সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু, উপকারভোগী হবেন ৪০ লাখ নারী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু, উপকারভোগী হবেন ৪০ লাখ নারী

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ডেটাবেইস তৈরি করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Oplus_131072

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় পিএমটি (প্রক্সি মিন্স টেস্ট) স্কোরের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। তথ্য সংগ্রহের জন্য দেশব্যাপী ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইসে যুক্ত করবেন। ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি সংবলিত এই কার্ডের মাধ্যমে কার্ডধারীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।

 


জেলা সদর ছাড়াও সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ঘিরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা: তালা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ হাজিরা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, কামরুল ইসলাম লাল্টু, সমাজসেবা কার্যালয়ের তৌফিক ইমরান, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দার ফারুক হোসেন, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মারুফ উল ইসলাম ও সাংবাদিক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আশাশুনি: আশাশুনিতে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। তিনি জানান, আশাশুনি উপজেলার মোট ৭৬ হাজার ৮৯২টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কাজে ১১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন। ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্তিতে কোনো অনৈতিক লেনদেন বা প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, কমপক্ষে পাঁচটি ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারকে কার্ড দেওয়া হবে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স. ম. হেদায়েতুল ইসলাম, সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিন, জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল আবছার মুর্তজা, জেলা ও স্থানীয় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ১১ জন সুপারভাইজারের হাতে তথ্য সংগ্রহের ট্যাব তুলে দেওয়া হয়।

 


কলারোয়া: কলারোয়া উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঠিক ডেটাবেইস তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরেন। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে আলম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন। এতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

oplus_0

দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহার সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস, সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, হাজী কেয়ামুদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার সাথে তথ্য সংগ্রহের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত: প্রয়োজন সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগ

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণ ও প্রাণহানির হার প্রতিদিন বাড়ছে। সীমান্তঘেঁষা জেলা সাতক্ষীরাতেও প্রতিদিন নতুন করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ২৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ কাজের বা পড়াশোনার জন্য পার্শ্ববর্তী জেলা খুলনায় অবস্থান করছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে সাতক্ষীরায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে গেছে। সারাদেশে মৃত্যু প্রায় তিন শতাধিক এবং আক্রান্ত লাখ ছুঁইছুঁইÑযা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিগত বছরগুলোর চরম ব্যর্থতা ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সংকটের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপমাত্রার তারতম্য, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এডিস মশার বংশবৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। বর্তমানে এডিস মশার বিস্তার কেবল রাজধানী বা বিভাগীয় শহরে সীমাবদ্ধ নেই; গ্রাম ও মফস্বলেও তা ছড়িয়ে পড়েছে। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালে শয্যা, প্রয়োজনীয় কিট ও ওষুধের সংকট এই মুহূর্তে না থাকলেও মূল সমস্যা রয়ে গেছে প্রতিরোধের জায়গায়। কেবল আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেই এ মহামারির মতো সংকট নিরসন সম্ভব নয়; প্রয়োজন এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র নির্মূল করা।

প্রতি বছর ডেঙ্গুর মওসুমে রুটিনমাফিক কিছু স্প্রে ও মৌখিক প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেখা গেলেও দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশলের ঘাটতি সুস্পষ্ট। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রথমত স্থানীয় প্রশাসন ও কৌরসভাগুলোকে ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে কার্যকর মশক নিধন অভিযান চালাতে হবে। ব্যবহৃত কীটনাশকের মান, কার্যকারিতা ও সঠিক মাত্রা নিয়মিত মনিটর করা জরুরি, যাতে নি¤œমানের কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ও শ্রমের অপচয় না ঘটে।

দ্বিতীয়ত, ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশা স্বচ্ছ জমাটবদ্ধ পানিতে বংশবৃদ্ধি করে এবং মূলত দিনের বেলায় কামড়ায়। ফলে নিজ নিজ ঘরবাড়ি, আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কেবল একটি মওসুমি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি স্থায়ী জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। সময় এসেছে প্রথাগত মশক নিধন কার্যক্রমের বাইরে এসে বছরব্যাপী গবেষণা, মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যকর প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণাকে সমন্বিত করার। সাতক্ষীরাসহ সারা দেশকে এডিস মুক্ত রাখতে এখনই সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; নতুবা ডেঙ্গুর এই রূপ আরও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় কাওনডাঙ্গা বাজারে রমজান আলীর মতবিনিময়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কাওনডাঙ্গা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী। সোমবার কাওনডাঙ্গা বাজারে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার লক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করার লক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির প্রস্তুতি সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি ও মন্দির কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় রয়েল কনভেনশন হলে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আয়োজনে এই প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাতক্ষীরা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি আইনজীবী সোমনাথ ব্যানার্জি, নারকেলতলা মন্দির কমিটির সভাপতি গৌর পাল, বিএনপিসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দির ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘœভাবে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।