শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝাউডাঙ্গা বাজারে আলো জ্বালিয়ে প্রশংসিত যুবদল নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা বাজারে আলো জ্বালিয়ে প্রশংসিত যুবদল নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঝাউডাঙ্গা বাজারে নিজস্ব উদ্যোগে আলোর ব্যবস্থা করে প্রসংশিত হয়েছেন যুবদল নেতা আখতারুজ্জামান বাপ্পি। দীর্ঘদিন ধরে বাজারের ভেতরের প্রধান সড়ক ও মোড়গুলো অন্ধকারে থাকার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন এই বাজারে হাজারো মানুষের আনাগোনা থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত লাইট না থাকায় সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যেত। এতে চোর-ছিনতাইকারীর উপদ্রব বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হতো। বিষয়টি নজরে আসার পর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাপ্পি নিজ অর্থায়নে এবং কর্মী-সমর্থকদের সহযোগিতায় এলইডি লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেন। গত কয়েক দিনে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এসব লাইট বসানো হয়।

বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পর যুবদল নেতার এই উদ্যোগে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বেড়েছে এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়েছে।

এ বিষয়ে আখতারুজ্জামান বাপ্পি বলেন, “জনগণের সেবক হওয়াটাই মূল লক্ষ্য। নেতার নির্দেশ অনুযায়ী সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ থেকেই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আগামীতেও এলাকার যেকোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।”

Ads small one

ভোমরা বন্দরে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৪,৫৩৭ টন কাঁচামরিচ আমদানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
ভোমরা বন্দরে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৪,৫৩৭ টন কাঁচামরিচ আমদানি

এম শফিকুল ইসলাম: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার ৫৩৭ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ভোমরা বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি করে আসছে। দেশের শীর্ষ ৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানিতে নিয়োজিত রয়েছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিগত অর্থবছরের জুলাই থেকে আমদানিকারকদের অনুমতির ভিত্তিতে নিয়মিত কাঁচামরিচ আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। সরকার কাঁচামরিচ আমদানির ওপর অধিক শুল্কায়ন কমিয়ে ১৩ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে দেওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে। বাজারদর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে বিপুল পরিমাণ কাঁচামরিচ সরবরাহ হওয়ায় সার্বিক বাজারদর স্বাভাবিক রয়েছে। তবে স্থানীয় বাজারে এর তেমন ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বাজারে এখনো প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় বুলেট কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চাষি আকবর আলী জানান, ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে রোপণ করা মরিচের গোড়া পচে নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় এক বিঘা জমিতে লাগানো মরিচের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি। ফলে পরিবারের রান্নার চাহিদা মেটাতে বাজার থেকে বেশি দামে কাঁচামরিচ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

এদিকে গোডাউনগুলোতে বাজারজাত করার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া মরিচ বাছাইয়ের কাজ চলছে পুরোদমে। স্থানীয় নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা দিন-রাত মরিচ বাছাইয়ের কাজ করছেন। এতে তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উপযুক্ত মজুরি পেয়ে তাঁরা খুশি হলেও এই কাজের সুযোগ সাময়িক।

আশাশুনি কুল্যা ইউনিয়ন জাসাসের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনি কুল্যা ইউনিয়ন জাসাসের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার ৩নং কুল্যা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাসাস আশাশুনি উপজেলা শাখার এক সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে মো. হাবিবুল্লাহ ইসলামকে আহ্বায়ক এবং মো. সবুজ হোসেনকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহাগ হোসেন, মো. মোবারক হোসেন, মাছুম বিল্লাহ, আদনান হোসেন আবির, মো. সবুজ সরদার, মেহেদী হাসান, রানা আহম্মেদ ও সবুজ হোসেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেকের আলী, রিপন হোসেন, আবু বক্কার, মুশফিকুর রহিম , মোহাসিন হোসেন, আলামিন মালী, আলীমদ্দীন সরদার, কাদের মামুন, রায়হান হোসেন, মুরাদ হোসেন, ইসলাম সরদার, সাগর হোসেন, আছাফুর হোসেন, আদম গাজী, শাহাদাত হোসেন, খায়রুল ইসলাম, শ্রী অমিতাপ বিশ্বাস, শুকান্ত মন্ডল, শামিম হোসেন, আবুল হোসেন এবং তারিকুল হোসেন।

আশাশুনি উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম বাচ্চু ও সদস্য সচিব শরিফ ইমরান টিটো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সাথে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক জাসাস সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক শেখ জিল্লুর রহমান ও সদস্য সচিব ফারুক হোসেন এই কমিটির অনুমোদন নিশ্চিত করেছেন।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে কুল্যা ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও বেগবান ও সুসংগঠিত হবে।

মামলা প্রত্যাহার করতে চাপ ও হামলার অভিযোগে থানায় জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
মামলা প্রত্যাহার করতে চাপ ও হামলার অভিযোগে থানায় জিডি

পত্রদূত রিপোর্ট: আদালতে করা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি, গালিগালাজ এবং মারধরের অভিযোগে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মো. আমজিয়ার হোসেন (৪৬) নামের এক ব্যক্তি। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় উপস্থিত হয়ে এই ডায়েরিটি দায়ের করেন। জিডি নম্বর ১৭০২।

অভিযুক্তরা হলেনÑ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামালনগর গ্রামের মো. আব্দুস সবুরের ছেলে মো. পন্টু হোসেন (২৮) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. আব্দুস সবুর (৪৫)।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আমজিয়ার হোসেন সম্প্রতি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর: সিআর ১১২২/২৩)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা আমজিয়ার হোসেনের বাড়ির সামনে সরকারি রাস্তার ওপর এসে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য তাঁরা চাপ সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আমজিয়ার হোসেনের নাকে-মুখে এলোপাতাড়ি থাপ্পড় মারেন।

ভুক্তভোগী আমজিয়ার হোসেন জানান, “মামলা তুলে না নিলে অভিযুক্তরা আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে মারধর, ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” ঘটনাটি স্থানীয় মো. ইমরান আনছারী ও শরিফুল খাতুনসহ আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জিডির ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।