জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ
সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ভূমিহীন নেতারা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় দেবহাটা-কালিগঞ্জের ভূমিহীন জনপদের নেতা মো. আলমগীর হোসেন, মো. বায়োজিদ হোসেন সবুর গাজী, জেলা ভূমিহীন পরিবারের সভাপতি মো. কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, দপ্তর সম্পাদক স্বপন কুমার সানা এবং ভূমিহীন নেতা আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে বাবরবাদ ঘের ও জমির বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও পরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওই আন্দোলনের সময় ঐতিহাসিক সখিপুর কলেজ মাঠে এসে ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের বিচার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৭ জনকে জমির দলিল প্রদান করেন। এরপর তাঁরা সেখানে ভূমিহীন হিসেবে বসবাস করে আসছেন।
মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহাসিক ওই আন্দোলন এবং ভূমিহীনদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষার নামে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারেন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। সাতক্ষীরায় এখনো অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। সরকারি খাসজমি থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সরকারি জমি না থাকলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। তবে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারগুলো যাতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।






