শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

কপিলমুনিতে চারা গাছের বাজার জমজমাট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে চারা গাছের বাজার জমজমাট

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): চাল, ডালসহ নিত্যপণ্যের পাশাপাশি অন্ততঃ একটি করে গাছ যেন চাই…..চাই। জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণে মানুষের মৌলিক চাহিদার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বৃক্ষায়ন কর্মসূচীতে নেমেছে মানব সমাজ। আর তা’ই হাটের দিনে গাছের চারা কিনছেন সর্বস্তরের ক্রেতারা। ২০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০/৩০০ টাকায় একটি গাছের চারা সংগ্রহ করে তা বাড়িতে নিয়ে রোপন করছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। এতে মধ্যবিত্ত্ব বা বিত্ত্বশালীরাও বসে নেই, তারাও রীতিমত বৃক্ষের চারা কিনে ভ্যান বোঝাই করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।

 

খুলনার ঐতিহ্যবাহী বানিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনিতে চারা গাছের বাজারের চিত্রটা প্রত্যক্ষ করলেই মনে হয় যেন প্রত্যেক মানুষ প্রতিযোগীতা শুরু করেছেন। পরিবেশবিদরা মনে করেন, বৃক্ষায়ন কর্মসূচীতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণে বৃক্ষায়নের এমন দৃশ্যপট আমাদের সামাজিক পরিবেশকে আরোও তরান্বিত করবে।

জানাগেছে, সরকারের বনায়ন কর্মসূচীর আওতায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও জন-সচেতনতা বৃদ্ধিতে তৃণমূল পর্যায় এর কার্যক্রম চলছে। যে কারণে ”গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান” শোগানে একাতœতা প্রকাশ করে এলাকার মানুষ প্রতিদিনকার সাংসারিক খরচ বাঁচিয়ে নুন্যতম একটি গাছের চারা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।

 

এলাকার বিভিন্ন নার্সারী মালিকরা ফলজ বৃক্ষের পাশাপাশি মেহগনি, শিরিশ, লম্বু, নিম, গামারী, সেগুন ইত্যাদী গাছের উৎপাদন করে তা বাজারে বিক্রি করছেন। ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০/৪০০ টাকায় উন্নত গাছের চারা সরবরাহ ও বিক্রি হচ্ছে। এমনকি ভাল জাতের চারা গাছ সংগ্রহে আগাম বায়নাও করছেন অনেকেই।

নার্সারী মালিক আমিন মোল্লা জানান, নিজ এলাকার চাহিদা মিটিয়ে গাছের চারা বাইরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানী করছেন। যে কারণে অধিক মুনাফা উপার্জিত হচ্ছে তাদের। সূত্রমতে, গত ৮০’র দশকের পর হতে দক্ষিণ পশ্চিম উপকুলীয় এলাকা সমুহে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব ও বিভিন্ন সময়ে ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছাস-এ সাবাড় করে দেয় দক্ষিণ উপকুলীয় এলাকার বনবৃক্ষরাজি। বিভিন্ন সময়ে জলোচ্ছাস ও বন্যায় লবণ পানির প্রভাবে মারাগেছে মূল্যবান গাছপালা। আর এ কারণে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ বনায়ন সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে; পরোক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ গাছপালা।

 

শুধু তাই নয়, পরপর দেশে স্মরন কালের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় আইলা, সিডর, নারগীজ, বুলবুল লন্ডভন্ড করেদেয় সুন্দরবন সহ উপকুলীয় এলাকা। যারফলে সামাজিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রীতিমত হুমকির মুখে পড়ে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে ফলজ বৃক্ষের পাশাপাশি অধিক হারে বৃক্ষরোপন বা বনায়ন করতে পারলে সার্বিক পরিবেশ রক্ষা পাবে।

গাছ ক্রয় করতে আসা প্রতাপকাটী গ্রামের শাহিদা বেগম বলেন, “প্রতি বছর আমি গাছ লাগাই, আমার ভালো লাগে। গাছ হলো অকৃত্রিম বন্ধু। গাছ যেমন ফল ও অক্্িরজেন দেয়, আবার গাছ বিক্রি করলে নগদ টাকা ও পাই। এসব কারণে আমি গাছ লাগাই।”

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (০৮ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, বৈকারী, মাদরা এবং কাকডাঙ্গা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক/চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, ফাইটার মোরগ এবং এসকুফ সিরাপ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটিালিয়ন জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার লক্ষীদাড়ি হতে ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় ফাইটার মোরগ আটক করে। বৈকারী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ছয়ঘরিয়া হতে ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানাধীন রাজপুর মাঠ হতে ২৩ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় এসকুফ সিরাপ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৩ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

 

হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
হরিহর নদীতে নিখোঁজের ৩ ঘন্টা পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে আমজাদ হোসেন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের করুন মৃত্যু হয়েছে। নিহত বৃদ্ধ উপজেলার আলতাপোল গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, শনিবার (০৮-০৮-২৬) সকালে বৃদ্ধ আমজাদ হোসেন বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া হরিহর নদীতে গোসল করতে নামেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু কোথাও তাকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন একপর্যায়ে নিশ্চিত হন যে, তিনি পানিতে নিখোঁজ হয়েছেন।

 

নিখোঁজের সংবাদ মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী-পুরুষ হরিহর নদের পাড়ে ভিড় জামায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

বৃদ্ধের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থনায় একটা অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

 

নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
নুরনগরে অপারেশনে রোগীর মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরে পাইলসের অপারেশন করাতে গিয়ে আলমগীর হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

নিহত আলমগীর হোসেন নুরনগর এলাকার মৃত মোবারক আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে আলমগীর হোসেন পাইলসের অপারেশন করানোর জন্য নুরনগরে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে যান। সেখানে তার পাইলসের অপারেশন শুরু করার পর কোনো এক পর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে বলে স্বজনরা জানান।

নিহতের চাচাতো ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসক গোলাম মোস্তফার ভুল চিকিৎসার কারণেই আলমগীরের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। অপারেশনের পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারজানা জানান, আলমগীর হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তিনি জীবিত ছিলেন না বলে জানান এই চিকিৎসক।

রোগীর মৃত্যুর খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পুলিশ নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংগ্রহের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়।