সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‎সুন্দরবনে জলদস্যুর আতঙ্ক: নিরাপত্তাহীনতায় জেলে-বাওয়ালিরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
‎সুন্দরবনে জলদস্যুর আতঙ্ক: নিরাপত্তাহীনতায় জেলে-বাওয়ালিরা

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎সুন্দরবন শুধু বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন নয়, সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদের হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকারও অন্যতম অবলম্বন। কিন্তু সেই সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে জলদস্যুদের তৎপরতা, জেলেদের অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মাছ, কাঁকড়া ও মধু সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করা বনজীবীদের কাছে এখন বনে যাওয়ার অর্থ শুধু পরিশ্রম ও অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তার ঝুঁকি।

‎সস্থানীয় দের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায় ৬ মে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন নদী ও খাল থেকে মুক্তিপণের দাবিতে ২২ জেলেকে অপহরণ করা হয় । চুনকুড়ি, মালঞ্চ নদীর আগা, চালতেবেড়ে, মাইটভাঙা ও পশুরতলা খাল এলাকায় এসব অপহরণের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়দের দাবি। ১ জুন ৬ জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করেন। এছাড়াও স্থানীয়রা বলেন অনেক কথা আমাদেরকে গোপন রাখতে হয় গোপন না রাখলে পরবর্তীতে আমাদেরকে এর খেসারত দিতে হয় এইজন্য সব কথা আমরা সাংবাদিকদের সাথে বলতে আগ্রহী নয়। এসব ঘটনা সুন্দরবনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

 

জেলে বাওয়ালিরা বলেন মাছ ধরার সরঞ্জাম, নৌকা, জ্বালানি, খাবার ও বনের পাসসহ বিভিন্ন খাতে আমাদের আগে থেকেই অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়। এর মধ্যে দস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার আশঙ্কা যুক্ত হলে আমাদের আর্থিক ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ঋণ করে বনে যাওয়া কোনো জেলে অপহৃত হলে তাঁর পরিবারকে একদিকে উপার্জন বন্ধ হওয়ার চাপ, অন্যদিকে স্বজনকে মুক্ত করার দুশ্চিন্তা সামলাতে হয়।

‎মধু সংগ্রহকারী বাওয়ালি, কাঁকড়া শিকারি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জীবনেও এই আতঙ্কের প্রভাব পড়ে। নিরাপত্তার অভাবে বনে যাওয়া কমে গেলে আয় কমে যায়, আবার জীবিকার তাগিদে বনে না গেলেও সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে সুন্দরবনের নিরাপত্তা সংকট শেষ পর্যন্ত উপকূলের দরিদ্র মানুষের খাদ্য, ঋণ ও পারিবারিক জীবনের সংকটে রূপ পড়ছে।

‎জেলে বাওয়ালিদের বাদি গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা। একই সঙ্গে বনজীবীদের কাছ থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং বিপদে পড়লে দ্রুত যোগাযোগের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নিশ্চিত করা। মুক্তিপণ আদায়ের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক, অপরাধীদের আশ্রয়দাতা এবং সহযোগীদের শনাক্ত করাও দস্যুতা নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা।
‎কোনো জেলে বা বনজীবী অপহৃত হলে তাঁর পরিবার যাতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়, সে জন্য নির্দিষ্ট যোগাযোগকেন্দ্র ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া।
‎আত্মসমর্পণ হচ্ছে, তবু কেন ফিরছে না আতঙ্ক?

‎সুন্দরবনে জলদস্যুতা দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও আত্মসমর্পণের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। ৩১ আগস্ট ৪টি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ৯ অক্টোবর আলিফ বাহিনীর আবদুল্লাহ ও মজিদ গ্রুপের আরও ১৫ সদস্য সুন্দরবন রিজিয়নাল বোটের (এসআরবি-৬) কাছে আত্মসমর্পণ করেন। কিছু গ্রুপ বা জলদস্য আত্মসমর্পণ করলেও থামছে না জেলে বাওয়ালিদের আতঙ্ক, প্রয়োজনে প্রশাসনকে

‎ব্যবস্থা নিতে হবে। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ নদীপথ, খাল ও দুর্গম বনাঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এ ক্ষেত্রে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে। তবে পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অপহরণের অভিযোগ দ্রুত তদন্তের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

 

জেলেদের নৌযান চলাচল, বনে প্রবেশ ও মাছ-কাঁকড়া আহরণের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে বনজীবীদের কাছ থেকে গোপনীয়তা রক্ষা করে তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং বিপদে পড়লে দ্রুত যোগাযোগের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নিশ্চিত করতে হবে। মুক্তিপণ আদায়ের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক, অপরাধীদের আশ্রয়দাতা এবং সহযোগীদের শনাক্ত করা ও দস্যুতা নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো জেলে বা বনজীবী অপহৃত হলে তাঁর পরিবার যাতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়, সে জন্য নির্দিষ্ট যোগাযোগকেন্দ্র ও দ্রুত সাড়াদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

 

পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বশেষ কথা: সুন্দরবন রক্ষায় জেলে-বাওয়ালিদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে। বন বিভাগের বৈধ পাস ও অনুমতি ছাড়া বনে প্রবেশ করা যাবে না। নির্ধারিত এলাকার বাইরে মাছ ধরা, নিষিদ্ধ সময়ে বনে নামা কিংবা মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করা যাবে না। কোনো বন্যপ্রাণী শিকার বা হত্যা করা যাবে না। দস্যুদের তৎপরতা বা অবৈধ শিকার চোখে পড়লে বন বিভাগকে জানাতে হবে।

লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, সমাজকর্মী ও উদ্যোক্তা।

 

Ads small one

কলারোয়ায় সার ও কীটনাশক প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সার ও কীটনাশক প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় আবাসিক এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক পরিবেশে সার ও কীটনাশক প্রক্রিয়াজাত করার দায়ে মেসার্স এডি সুপার ক্রপের স্বত্বাধিকারী সুমন হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দামোদরকাটি গ্রামে তাঁর নিজস্ব বাড়িতে এসআরবির সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আবাসিক এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও বিপজ্জনক পরিবেশে সার ও কীটনাশক প্রক্রিয়াজাত করার বিষয়টি উঠে আসে। এই অপরাধে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১৩(১) এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী সুমন হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে আবাসিক এলাকা থেকে কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কলারোয়া উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সৌরভ দেবনাথ, ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেন হোসেন, লাঙ্গলঝাড়া ইউপি প্রশাসক আবু মুসা এবং এসআরবি সাতক্ষীরার প্রতিনিধিরা। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

দুর্গাপূজাকে ঘিরে সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট: ১১ দিনে আটক ১৪৮ যানবাহন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজাকে ঘিরে সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট: ১১ দিনে আটক ১৪৮ যানবাহন

পত্রদূত রিপোর্ট: শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। শহরের খুলনা রোড মোড়, বিনেরপোতা, মেডিকেল কলেজ এলাকা ও বাইপাস সড়কসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে দিনরাত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশের দাবি, এসব অভিযানে গত ১ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ১৪৮টি যানবাহন আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া চোর ও চোরাকারবারির অভিযোগে ২০ জন এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে এমন অভিযোগে ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের দায়িত্ব পালনের নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী দিনরাত অভিযান চালানো হচ্ছে। অপরাধীরা কৌশল পরিবর্তন করলে পুলিশকেও পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করতে হয়। অপরাধ দমনে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন চেকপোস্টে মোট ২ হাজার ২টি যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৮টি যানবাহন আটক করা হয়। আটক যানবাহনের মধ্যে ১২২টির বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে; বাকি ২৬টি এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে মোটরযান আইনে মামলা দিয়ে ৬ লাখ ৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রসিকিউশন দাখিল করা মামলায় আরও ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, চেকপোস্টের কার্যক্রম শুধু যানবাহন তল্লাশির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, চুরি, চোরাচালান ও সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এসব অভিযানে ২০ জন চোর ও চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত, এমন ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রকাশিত ১ থেকে ১১ অক্টোবরের বিশেষ অভিযানের তথ্যেও যানবাহন তল্লাশি, আটক, মামলা ও জরিমানার হিসাব উল্লেখ রয়েছে। একই সময়ে জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকসংক্রান্ত মামলাও হয়েছে। পুলিশের তথ্যমতে, এ সময়ে মাদকসংক্রান্ত ২৭টি মামলায় ২৮ জন মাদক ব্যবসায়ী বা সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা, গাঁজা ও উটন কোরেক্স সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধারের তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান চালানো হবে। পূজাকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলার সার্বিক জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টায় দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোখলেসুর রহমান মুকুল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা। দেবহাটা ঠিকাদার সমিতির নেতা আর কে বাপ্পার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী দ্যূতি দীপ্ত, সাতক্ষীরা জেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সবুর, কার্যনির্বাহী সভাপতি ইকবাল জমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বাবু, দপ্তর সম্পাদক মোস্তফা হায়দার সানি, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন তপু, দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নেতা আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেনসহ অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ঠিকাদাররা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান বজায় রাখা, নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা এবং ঠিকাদারদের বিভিন্ন সমস্যা ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত প্রীতিভোজ ও সম্মিলনীতে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন ঠিকাদার অংশগ্রহণ করেন।