বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

জাল নোট ঠেকাতে ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
জাল নোট ঠেকাতে ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাব-৬। এরই অংশ হিসেবে হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ ও নিরাপদ অর্থ লেনদেন নিশ্চিত করতে আধুনিক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে সাতক্ষীরা সদরের ঐতিহ্যবাহী ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা এই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা এই বুথে এসে বিনামূল্যে সন্দেহজনক নোটের সত্যতা যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছেন।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার জায়েণ উদ্দিন মুহাম্মদ যিয়াদ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে জাল নোট চক্রের তৎপরতা বাড়ে। সাধারণ মানুষ যাতে প্রতারিত না হন, সেজন্য আমরা এই বিশেষ বুথ স্থাপন করেছি। এছাড়া হাটে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, অজ্ঞানপার্টি বা অপরাধমূলক কর্মকা- বরদাশত করা হবে না। মানুষ যাতে নিরাপদে কেনাবেচা করতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

র‌্যাবের পক্ষ থেকে হাট এলাকায় একটি ‘র‌্যাব সাপোর্ট সেন্টার’ খোলার পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। হাটে আসা একাধিক ব্যবসায়ী ও ক্রেতা জানান, জাল নোট পরীক্ষার এই উদ্যোগের ফলে তারা নির্বিঘেœ ও দুশ্চিন্তামুক্তভাবে বড় অঙ্কের লেনদেন করতে পারছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, হাটটিতে পশুর সমাগম ও বেচাকেনা ততই জমজমাট হয়ে উঠছে।

Ads small one

বসুন্ধরা মার্কেট মালিকদের ক্ষতিপূরণ স্থগিতে হাইকোর্টে রিট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
বসুন্ধরা মার্কেট মালিকদের ক্ষতিপূরণ স্থগিতে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের বসুন্ধরা মার্কেট মালিকদের নামে জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। দক্ষিণ পলাশপোলের বাসিন্দা মো. আলিফ হোসেনের পক্ষে আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম এ রিট (পিটিশন নম্বর-১২৭৭৮/২০২৬) দায়ের করেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট একই বিষয়ে আলিফ হোসেনসহ ১২ জন বাদী হয়ে মার্কেট মালিকপক্ষের এমদাদুল হকসহ ২১ জনকে বিবাদী করে সাতক্ষীরার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা (নম্বর-১৮০/২০২৬) করেন।

নথি সূত্রে জানা গেছে, ‘সাতক্ষীরা-সখিপুর-কালিগঞ্জ এবং কালিগঞ্জ-শ্যামনগর-ভেটখালী মহাসড়ক সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় পলাশপোল মৌজার বিআরএস ১৭০২৮ দাগের জমি অধিগ্রহণ করা হয় (এলএ কেস নম্বর-০৬/২০২৪-২৫)। এতে অধিগ্রহণকৃত ০.০৫৯০ একর জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ কোটি ২৪ লাখ ৬৬৬ টাকা এবং অবকাঠামো বাবদ ১২ কোটি ২৩ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, অধিগ্রহণ করা জমির মধ্যে তাঁদের ০.০৩৮৬ একর জমি রয়েছে। বিবাদীপক্ষ জমির ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হলেও সেখানে থাকা তাঁদের তিনটি পাকা দোকানঘর ও অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণের টাকা ভাগ করে দিতে চাচ্ছে না।

রিটকারী আলিফ হোসেন বলেন, বসুন্ধরা মার্কেট ভবন নির্মাণে নকশা ও বিল্ডিং কোড লঙ্ঘন করা হয়েছে। পৌরসভার মাপেও বিষয়টি প্রমাণিত হলেও নকশা বাতিল বা মামলা করা হয়নি। তা ছাড়া তাঁদের এজমালি জমি একতরফা দখল দেখিয়ে বিবাদীপক্ষ পুরো ক্ষতিপূরণ তোলার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে বিবাদী দিদারুল হক বলেন, ১৭০২৮ দাগে মোট ০.৩৭৫০ একর জমি তাঁদের আট শরিকের মধ্যে সমভাবে বন্টিত। সবাই নিজ নিজ অংশে দখলদার হয়ে দোকানপাট করেছেন। সরকারি মূল্যায়নে সবার ক্ষতিপূরণ আলাদা করা আছে। কিন্তু যৌথ নোটিশ হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

রিটকারীর আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম জানান, মক্কেলদের জমির ক্ষতিপূরণ বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক নেওয়ার চেষ্টা করায় তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। আদালত যে রায় দেবেন, তা মেনে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী হায়দার জানান, তিনি নতুন যোগ দেওয়ায় বিষয়টি বিস্তারিত জেনে মন্তব্য করবেন।

সৌরবিদ্যুৎ প্লান্ট থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
সৌরবিদ্যুৎ প্লান্ট থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: মন্ত্রী

পত্রদূত ডেস্ক: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ প্লান্ট থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ জন্য দেশের অনাবাদি ও পতিত জমি কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুৎ ও সোলার প্যানেল ব্যবহারের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বুধবার খুলনার শিরোমণিতে বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেডে নির্মিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সোলার প্লান্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সাধারণ নাগরিকেরা সৌরবিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপন করলে সরকার তাঁদের প্রণোদনা হিসেবে মাত্র এক শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। এর পাশাপাশি উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনে নেবে। এ উদ্যোগের সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শিল্পনগরী খুলনার সরকারি ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্যাবল শিল্প লিমিটেড সুনামের সঙ্গে চলছে। তাদের নিজস্ব সোলার প্লান্টটি বিদ্যুৎ খাতে বড় অবদান রাখবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম।

 

অনুষ্ঠানে ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. এনামুল হক, সিবিএর সভাপতি মো. শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

 

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পান-সুপারি বন্ধে অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পান-সুপারি বন্ধে অভিযান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পান-সুপারি সেবন ও ব্যবহারে সচেতনতামূলক অভিযান চালানো হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের কাছে থাকা পান-সুপারি জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে পানের পিক ফেলে ও ময়লা-আবর্জনা দিয়ে হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা না করতে রোগী ও তাঁদের দর্শনার্থীদের সচেতন করা হয়।

এ ছাড়া নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি বিভাগ, পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ, শিশু ওয়ার্ড এবং ডেলিভারি ওয়ার্ডে গিয়ে ভর্তি রোগীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি রোগীদের নানা সমস্যার কথা শোনেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

 

অভিযানকালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাকিলা আফরোজ, নার্সিং সুপারভাইজার হামিদা খাতুনসহ ওয়ার্ডে দায়িত্বরত জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।