বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচন: চায়ের দোকান থেকে হাটে-বাজারে প্রার্থীর জল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচন: চায়ের দোকান থেকে হাটে-বাজারে প্রার্থীর জল্পনা

জিএম আমিনুল হক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা জেলায় রাজনৈতিক আমেজ ও উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। এখনো নির্বাচনের সময়সূচি (তফসিল) ঘোষণা না হলেও জেলার ৭টি উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার (সদস্য) প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, গণসংযোগ ও শোডাউনে সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা জনপদ।

গ্রামের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ইউনিয়নের হাট-বাজার, মসজিদের প্রাঙ্গণ কিংবা খেলার মাঠÑসর্বত্রই এখন আলোচনার মূল বিষয়: কে হচ্ছেন আগামী দিনের মেম্বার ও চেয়ারম্যান? স্থানীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও এই নির্বাচন ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী, ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর, বাঁশদহা, কুশখালী, লাবসা, আগরদাড়ী, ভোমরা ও আলীপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে একই উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। সকালে চায়ের কাপে আড্ডার পাশাপাশি কে কে নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

সদরের ফয়জুল্যাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান আক্ষেপ করে জানান, নির্বাচন এলে সাধারণ মানুষের গুরুত্ব বাড়ে। সবাই এসে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু ভোটের পর আর তাঁদের খোঁজ পাওয়া যায় না। বাঁশদহা বাজারের চা-দোকানি রফিকুল ইসলাম জানান, আগে সকালে মানুষ কৃষিকাজ বা ক্ষেত-খামারের গল্প করলেও এখন পুরো আলোচনাজুড়ে কেবল নির্বাচন, উন্নয়ন আর প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার বিষয়গুলোই স্থান পাচ্ছে।

ধুলিহরের প্রবীণ ভোটার আবুল হোসেন জানান, অতীতে রাস্তাঘাটের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেখে ভোট দিলেও এবার প্রধান বিবেচনা হবে জলাবদ্ধতা নিরসন। বিলের পানি আটকে ফসল নষ্ট হওয়ার সমস্যা যে সমাধান করতে পারবে, তাকেই ভোট দেবেন তারা।

এবারের নির্বাচনে নতুন সংযোজন তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। প্রবীণদের পাশাপাশি অনেক শিক্ষিত ও তরুণ মুখ এবার মাঠে নেমেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও এলাকার নানা সমস্যা তুলে ধরে মতামত প্রকাশ করছেন তাঁরা। শ্যামনগর এলাকার এক তরুণ প্রার্থীর সমর্থকেরা জানান, নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা যেন হয়রানিমুক্তভাবে পাওয়া যায়, তেমন এক ‘ডিজিটাল ইউনিয়ন’ গড়তে তরুণদের ওপর ভরসা রাখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে বর্তমান জনপ্রতিনিধিরাও বসে নেই। বিগত মেয়াদের উন্নয়নকাজের হিসাব তুলে ধরে এবং ভিজিডি ও ভিজিএফ সুবিধা বিতরণের তথ্য জানিয়ে নতুন করে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা।

সাতক্ষীরার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে প্রধান পাঁচটি দাবির কথা জানা গেছে। সেগুলো হলোÑ সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, পাটকেলঘাটা, তালা ও আশাশুনির বিল এলাকায় অপরিকল্পিত মৎস্যঘেরের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসন করা। বর্ষাকালে কাদা ও পানি থেকে মুক্তি পেতে গ্রামীণ কাঁচা সড়কগুলো পাকাকরণ ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ ও নাগরিক সনদ গ্রহণে অতিরিক্ত টাকা লেনদেন ও হয়রানি বন্ধ করা। সীমান্তঘেঁষা এলাকা হওয়ায় মাদক বিস্তার রোধসহ চুরি-ছিনতাই বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ। সার ও বীজের সুষ্ঠু বণ্টন এবং বয়স্ক ও বিধবা ভাতা প্রকৃত দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা।

ফিংড়ী ইউনিয়নের সালমা খাতুন নামের এক নারী ভোটার জানান, জনগণের দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকবে এবং সরকারি ভাতা বিতরণে দুর্নীতি করবে নাÑএমন জনপ্রতিনিধিকেই বেছে নিতে চান তাঁরা।

একই ইউনিয়নের সদস্য ও সাংবাদিক মো. আরশাদ আলী জানান, আগামী ডিসেম্বরে বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ পূর্ণ হতে যাচ্ছে। বিগত মেয়াদের পুরোটা সময় মানুষের সেবায় কাটানোর পর এবার তিনি আর নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রস্তুত করার কাজ চলছে। সময়সূচি ঘোষণা না হলেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জানান, উন্মুক্ত পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এবার প্রতিটি পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। এতে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে ভোটাররা বাড়তি সুযোগ পাবেন।

তফসিল ঘোষণার আগেই সাতক্ষীরার ৭৮টি ইউনিয়নে যে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে, তা কেবল ভোটের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মানুষের অধিকার ও স্থানীয় উন্নয়নের এক বড় ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে কার মুখে জয়ের হাসি ফোটে।

 

Ads small one

আইনমন্ত্রীর আশ্বাসের পর দ্রুত পদায়ন: প্রায় এক বছর পর বিচারক পেল সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
আইনমন্ত্রীর আশ্বাসের পর দ্রুত পদায়ন: প্রায় এক বছর পর বিচারক পেল সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল

কর্মজীবনের শুরুতেই সাতক্ষীরায় ছিলেন নবনিযুক্ত বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন
বদিউজ্জামান: দীর্ঘ প্রায় এক বছর বিচারকশূন্য থাকার পর অবশেষে বিচারক পেল সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনকে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর আইন ও বিচার বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের কথা জানানো হয়।

সাতক্ষীরার বিচারাঙ্গনের জন্য এ নিয়োগের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেনের বিচার বিভাগীয় কর্মজীবনের শুরুই হয়েছিল সাতক্ষীরা থেকে। ২০০৬ সালের ১৫ মার্চ সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তিনি সাতক্ষীরায় দায়িত্ব পালন করেন। পরের বছর ২৪ নভেম্বর ২০০৭ সালে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও সাতক্ষীরায় দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের শুরুর সেই সাতক্ষীরাতেই দীর্ঘ দুই দশক পর এবার তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ফিরছেন।

প্রায় এক বছর ধরে বিচারক না থাকায় সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। বর্তমানে এ আদালতে প্রায় পাঁচ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার পাশাপাশি আদালতটি শিশু আদালত ও মানব পাচারসংক্রান্ত মামলার দায়িত্বও পালন করে। বিচারক না থাকায় এসব মামলার কার্যক্রমেও দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়।

বিচারক নিয়োগের দাবিতে বিভিন্ন মহল থেকেও ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ৩০ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালসহ বিচারকশূন্য আদালতগুলোতে দ্রুত বিচারক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার নেটওয়ার্ক, সাতক্ষীরার উদ্যোগে এবং মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ওই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে বিচারক নিয়োগের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছেও লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। গত ২৩ আগস্ট করা ওই আবেদনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের দাবি জানানো হয়।

এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরা সফরে এসে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় সাতক্ষীরার বিচার বিভাগের বিভিন্ন সংকটের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিচারকশূন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। মতবিনিময় শেষে আইনমন্ত্রী সাতক্ষীরার বিচার বিভাগের সংকট নিরসনে কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

আইনমন্ত্রীর ওই আশ্বাসের মাত্র চার দিনের মধ্যেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আরো একজন বিচারক পদায়নের প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় সাতক্ষীরার বিচারাঙ্গনে স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিনের দাবির পর নতুন বিচারক নিয়োগ হওয়ায় এখন নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পথ সুগম হলো। তবে আরো নয়জন বিচারকের পথ শূন্য থাকায় অতি দ্রুত সেসব পদে বিচারক পদানের দাবি রয়েছে আইনজীবীদের।

নবনিযুক্ত বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন ১৫ মার্চ ২০০৬ সালে সহকারী জজ হিসেবে বিচার বিভাগীয় চাকরিতে যোগ দেন। এরপর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী জজ ও সিনিয়র সহকারী জজসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। সর্বশেষ তিনি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর ওই পদে দায়িত্ব পালনের তথ্যও সাম্প্রতিক সংবাদ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

দীর্ঘদিন পর সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ হওয়ায় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নবনিযুক্ত বিচারক দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম শুরু করলে প্রায় পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলার জট ধীরে ধীরে কমবে এবং দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা নারী, শিশু ও অন্যান্য বিচারপ্রার্থীরা বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো দেখবেন।

মধ্যম রমজাননগর প্রাইমারি স্কুলে ইউপি সদস্য আসমা সভাপতি নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
মধ্যম রমজাননগর প্রাইমারি স্কুলে ইউপি সদস্য আসমা সভাপতি নির্বাচিত

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ১৪৩ নম্বর মধ্যম রমজাননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে ইউপি সদস্য মোছা. আসমা খাতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে মোছা. আসমা খাতুন ও মোছা. ঝিলিক খাতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১২ জন ভোটারের মধ্যে ১১ জন উপস্থিত থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। গণনায় আসমা খাতুন ৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঝিলিক খাতুন পান ৫ ভোট। মাধ্যমিক শিক্ষক মান্নান হোসেনের সভাপতিত্বে নির্বাচন পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মান্নান হোসেন। এ সময় বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা সদস্য মনোদ্বীপ কুমার ম-ল, প্রধান শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র ম-ল, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তপন কুমার বর্মন, সমাজসেবক মো. মুকুল হোসেন, মো. আবদুল মজিদ, মো. ইয়াসিন হোসেন, বিদ্যুৎসাহী ও অভিভাবক সদস্য রমেশ সরকার, মনিরুল ইসলাম, জেসমিন নাহার, প্রেমদাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক মিলন হোসেন।

কলারোয়ায় শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আয়োজনে নবগঠিত এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও সুধী-অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক মো. ইসরাইল হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ও ঢাকা ফাইনা গ্রুপ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম (জয়তু)। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ১০ নম্বর কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাব, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মাস্টার মাহমুদুল হক ও মো. শামছুর রহমান খান এবং কুশোডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক কাজী রাশেদ জামিল মিলন। এ ছাড়া যুবনেতা ইমাম হোসেন খান, কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সজীব হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব কামরুজ্জামান লালটু, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা, বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন ও আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।