বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা শীর্ষক সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা শীর্ষক সংলাপ

পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে এগ্রোইকোলজি চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষক হিসেবে নারীর স্বীকৃতি, নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ এবং জাতীয় নীতিতে এগ্রোইকোলজিকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ২টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ল্যাবে ‘বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা: এগ্রোইকোলজিই পথ দেখায়’ শীর্ষক আঞ্চলিক সংলাপে এসব কথা উঠে আসে। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান। বারসিকের উপকূলীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম মূল উপস্থাপনা করেন। তাঁর উপস্থাপনার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক তানভীর হোসাইন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি তাঁরা বিভিন্ন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার ৮৬ পৃষ্ঠার মধ্যে ছয় পৃষ্ঠা বারসিকের শ্যামনগর কর্মএলাকার সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবন ও বাস্তবতা নিয়ে। তিনি আরও বলেন, বছরের প্রায় পাঁচ মাস সুন্দরবন বন্ধ থাকায় বনজীবীদের জীবিকায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। এ সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে যে সীমিত সহায়তা দেওয়া হয়, তা বনজীবীদের প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। কমিউনিটি পর্যায় থেকে উঠে আসা দাবি ও সুপারিশগুলো গবেষণায় তুলে ধরা হলেও সেগুলো সরকারি নীতিনির্ধারণে কতটা প্রতিফলিত হচ্ছে, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী নওশিন নোয়ার প্রমি বলেন, নারীরা পরিবারে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ কাজ করলেও এসব কাজের জন্য কোনো শ্রমমজুরি পান না। এগ্রোইকোলজি চর্চা সম্প্রসারিত হলে পানি সংগ্রহ, কৃষিকাজ, বীজ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর কাজের চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই নারীর কাজের ক্ষেত্রকে আরও নমনীয় ও সহায়ক করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

অধ্যাপক ড. মোসাম্মত রওশন আরা বলেন, দেশে এখনো নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য রয়েছে। কৃষক বলতেই সাধারণ মানুষের চিন্তায় পুরুষের নাম আসে, অথচ কৃষির সূচনালগ্ন থেকেই নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। নারীর হাত ধরেই কৃষির পাশাপাশি বীজ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনারও বিকাশ ঘটেছে।

তিনি বলেন, মানুষের খাদ্য এমন হওয়া উচিত, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ পথ দেখাতে পারে। তাই সরকারের বিদ্যমান নীতিমালায় কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে অধ্যাপক ড. তুহিন রায় বলেন, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগের ফলে কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থায় নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে আমাদের খাদ্যব্যবস্থা দিন দিন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এগ্রোইকোলজি র বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে টেকসই কৃষি, নিরাপদ খাদ্য এবং খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জনের পথ তৈরি হতে পারে।

সংলাপে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সেলিনা আহমেদ, অধ্যাপক মোসাম্মত রওশন আরা, অধ্যাপক তানভীর হোসাইন, ড. তুহিন রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, পিএইচডি গবেষক, মাস্টার্স ও বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, খাদ্যব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা, কৃষকের স্বীকৃতি, নারী শ্রমের মূল্যায়ন, নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ, নিরাপদ খাদ্য এবং জাতীয় কৃষিনীতি ও পরিকল্পনায় কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যার অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

সমাপনী বক্তব্যে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান বারসিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এত চমৎকার ও সময়োপযোগী একটি বিষয় নিয়ে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়ায় বারসিককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আজকের সংলাপ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সংকট ও বাস্তবতা চিহ্নিত করে সেকেন্ডারি স্টেকহোল্ডারদের মাধ্যমে তা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে কৃষি, পরিবেশ, নারী ও কৃষকের অধিকারকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এগ্রোইকোলজি র চর্চা ও নীতিগত স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

জ্ঞান বিনিময়, লোকায়ত জ্ঞানের প্রসার এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ ও জৈব খাদ্য উৎপাদনের যে পথ (এখানে পথ বলতে এগ্রোইকোলজি) বারসিক আমাদের সামনে উন্মোচন করছে, সেটিকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। রবিবার থেকে বারসিক ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যে পথচলা শুরু হলো, তা অত্যন্ত শুভ ও ফলপ্রসূ হোক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

Ads small one

কেশবপুর এমএম গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুর এমএম গোবিন্দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের মেহেরপুর, মির্জাপুর ও গোবিন্দপুর (এম এম) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এম এম ইলিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান শিক্ষক বাবলুজ্জামানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমি সুপারভাইজার তোরাবুল ইসলাম, সাংবাদিক এম এ রহমান, আক্তার হোসেন, চিংড়া বাজার ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ শামিম হোসাইন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. সিদ্দিকুর রহমান।
শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিদ্যালয়ের জমিদাতা সৈয়দ জাফর হাসান লাভলু, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ও যুবনেতা শাহিনুর রহমান শাহীন উপস্থিত ছিলেন। তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

কেশবপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে হাজী আব্দুল মোতালেব মহিলা ডিগ্রি কলেজের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কলেজের দাতা সদস্য আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল হোসেন আজাদ বলেন, “তোমরা যারা নতুন ভর্তি হয়েছ, তোমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হতে হলে এখন থেকেই পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত ক্লাসে আসতে হবে এবং শিক্ষকদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।” তিনি আরও বলেন, শুধু ভালো ফল করলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে পরিবার ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিন ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র দত্ত এবং শিক্ষার্থী ইরিন জামান ও সুমী খাতুন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন মনিরা হারুন মীম এবং গীতা পাঠ করেন সৌমিতা চক্রবর্তী মৌমিতা। পরে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং কলেজের চারজন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো কলেজ প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।

পাইকগাছায় জি-নাইন কলা চাষে সফল নারায়ণ অধিকারী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় জি-নাইন কলা চাষে সফল নারায়ণ অধিকারী

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): কলার উন্নত জাত ‘জি-নাইন’ (এ-৯) চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন খুলনার উপকূলীয় পাইকগাছা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কৃষক নারায়ণ অধিকারী। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উৎপাদিত এই কলার ফলন ভালো হওয়া এবং রোগবালাই কম থাকায় ওই এলাকায় এই জাতের কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

পাইকগাছা নতুন বাজারের পাশে নিজের বাড়ির আঙিনায় মাত্র দুই শতক জমিতে এই কলার চাষ করেছেন নারায়ণ অধিকারী। প্রতিটি গাছে ৩০ কেজিরও বেশি ওজনের কাঁদি ধরেছে। চারা রোপণের মাত্র সাত মাসের মাথায় মোচা আসতে শুরু করে এবং ৯ থেকে ১১ মাসের মধ্যে ফসল বিক্রির উপযোগী হয়। স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা পাওয়ায় তাঁর এই সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও জি-নাইন কলা চাষে এগিয়ে আসছেন।
স্থানীয় কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এই জাতের কলার আকার বড় ও শক্ত হওয়ায় পরিবহন ও সংরক্ষণে পচনের ঝুঁকি কম থাকে। প্রচলিত জাতের চেয়ে এতে প্রায় দ্বিগুণ লাভ করা সম্ভব।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. একরামুল হোসেন জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় জি-নাইন জাতটি এখন বাংলাদেশেও বাণিজ্যিক পরিচিতি পাচ্ছে। পাইকগাছার লোনা আবহাওয়াতেও টিস্যু কালচারের এই কলায় কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে আগ্রহী চাষিদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।