বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস: নীরবতা ভেঙে সহমর্মিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস: নীরবতা ভেঙে সহমর্মিতা

সাকিবুর রহমান বাবলা

আত্মহত্যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ। প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক আত্মহত্যা প্রতিরোধ সংস্থা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো আত্মহত্যা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার দূর করা এবং এই বার্তা পৌঁছে দেয়া যে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২০২৪-২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আত্মহত্যা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার পরিবর্তন’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭ লাখ ২৭ হাজার মানুষ আত্মহত্যার মাধ্যমে প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ ছিল আত্মহত্যা। জনসংখ্যার অনুপাতে আত্মহত্যার হার সবচেয়ে বেশি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে প্রতি লাখে প্রায় ৭৫ জন। তবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশগুলোর মধ্যে এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে লেসোথো, সুরিনাম প্রতি লাখে ২৮ জন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রতি লাখে ২৮ জন এবং গায়ানা প্রতি লাখে ২৫ জন। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বিশ্বের মোট আত্মহত্যার প্রায় ৭৩ শতাংশই ঘটে নি¤œ ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই সংকটকে আরও বেশি ঘনীভূত ও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে আত্মহত্যার প্রবণতা একেবারে শূন্য এমন কোনো দেশ না থাকলেও বার্বাডোস ও অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডার মতো ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোতে এই হার সবচেয়ে কম, প্রতি লাখে ১ জনেরও কম। মূলত জোরালো ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক বন্ধন এই হার কম রাখতে সাহায্য করে, যদিও সামাজিক কুসংস্কার বা আইনি জটিলতার কারণে অনেক দেশের প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

আত্মহত্যা কেবল মানসিক রোগের ফল নয়; এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত নানা কারণের সম্মিলিত প্রভাব। বিষণ্নতা, মানসিক চাপ, সম্পর্কের টানাপোড়েন, আর্থিক সংকট, দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, সহিংসতা, বৈষম্য, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং হঠাৎ সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতি অনেক মানুষকে আত্মঘাতী আচরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, অনেক আত্মহত্যা তাৎক্ষণিক আবেগ ও সংকটময় মুহূর্তের ফল, যখন ব্যক্তি জীবনের চাপ মোকাবিলার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় আত্মহত্যার হার হ্রাসকে মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘কমপ্রিহেনসিভ মেন্টাল হেলথ অ্যাকশন প্ল্যান ২০১৩–২০৩০’ এবং ‘লাইভ লাইফ’ উদ্যোগ আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমন্বিত ও প্রমাণভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। তাদের কৌশলে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়Ñআত্মহত্যার উপায়ের সহজলভ্যতা সীমিত করা, দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চা নিশ্চিত করা, তরুণদের জীবনদক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে সহায়তা প্রদান করা। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, বহুখাতভিত্তিক সহযোগিতা, গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নকে আত্মহত্যা প্রতিরোধের মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে ১৩,৪৯১ জন মানুষ আত্মহত্যা করেছেন, যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪১ জন। এ তথ্য আত্মহত্যা বিষয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয়। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে অজ্ঞতা, সামাজিক কুসংস্কার, পারিবারিক বিরোধ, শিক্ষাগত চাপ, বেকারত্ব, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পরীক্ষা ও প্রেমে ব্যর্থতা, অপরাধী মন এবং সহজলভ্য ক্ষতিকর উপকরণ আত্মহত্যার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে মানসিক চাপ, বুলিং, সাইবার ও যৌন হয়রানি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ২০২৬ সালের মে থেকে জুলাইÑমাত্র তিন মাসে ৬৫ জনের আত্মহত্যা অন্যান্য অপমৃত্যু ছাড়া এক বড় আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানের দেখা যায়, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অভাব, পারিবারিক অশান্তি ও চাহিদা পূরণে ব্যর্থ, বাল্যবিবাহ, সামাজিক অপমান, বুলিং, পরীক্ষা ও প্রেমে ব্যর্থতা, জুয়ায় অর্থ হারানো ও কীটনাশকের সহজলভ্যতার পাশাপাশি জলবায়ু সংকট এর মূল কারণ। বিশেষ করে বারবার ঘূর্ণিঝড়, নদীর বাঁধ ভাঙ্গন, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং কৃষি বা অন্য খাতে ক্ষতির ফলে সৃষ্ট ঋণের চাপ উপকূলীয় পরিবারগুলোকে দীর্ঘস্থায়ী হতাশায় ফেলছে, যেখানে অর্থনৈতিক দুর্দশা ও মানসিক স্বাস্থ্য সংকট একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধে কেবল বর্তমান উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; শিক্ষা, পরিবার, স্থানীয় সরকার, গণমাধ্যম, আইন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলিং সেবা চালু করা, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান, বুলিং ও সাইবার হয়রানি প্রতিরোধ এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি। বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট সেবা দেওয়ার পাশাপাশি ‘কান পেতে রই’-এর মতো বেসরকারি সংগঠনগুলো মানসিক সহায়তায় কাজ করছে। এ ছাড়া যেকোনো সংকটে জাতীয় হেল্পলাইন ৯৯৯, নারী ও শিশু সহায়তায় ১০৯ এবং শিশু সুরক্ষায় ১০৯৮ নম্বর যুক্ত রয়েছে।

পৃথিবীর প্রধান ধর্মসমূহ এবং বিশিষ্ট দার্শনিক চিন্তাধারা একযোগে জীবনকে পরম পবিত্র, উদ্দেশ্যপূর্ণ ও অমূল্য আমানত হিসেবে তুলে ধরে আত্মহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আত্মহনন হলো ঐশ্বরিক নিয়ম, কর্মফল ও আমানতের চরম লঙ্ঘন; অন্যদিকে দার্শনিক বিচারে এটি নৈতিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি অন্যায় এবং জীবনের বাস্তবতার সামনে এক ধরনের আত্মসমর্পণ। সব মতবাদই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে ধৈর্য, সাহসিকতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে জীবনের সংকট মোকাবিলা করে জীবনকে রক্ষা করাকেই মানব অস্তিত্বের মূল সার্থকতা ও পরম কর্তব্য বলে সাব্যস্ত করে।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আত্মহত্যা কোনো ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়; এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা, যার সমাধানও হতে হবে সমন্বিত ও মানবিক। সহমর্মিতা, সচেতনতা, প্রমাণভিত্তিক নীতি এবং সময়োপযোগী সহায়তার মাধ্যমে অসংখ্য জীবন রক্ষা করা সম্ভব। তাই আসুন, নীরবতা ভেঙে সংলাপ শুরু করি, মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিই এবং এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি যেখানে সংকটের মুহূর্তে প্রত্যেক মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা ও আশার আলো খুঁজে পায়।

Ads small one

বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানের দ্রুত সুস্থতা কামনা সাংবাদিক ক্লাবের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানের দ্রুত সুস্থতা কামনা সাংবাদিক ক্লাবের

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য মো. তারিকুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি ঢাকার একটি হাসপাতালে তাঁর হৃদযন্ত্রে সফলভাবে রিং (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে নিজ বাড়িতে ফিরে বিশ্রামে রয়েছেন।

তারিকুল হাসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এ সময় সাংবাদিক ক্লাবের প্রতিনিধিরা তাঁর চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম মহিদার রহমান, সহসভাপতি জিএম সোহরাব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর আবু বকর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী মিটন, অর্থ সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. হাফিজ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মাসুদ আলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আবুল হোসেন ও কার্যকরী সদস্য মো. জাকিরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

সাংবাদিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দ মো. তারিকুল হাসানের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য এবং সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় র‌্যালি ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় র‌্যালি ও সমাবেশ

oplus_0

সংবাদদাতা: জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এ সভার আয়োজন করে জেলা মহিলা দল।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফরিদা আক্তার বিউটির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, সদস্য মাসুম বিল্লাহ শাহীন ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক অর্ঘ্য।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়কের স্ত্রী সেতারা নাসরিন নিশি, মহিলা দলের জেলা কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নাসিমা খাতুন, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা খাতুন, সদর থানা সভাপতি আঞ্জুয়ারা বেগম, পৌর সভাপতি উম্মে কুলসুম, সদস্য মনোয়ারা খাতুন, সামসুন্নাহার ময়না, শ্যামনগর উপজেলা সভাপতি ঝর্ণা, সাধারণ সম্পাদক শাহীনা আক্তার, তালা উপজেলা সভাপতি মিনি খাতুন, আশাশুনি উপজেলা সভাপতি কামরুন নাহার, সাধারণ সম্পাদক আইরিন এবং দেবহাটা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খাতুনসহ নেতা-কর্মীরা।

 

আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের নিউমার্কেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

কেঁড়াগাছিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বাগতিকদের জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
কেঁড়াগাছিতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বাগতিকদের জয়

কেঁড়াগাছি (কলারোয়া) প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আকর্ষণীয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচে সুলতানপুর একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে স্বাগতিক কেঁড়াগাছি।

গত বুধবার বিকেলে স্থানীয় হাইস্কুল ফুটবল মাঠে ‘সোনা মাটি যুব সংঘ’ এ ম্যাচের আয়োজন করে। খেলার প্রথমার্ধে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও কোনো দলই গোল করতে পারেনি।

বিরতির পর খেলার ১১ মিনিটে কেঁড়াগাছির ৯ নম্বর জার্সির খেলোয়াড় রিপন গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ১৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সজিব। ২১ মিনিটে সুলতানপুরের ইসরাফিল একটি গোল শোধ করলেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কেঁড়াগাছি।

 

ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন আবু হাসান। শরতের বিকেলে প্রচুর দর্শক খেলাটি উপভোগ করেন।