়িক নিষেধাজ্ঞা এই কাঠামোগত ক্ষতি রোধে কোনো স্থায়ী সমাধান আনছে না। সরকারি সম্পদ ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা জিম্মি করে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের এই অতি-মুনাফালোভী বৈরী আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে মৎস্য ঘের নীতিমালার কঠোর ও আপসহীন বাস্তবায়ন জরুরি। যেসব ঘের মালিক সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেবল জরিমানা নয়, বরং ফৌজদারি আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে অবৈধভাবে দখলকৃত খাল ও কালভার্টের মুখ অবিলম্বে উন্মুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে নাÑসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত স্থায়ী পদক্ষেপ নেবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের সমন্বয় সভা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অংশ গ্রহণে ক্লাস্টারভিত্তিক মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউআরসি ট্রেনিং সেন্টারে ৪টি ক্লাস্টারের এই পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার ১০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা অংশ নেন। সভায় আলোচনায় অংশ নেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, ঝংকর ঢালী, সোহাগ আলম ও আশেকুজ্জামান।
আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, চম্পাখালী ও বুধহাটা ক্লাস্টারের শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই সভায় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি, জুন ক্লোজিংয়ের বিবিধ ভাউচার জমা এবং বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি) গঠনের সার্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।