বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

গ্যাস সংকটে নাকাল রাজধানী, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
গ্যাস সংকটে নাকাল রাজধানী, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আংশিক এলএনজি সরবরাহ শুরু হলেও সামিটের টার্মিনালে গ্যাস প্রবাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সামগ্রিক সরবরাহ বাড়েনি। এর ফলে দেশের সিএনজি স্টেশনগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় সিএনজিতে গ্যাস না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালকরা।

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি, অফিস ও রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়ি এবং সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন এখন নিত্যদিনের চিত্র। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। বিশেষ করে অটোচালক এবং রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িচালকরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।

বেশিরভাগ সিএনজি স্টেশনে সকালে ১-২ ঘণ্টা স্বল্পচাপে কিছু গ্যাস মিললেও এরপর সন্ধ্যা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ থাকছে। পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় স্টেশনগুলোর বেচাকেনাও তলানিতে নেমেছে। অনেক স্টেশনে মাত্র একটি ডিসপেনসার থেকে ১-২ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে, যেখানে চালকরা বাধ্য হয়ে মাত্র ৫০ থেকে ১৫০ টাকার গ্যাস নিচ্ছেন।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ চলছে সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি মেরামতের পর ২৫০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করলেও, সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ সাড়ে ৫০০ মিলিয়ন থেকে কমে মাত্র ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। ফলে স্থানীয় গ্যাসসহ মোট সরবরাহ এখন ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে গেছে। সারা বছরই গ্যাসের কিছুটা ঘাটতি থাকলেও গত ২১ জুলাই থেকে এই সংকট চরমে রূপ নিয়েছে।

এদিকে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কমাতে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে শিল্প ও পরিবহন খাতসহ অন্যান্য খাতে গ্যাসের ঘাটতি আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ টাকার মাদক ও চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ছাব্বিশ লক্ষ টাকার মাদক ও চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: বুধবার ও বৃহস্পতিবার (১২ ও ১৩ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কালিয়ানী, কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোষ্ট এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ইয়াবা আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির ব্যাটালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বালুর মাঠ হতে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভারতীয় ইয়াবা আটক করে। কালিয়ানী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার পাকার মোড় হতে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

কুশখালী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাঘমারা হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আমবাগান হতে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, বাঁকাল চেকপোষ্ট এর আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঢালিপাড়া হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে খুলনার পাইকগাছায় পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে রোপন কর্মসূচি অব্যহত রয়েছে।

গাছ লাগাই-পরিবেশ বাঁচাই এই প্রতিপাদ্যে ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার বোয়ালিয়া ব্রিজ রোডের পাশে গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বন কর্মকর্তা প্রবির কুমার দত্ত, পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, আলম গাজী, কার্তিক বাছাড় প্রমুখ। সড়কের পাশে নিম, কদম, বাদাম, পেয়ারা ও হিজল গাছের চারা রোপন করা হয়।

উপজেলা বন কর্মকর্তা প্রবির কুমার দত্ত বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে, প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহার কমাতে হবে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সুন্দর রাখতে সচেতনতাই মূল চাবিকাঠি।

বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান বলেন, বৃক্ষ আমাদের ছায়া দেয়, ফল দেয়, কাঠ দেয়, আক্সিজেন দেয়, কার্বনডাই অক্সাইড শোষন করে, সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। পরিবেশবাদী সংগঠণ বনবিবির উদ্যোগে ভাদ্র মাস পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে বৃক্ষ রোপন ও বিতারণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

 

সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক পরামর্শ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক পরামর্শ সভা

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় কমিউনিটি পর্যায়ে যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগষ্ট ২০২৬) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে সিডো সংস্থার বাস্তবায়নে একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এফরটি প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় পর্যায়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। যুব, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, স্থানীয় সরকার এবং অন্যান্য অংশীজন এতে অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণমূলক পিআরএ পদ্ধতির মাধ্যমে কমিউনিটির সম্পদ, ঝুঁকি, সেবার ঘাটতি ও সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে মানবিক সহায়তা, উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জলবায়ু সহনশীলতাকে একত্রিত করে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর অ্যাডভোকেসি ও অংশীজন সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে।

উদ্দেশ্য সমূহ যুবদের নেতৃত্ব ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যাতে তারা নেক্সাস প্রোগ্রামের পদ্ধতি, নীতি ও পিআরএ অংশগ্রহণমূলক টুল ব্যবহার করে কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে যৌথভাবে স্থানীয় সমস্যা চিহ্নিত, বিশ্লেষণ এবং সমাধানভিত্তিক কমিউনিটি লিড নেক্সাস প্লান প্রণয়ন করতে পারে। এই পরিকল্পনা সাতক্ষীরায় চিহ্নিত পাঁচটি অগ্রাধিকারভিত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

কমিউনিটি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রদানকারী সংস্থা এবং সিভিল সোসাইটি সংগঠনের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব ও সমন্বয় জোরদার করা, যাতে স্থানীয় বাস্তবতা, জনগণের প্রয়োজন এবং প্রমাণভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়।

অ্যাডভোকেসি, সংলাপ ও অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা, যাতে কমিউনিটির অগ্রাধিকার, চাহিদা ও প্রস্তাবনাগুলো স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা, সেবা প্রদান এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রমে প্রতিফলিত হয়।