সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মুক্তমত/ সাম্প্রতিক দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
মুক্তমত/ সাম্প্রতিক দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

আজহারুল ইসলাম সাদী

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আগের বছরের তুলনায় কিছুটা দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকার, তবে সাধারণ মানুষ ও বিশ্লেষকদের মধ্যে এখনো উদ্বেগ রয়েছে।

সরকারি তথ্য ও চিত্র অনুযায়ীÑ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ২,৬০৭টি খুনের ঘটনা ঘটলেও, ২০২৬ সালের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২,৩৩২টিতে। এ সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা ১১,২৬৯টি থেকে কমে ৯,৩৪৫টিতে এসেছে। ধর্ষণ মামলা ৪,৬৬৬টি থেকে কমে ৪,৪৭২টিতে দাঁড়িয়েছে। দলবদ্ধ সহিংসতার ঘটনা ৮৯টি থেকে কমে ৫৬টিতে নেমে এসেছে। লুট হওয়া অস্ত্রসহ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি, পুলিশের ওপর হামলা এবং রাজনৈতিক চাপে পুলিশ বাহিনী এখনো সম্পূর্ণভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং মব জাস্টিস বা দলবদ্ধ হামলা পুরোপুরি থামেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে কর্মসূচি পালন করছে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নত করতে এবং মাঠপর্যায়ে আস্থা ফেরাতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ দিকনির্দেশনা ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা ‘নিয়ন্ত্রণে আছে, অবনতি হয়নি’ বলা হলেও এখনো উদ্বেগ কেন?

ছিনতাই, চাঁদাবাজির খবর প্রায় প্রতিদিনই অনলাইনসহ পত্রিকার পাতায় উঠে আসে। দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটি। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সার্বিক পরিস্থিতি আরো উন্নত করতে এরকম বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটি।
বর্তমান সময়ে সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কর্মকা-, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং আলোচিত কিছু মামলা নিয়ে জনমনে আলোচনা রয়েছে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরায় জেলা জজ আদালতে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মাদক ও দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরায় মারামারি ঠেকাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে জাকারিয়া খান নামের এক কলেজছাত্র নিহত হন। এ ঘটনায় প্রধান আসামি নাহিদসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকা-টি জেলায় কিশোর গ্যাং ও স্থানীয় সহিংসতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন এবং গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ঢাকা আদালতে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। এছাড়া জুলাই ২০২৬-এ সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন সমাজের মধ্যে তীব্র দ্বিমত ও সচেতন মহলের সমালোচনা বিদ্যমান। একদিকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ বিভিন্ন সমন্বয় সভার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি করছে, অন্যদিকে সচেতন নাগরিক সমাজ অপরাধের ধরন পরিবর্তন, মাদক ও সড়ক-মহাসড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

এই দুই পক্ষের অবস্থান এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।
১. সচেতন সমাজের প্রধান সমালোচনা ও উদ্বেগ: সাতক্ষীরার সুশীল সমাজ, সাংবাদিক এবং সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে: স্থানীয় সচেতন মহলের বড় অভিযোগ হলো সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন বা প্রভাবশালীদের নামে অবাধে চাঁদাবাজি চলছে। এটি সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তি তৈরি করছে।

সীমান্ত জেলা হওয়ায় সাতক্ষীরায় মাদক চোরাচালান ও স্থানীয় পর্যায়ে যুবসমাজের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে সচেতন সমাজ ক্রমাগত সমালোচনা করে আসছে। তারা মনে করেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ এখনো শতভাগ কার্যকর নয়।

সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র: সাম্প্রতিক সময়ে চুরি, ছিনতাই এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের অপতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে নাগরিক সমাজ অভিযোগ তুলছে। শহরের অভ্যন্তরে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল এবং অনিয়ন্ত্রিত ইজিবাইক চলাচলের কারণে সৃষ্ট তীব্র যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সচেতন সমাজ সমালোচনা মুখর।

২. প্রশাসনের বক্তব্য ও গৃহীত পদক্ষেপ: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন সচেতন সমাজের এই সমালোচনা ও দাবিগুলোকে আমলে নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানাচ্ছে।

মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা: জেলার আইন প্রণেতা (এমপি), পুলিশ সুপার এবং সিভিল সার্জনদের উপস্থিতিতে নিয়মিত সমন্বয় সভা করা হচ্ছে। এসব সভায় সড়ক-মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাত্রিকালীন বিশেষ মহড়া এবং মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। লেকভিউ রিসোর্ট এলাকা সহ বিভিন্ন স্পট থেকে চিহ্নিত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে বলে জেলা পুলিশ দাবি করছে। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির আয়োজনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টায় দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোখলেসুর রহমান মুকুল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা। দেবহাটা ঠিকাদার সমিতির নেতা আর কে বাপ্পার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী দ্যূতি দীপ্ত, সাতক্ষীরা জেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সবুর, কার্যনির্বাহী সভাপতি ইকবাল জমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বাবু, দপ্তর সম্পাদক মোস্তফা হায়দার সানি, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন তপু, দেবহাটা উপজেলা ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নেতা আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেনসহ অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ঠিকাদাররা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান বজায় রাখা, নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা এবং ঠিকাদারদের বিভিন্ন সমস্যা ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত প্রীতিভোজ ও সম্মিলনীতে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন ঠিকাদার অংশগ্রহণ করেন।

বাজারে বেড়েছে চাল ও ডিমের দাম: নি¤œআয়ের মানুষের কষ্ট চরমে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
বাজারে বেড়েছে চাল ও ডিমের দাম: নি¤œআয়ের মানুষের কষ্ট চরমে

এম শফিকুল ইসলাম: নিত্যপণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সংহতি না থাকায় ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য মানুষ। ঋণের ফাঁদে পড়ে অনেকে নিঃস্ব হচ্ছেন। মানুষের গরিবী হাল ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবসায়ীদের লাভবান করলেও সাধারণ মানুষের বুকে বোবাকান্না ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। মাত্র কয়েক বছর আগেও যেসব পরিবার সামান্য হলেও সঞ্চয় করত, এখন তাদের বেশিরভাগই সংসারের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বাজারে চাল, ডাল, তেল, সবজি, মাছ, ডিম ও মাংসসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে দিনমজুর, শ্রমজীবী ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সংসারের ব্যয় সামলানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আয় না বাড়িয়ে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার এই প্রবণতা জনজীবনে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সরেজমিনে জানা যায়, সাতক্ষীরার বিভিন্ন বাজারে গত আট থেকে দশ দিনের ব্যবধানে সরু চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা এবং মাঝারি চালের দাম এক থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। নাজিরশাইল চালের দাম মানভেদে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা। অন্যদিকে এক সপ্তাহে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় উঠেছে। রসুনের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত টাকা। বর্তমানে লাল ডিমের ডজন ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির কেজি প্রায় ২০০ টাকা। এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। প্রতি ট্রাকে পরিবহন খরচ দুই থেকে তিন হাজার টাকা বেড়ে যাওয়ায় চালের দামে এর প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি ধানের মূল্যবৃদ্ধি ও ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকটের কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ভোক্তাদের অভিযোগ, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে পাইকারি ও খুচরা বাজারে মূল্যবৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক, তা যাচাই করা জরুরি। পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম কেজিতে গড়ে প্রায় এক টাকা বাড়লেও খুচরা বাজারে দুই থেকে চার টাকা বৃদ্ধির অভিযোগ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। চাল ব্যবসায়ী আদর আলী জানান, উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনের প্রতিটি স্তরে প্রকৃত ব্যয় ও মুনাফার হিসাব স্বচ্ছ না হলে বাজারের অস্থিরতার সুযোগে অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রবণতা রোধ করা কঠিন।

কয়রায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
কয়রায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও চাল বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ও চালের (ডিও) বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১২টায় কয়রা উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল বাকিরের সভাপতিত্বে ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল জাবেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবনী বিশ্বাস, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমির কুমার সরকার, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ তিলোক কুমার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার পাল, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, কয়রা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম মাওলা বক্স, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দীন, কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন বাবুল, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, কয়রা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শরিফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পূজা ম-পগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং উৎসব সুন্দরভাবে উদযাপনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট পূজাম-পের প্রতিনিধিদের হাতে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত চালের ডিও হস্তান্তর করা হয়।