শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

টালমাটাল বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য পর্যটনই হতে পারে রিজার্ভের নতুন ভরসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
টালমাটাল বিশ্বে বাংলাদেশের জন্য পর্যটনই হতে পারে রিজার্ভের নতুন ভরসা

মো. মামুন হাসান
বিশ্ব অর্থনীতি এক অস্থির মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং ডলারের সংকট মিলিয়ে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে তুলেছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের মতো অর্থনীতি, যা দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক খাত ও প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তার সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে, বিকল্প কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে এমন এক খাতে, যাকে আমরা দীর্ঘদিন গুরুত্বহীন ভেবেছি। পর্যটন, যা অর্থনীতির ভাষায় অদৃশ্য রপ্তানি, এখন বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বৈশ্বিক পরিসংখ্যান বলছে, আগামী দশকে এই খাতের বিস্তার এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, যা অনেক প্রথাগত শিল্পকেও ছাড়িয়ে যাবে। যেখানে বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ধীর, সেখানে পর্যটনের ধারাবাহিক উত্থান একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়, অভিজ্ঞতা ও গন্তব্য এখন নতুন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
বাংলাদেশের জন্য এই বাস্তবতা কেবল সম্ভাবনার গল্প নয়, বরং এক অনিবার্য কৌশলগত প্রয়োজন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদীমাতৃক বৈচিত্র্য, সমুদ্র উপকূল, পাহাড়ি অঞ্চল এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সব মিলিয়ে এই দেশ এমন একটি অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম, যা বৈশ্বিক পর্যটকদের জন্য অনন্য। তবুও এই সম্ভাবনা এখনো অব্যবহৃত রয়ে গেছে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে। বিশ্বের অনেক ছোট অর্থনীতিই ইতোমধ্যে এই পথ ধরে এগিয়ে গেছে। মালদ্বীপ কিংবা থাইল্যান্ড তাদের পর্যটন নির্ভর মডেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীল উৎস তৈরি করেছে। এমনকি অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশও পর্যটনের মাধ্যমে তাদের রিজার্ভ পুনর্গঠনে সক্ষম হয়েছে। এই উদাহরণগুলো স্পষ্ট করে যে, পর্যটন কেবল বিলাসী খাত নয়, বরং এটি একটি কার্যকর অর্থনৈতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ যদি কৌশলগতভাবে এই খাতকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে তা দ্রুত ফল দিতে পারে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের পরিবর্তনের ফলে এখন অসংখ্য পেশাজীবী নির্দিষ্ট কোনো দেশে আবদ্ধ নয়, তারা কাজের পাশাপাশি ভ্রমণ করে এবং দীর্ঘ সময় একটি দেশে অবস্থান করে। এই নতুন ধারা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে এই শ্রেণির মানুষের ব্যয় সরাসরি অর্থনীতিতে প্রবাহিত হতে পারে। একইভাবে আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রার কেন্দ্র হিসেবে ঢাকাকে কাজে লাগিয়ে স্বল্পমেয়াদি ট্রানজিট পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। অল্প সময়ের জন্য আসা যাত্রীদের শহরের অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করা গেলে তা একটি নতুন আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। আধুনিক বিশ্বে পর্যটনের আরেকটি বড় চালিকা শক্তি হলো ডিজিটাল উপস্থিতি। একটি ভাইরাল ভিডিও বা জনপ্রিয় ভ্রমণ কনটেন্ট কোনো দেশের ভাবমূর্তি বদলে দিতে পারে। তাই ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং এখন কেবল প্রচারণা নয়, বরং বিনিয়োগের সমতুল্য।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যও এই খাতকে এগিয়ে নিতে বড় সম্পদ। নদী ও সমুদ্রকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে আধুনিক জলভিত্তিক পর্যটন, যেখানে পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে গ্রামীণ জীবনযাপন, কৃষিভিত্তিক অভিজ্ঞতা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষণ তৈরি করতে পারে। চিকিৎসা সেবার খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় স্বাস্থ্য পর্যটনও একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র, যা সঠিক নীতিমালার মাধ্যমে দ্রুত বিকশিত হতে পারে।
তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আস্থা। নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো দেশই পর্যটনে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জন করতে পারে না। এর পাশাপাশি প্রয়োজন সুসংগঠিত পরিকল্পনা, যেখানে অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণ একসাথে কাজ করবে।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একক খাতের ওপর নির্ভরতা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও সহনশীল করতে হলে বৈচিত্র্য আনা ছাড়া বিকল্প নেই। এই বাস্তবতায় পর্যটন এমন একটি খাত, যা তুলনামূলক কম আমদানি নির্ভর, দ্রুত ফলদায়ী এবং বহুমাত্রিক প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম। অদৃশ্য রপ্তানি হিসেবে পর্যটনের শক্তি এখানেই, এটি কোনো পণ্য নয়, তবুও এটি বৈদেশিক মুদ্রা আনে, এটি কোনো কারখানা নয়, তবুও এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, এটি কোনো প্রচলিত শিল্প নয়, তবুও এটি অর্থনীতিকে গতিশীল করে। সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে এই খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া গেলে, এটি বাংলাদেশের রিজার্ভের জন্য এক নতুন রক্ষাকবচে পরিণত হতে পারে। সময় এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার, কারণ এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্ভাবনা অপেক্ষা করে না, তাকে কাজে লাগাতে হয়।
লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাসুদ রানা: ‎বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত স্কুল বিভাগের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮:৩০ মিনিটে স্কুল বিভাগের পরিচালক তাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রেদোয়ান কবির তাজিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শারীরিক সুস্থতা ও মেধা বিকাশের বিকল্প নেই। মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্রের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

‎উদ্বোধনী ম্যাচে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর দলগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। খেলা দেখতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের উপস্থিতি মাঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে