বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

জলবায়ু ঝুঁকি রোধে সাতক্ষীরায় ইয়ুথ কানেক্ট সামিট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
জলবায়ু ঝুঁকি রোধে সাতক্ষীরায় ইয়ুথ কানেক্ট সামিট

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরাম’-এর উদ্যোগে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইয়ুথ কানেক্ট সামিট-২০২৬।

সোমবার (৪ মে) সাতক্ষীরা শহরের লেক ভিউতে আয়োজিত এ সামিটে তরুণদের নেতৃত্বে জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এর আগে, ২০২৪ সালের ৬ জুলাই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন ও এর সহযোগী সংগঠন উত্তরণ ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠনের সদস্যদের একই নেটওয়ার্কের অধীনে একত্রিত করে ‘ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরাম’ গঠন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উত্তরণের হেড অব প্রোগ্রাম জাহিদ আমিন শাশ্বত। সামিটে সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রজেক্ট ম্যানেজার নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে সুপেয় পানির অভাব এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে। পানির কারণে নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে এ বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের কার্যক্রম সফল হোক, সেটিই প্রত্যাশা।

ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের মো. হোসেন আলী ও করিমন নেছা শান্তার সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপপরিচালক সঞ্জীত কুমার দাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার এবং সাতক্ষীরা পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরণের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, সেভ দ্য চিলড্রেনের এমএম মামসাদ, মোস্তফা রাহাত ও মো. গিয়াস উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরাম নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক কাজ করছে। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং নিরাপদ পানি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সহজ হবে।

তারা আরও বলেন, তরুণদের এই সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং এর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। এ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সরকারি পর্যায় থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে বলেও আশ্বাস দেন বক্তারা।

ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বলেন, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তরুণরা জ্ঞান বিনিময়, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজনকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাসে এই ফোরাম আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।