সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আক্রান্ত লতা আমের রং বাদামি ধুসর বর্ণের; বাজারে চাহিদা নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আক্রান্ত লতা আমের রং বাদামি ধুসর বর্ণের; বাজারে চাহিদা নেই

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় স্ক্যাব রোগে আক্রান্ত বোম্বাই লতা আমের রং বাদামি ধুসর বর্ণের হয়ে গেছে। লতা আম গাছের প্রায় সব আমের খোসা বাদামি ধুসর বর্ণের সফেদার মতন দেখতে হয়েছে। দেখলে মনে হয় আম গাছে সফেদা ধরেছে। আমের রং ধুসর হওয়ায় বাজারে চাহিদা কম। ধুসর বর্ণের লতা আমের চাহিদা না থাকায় বিক্রি হচ্ছে কম দামে। এতে আম চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছ।

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের বোম্বাই লতা আম অর্থকরী ফসল হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলো। তবে এ লতা আমের সবুজ ছাল বা খোসা ধুসর বর্ণের হওয়ায় আমের ক্রেতা নেই। দাদযুক্ত লতা আমের চাহিদা নেই বাজারে, তাই কম দামে বিক্রি হচ্ছে। লতা আমের বাগান মালিক ও ব্যবসাহীরা আম নিয়ে বিপাকে পড়েছে। গাছ থেকে আম পাড়ার খরচ উঠছে না। এর ফলে গাছে আম নষ্ট হচ্ছে। লতা আমের বাগান মালিক গদাইপুরের মোবারক ঢালী বলেন, গাছে সার ঔষধ প্রয়োগ করার পরও লতা আমে ধুসর রঙের হয়েছে। দাগযুক্ত লতা আম কিনছে না। খুব কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আম বিক্রি না হওয়ায় অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, আম বাদামি ধুসর বর্ণের হওয়া এটা আমের দাদ রোগ বা স্ক্যাব রোগ। আমের স্ক্যাব রোগ হলে কচি আমের গুটি আক্রান্ত হয় ঝড়ে যায়। আক্রান্ত আমের খোসা বাদামি ধুসর বর্ণের হয়ে যায়, খোসা খসখসে ও কিছুটা ফাটাফাটা মনে হয় ছোট অবস্থায় আক্রান্ত হলে আম ঝরে পড়ে, বড় আমে আক্রমণ থাকলে পুরা আম ধুসর বর্ণে ঢেকে যায়। আমের রং ধুসর হওয়ায় বাজার দর কমে যায়।

খুলনার গদাইপুর এলাকার বোম্বাই লতা আমের ব্যাপক পরিচিতি ছিলো। লতা আম এ অঞ্চলে একটি অর্থকরী ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এক সময় ঢাকা শহরে সুন্দর গোল গোল বড় বোম্বাই লতা আমের ব্যাপক চাহিদা ছিলো। তবে লতা আমের মান নষ্ট হওয়ায় এর চাহিদা ও বিক্রি হচ্ছে না।

পাইকগাছা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, বোম্বাই লতার বাদামি ধুসর বর্ণের হওয়া এটা আমের দাদ রোগ বা স্ক্যাব রোগ। আম গুটি অবস্থায় থাকতে কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব ২ গ্রাম / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ৩-৪ বার স্প্রে করলে আমের ধুসর রং থাকবে না আর ফলও ভালো পাওয়া যায়।

 

ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডালপালা ছাটাই করে পরিস্কার করে রাখতে হবে। পরিস্কার করার পর একঠি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করতে হবে। তাহলে গাছ থেকে স্ক্যাব রোগমুক্ত আমের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

 

Ads small one

ট্রাক ক্রয়ের টাকা ও কাগজপত্র না পাওয়ার অভিযোগে কলারোয়ায় সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ট্রাক ক্রয়ের টাকা ও কাগজপত্র না পাওয়ার অভিযোগে কলারোয়ায় সংবাদ সম্মেলন

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় পুরোনো ট্রাক কেনার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দেওয়া এবং পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে কলারোয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. সোহাগ হোসেন নামের এক ব্যক্তি। শাহাপুর গ্রামের অধিবাসী সোহাগ হোসেন লিখিত বক্তব্যে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি সাড়ে সাত লাখ টাকায় একটি পুরোনো ট্রাক কেনেন। কিন্তু টাকা পরিশোধের পরও বিক্রেতা আমিনুর রহমান গাড়ির কাগজপত্র বুঝিয়ে দেননি। পরবর্তীতে পাওনা ফেরত সংক্রান্ত নানা চুক্তি ও চেক দেওয়া হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। এতে সোহাগ হোসেন তাঁর পাওনা টাকা উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার পরিষদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার পরিষদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে এমএসপি ও এমএনপি সদস্যদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘স্বদেশ’ সংস্থার বাস্তবায়নে এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত ‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)’ প্রোগ্রামের অধীনে এ সভার আয়োজন করা হয়। শিবপুর মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক ফরহাদ আমিন সিয়াম ও মানবাধিকার নারী পরিষদের আহ্বায়ক খাদিজা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নারী-শিশু পাচার, বাল্যবিয়ে, জন্মনিবন্ধন ও সাইবার অপরাধসহ সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকা বর্জ্য ও মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকা বর্জ্য ও মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ

শেখ আব্দুল আলিম: সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাজার কমিটির সক্ষমতা বাড়াতে এক পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের ম্যানগ্রোভ সভাকক্ষে উন্নয়ন সংস্থা ‘রূপান্তর’-এর উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় সাতক্ষীরা পৌর এলাকা ও প্রাণসায়ের খাল পাড়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন বক্তারা। তাঁরা জানান, প্রাণসায়ের খালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও যাতায়াতের জন্য যে পথটি তৈরি করা হয়েছে, তা বর্তমানে গরু-ছাগল চলাচল, ময়লা-আবর্জনা এবং মাদকসেবীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিরসনে পুরো এলাকাটিকে ধূমপান ও মাদকমুক্ত ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য ঝুড়ি (বাস্কেট) স্থাপনের প্রস্তাব রাখা হয়।
অনুষ্ঠানে রূপান্তরের প্রতিনিধি রতœা খাতুন, অণিক দত্ত এবং কর্মসূচি সঞ্চালক নাসরিন সুলতানা মৌ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সাতক্ষীরা বড়বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুর রব, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রতিনিধি মো. ইদ্রিস আলি, মো. রাশেদ, আব্দুল আলিম, ফরিদ আহম্মেদ ময়না এবং প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা।
আলোচনা পর্ব শেষে সাতক্ষীরা শহর ও প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পৌর প্রতিনিধি মোঃ ইদ্রিস আলি ও রূপান্তরের প্রতিনিধি নাসরিন সুলতানা মৌ।