ঝাউডাঙ্গায় প্রধান শিক্ষক কাশেমের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবিতে শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ঝাউডাঙ্গা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রতারণার শিকার প্রদীপ কুমার ঘোষ অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম বিভিন্ন দফায় তাঁর কাছ থেকে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু তিন বছর পার হয়ে গেলেও তিনি চাকরি দিতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাওয়া হলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং বর্তমানে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছেন। প্রদীপ কুমার আরও জানান, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে তাঁর মতো আরও অনেকের কাছ থেকেই চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ওই প্রধান শিক্ষক। টাকা হারিয়ে তাঁর পরিবার এখন অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারটি ওই দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ অবিলম্বে অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় তাঁর দ্রুত বহিষ্কার দাবি করে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এদিকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।









