রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঢাকা-বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে হিজড়াদের দৌরাত্ম বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ঢাকা-বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে হিজড়াদের দৌরাত্ম বাড়ছে

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিরাপদ বাহন হিসাবে যাত্রীদের কাছে রেলের রয়েছে চাহিদা ও কদর, গ্রহণযোগ্যতা। অল্প সময়ে কম মুল্যে নিরাপদে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করতে পছন্দ করেন সব শ্রেণীর যাত্রীরা। বাড়ছে রেল সংযোগ ও ট্রেনসেবা। সরকারের আসছে বাড়তি আয়। তবে সম্প্রতি সময়ে আবারও ঢাকা-বেনাপোল-যশোর ও বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চলাচলকারী ট্রেনে তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া হকার ও ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ট হয়ে উঠছে যাত্রী সাধারণ। ফলে ব্যাহত হচ্ছে রেল সেবা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা জেগে ঘুমাচ্ছেন। নির্বাক যেন প্রশাসন ও যাত্রীরা।

প্রতিদিন ঢাকা টু বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে চলাচল করেন দেশি বিদেশী পর্যটকসহ ব্যবসায়ি শিক্ষার্থী রোগীসহ সব শ্রেণী পেশার মানুষ। রেল মানুষের আস্তা অর্জন করেছেন। তবে হিজড়াদের চাঁদাবাজি ও অশ্লীলতায় চরম ভোগান্তি ও অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। অপমানিত ও নির্গিত হচ্ছেন যাত্রীরা। অতিষ্ট হয়ে উঠছেন তারা। রেল কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নিশ্চুপ। এক সময়ে রেলে চোরাচালানী পন্যের অবাধ বিচরণসহ যাত্রী সেবাই যশোর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে রেলে ভ্রাম্যমান অভিযান চালাতো প্রশাসন। বিজিবি, র‌্যাব. কাস্টম ও পুলিশসহ রেল সংশ্লিষ্টদের বিশেষ অভিযানে স্বস্তি ফেরে যাত্রীদের। অভিযান বন্ধ থাকায় আবারও রেলের পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। রেলে অনেকটা জিস্মি ও অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা।

রেলের যাত্রী সাবিরা খাতুন, জামাল উদ্দিন ও মহাসিন হোসেন জানান, সব শ্রেণীর ও সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে টাকা আদায় করছের সংঘবদ্ধ হিজড়ারা। রয়েছে হেনস্তা করার বিস্তর অভিযোগ। রেলওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রতিনিয়ত এধরনের ঘটনা ঘটলেও নেওয়া হয়না ব্যাবস্থা। নিশ্চুপ থাকেন তারা।

এসব বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হুসাইন জানান, ট্রেনে অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জিআরপি পুলিশ চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যাত্রী সেবাই রেল পুলিশ আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, বেনাপোল-ঢাকা ও খুলনা রুটের ট্রেনে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ এবং ‘রুপসী বাংলা’ ও ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে চোরাচালানি, হকার, ভিক্ষুক, হিজরা ও নেশাখোররা বিনা টিকিটে ওঠে বসে থাকায়। রেলের টিকিট কেটেও যাত্রীরা থাকেন দাঁড়িয়ে। রেলের নিরাপত্তা কর্মী পুলিশের প্রতিটি কামরায় থাকার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ সময়ে একটি বগিতে সিট নিয়ে ঘুমিয়ে পালন করেন দায়িত্ব। নিরাপত্তাহীনতাই ভোগেন যাত্রীরা। যাত্রীদের ব্যাগ, টাকা খোয়া গেলে বাধে বাকবিতন্ডা।

নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএসবি) সদস্যরা রেলস্টেশন ও রেলের সম্পদ দেখাশুনার সার্বিক দায়িত্বে থাকলেও তাদের চোখের সামনে চোরাচালানী, হিজরা, ভিক্ষুক, নেশাখোররা বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠছেন। দেখেও নির্বাক থাকছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে চোরাচালানীদের যোগসাজসে চোরাচালানীরা ট্রেনে ভারতীয় পণ্য পাচার করছে। সম্প্রতি আবির হোসেন ও মহাসিন হোসেন তারা পরিবারসহ ‘রূপসী বাংলা’ ট্রেনে যশোর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি ছাড়তেই বগিতে হিজড়ারা উঠে যাত্রীদের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলেই ক্ষিপ্ত হয়ে আপত্তিকর ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি শুরু করে। প্রতিবাদ করলেই উগ্র রূপ ধারণ করে এবং পরিবারের সামনেই কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ ও হেনাস্তা করে। দেওয়া হয় হুমকি। ফলে প্রতিনীয়ত ট্রেনের ভেতর হিজড়াদের দৌরাত্বে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

পাবলিক পরিবহনে পরিবার নিয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থায়ী প্রতিকার চান ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
এসব ঘটনায় পরিত্রাণে ভুক্তভোগী যাত্রী মহাসিন হোসেন বেনাপোল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ও স্টেশন মাস্টারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টিকিট বা অনুমতি ছাড়া ট্রেনে হিজড়া, হকার বা বহিরাগতদের প্রবেশ বেআইনি। ঘটনার পর স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ট্রেনে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি যেন উঠতে না পারে, সেজন্য গার্ড ও নিরাপত্তা কর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি স্থায়ী সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জিআরপি পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হযেছে বলে জানান ষ্টেশন মাষ্টার আয়নাল হাসান।

Ads small one

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ভূমিহীন নেতারা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেবহাটা-কালিগঞ্জের ভূমিহীন জনপদের নেতা মো. আলমগীর হোসেন, মো. বায়োজিদ হোসেন সবুর গাজী, জেলা ভূমিহীন পরিবারের সভাপতি মো. কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, দপ্তর সম্পাদক স্বপন কুমার সানা এবং ভূমিহীন নেতা আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে বাবরবাদ ঘের ও জমির বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও পরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওই আন্দোলনের সময় ঐতিহাসিক সখিপুর কলেজ মাঠে এসে ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের বিচার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৭ জনকে জমির দলিল প্রদান করেন। এরপর তাঁরা সেখানে ভূমিহীন হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহাসিক ওই আন্দোলন এবং ভূমিহীনদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষার নামে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারেন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। সাতক্ষীরায় এখনো অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। সরকারি খাসজমি থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সরকারি জমি না থাকলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। তবে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারগুলো যাতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

 

 

 

কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): আষাঢ় শ্রাবণ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে বর্ষাকাল। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য আমন ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই বর্ষাকাল। তাই বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃষ্টির মৌসুম শুরুতে একটু বৃষ্টি কম হলেও বর্তমান যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাল বিল ডোবা নালা পানিতে পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তাই কৃষকরা উচু-ডোবা জমি থেকে আগাম পাট কেটে সেই জমিতে আমন ধান রোপন শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম পাট চাষ করে থাকে। সেই পাট কেটে রোপা আমন ধানের আবাদ করে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কেশবপুরে এবার পাটের আবাদ কম হলেও ফলন ভাল হয়েছে। পুকুর ও ডোবা নালায় যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টির পানি জমে থাকায় কৃষকদের ক্ষেতের পাট কেটে পঁচন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাই তারা পাটকেটে পচন দিয়ে সেই জমিতে আমন আবাদ শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপনের মহোৎসাব। অন্য বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে কেশবপুরের প্রায় ৮০টির বেশী গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার কারণে আমন আবাদ ব্যহত হলেও এবার কৃষকরা কপোতাক্ষের রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাই এসব জমিতে এখন কৃষকরা মনের আনন্দে ধানের চারা রোপন করছে।

এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুরে এবার ৮হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকল থাকলে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

 

 

কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে মসজিদে মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালালো চোর। তথ্য সূত্রে জানা গেছে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আলতাপোল (বারোইপাড়া) গ্রামের কুমারের ৪টি এবং মঙ্গলকোট গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির ৩টি গরু নিয়ে যায় তারা। গরুর মূল্য হবে ১০ থেকে ১২ লাখ।

চোরেরা সুকুমারের গরুগুলো বাড়ির পাশের একটি বাগানে এবং রবির গরুগুলো যশোর-চুকনগর সড়কের আলতাপোল চারেরমাথা এলাকার একটি মেহগনি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, পরে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কিন্তু ফজরের আজানের সময় বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের মাইকে গরু চুরির ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা শুনে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। রেখে যায় চুরি করা ৭টি গরু। পালানোর সময় তারা গরু বাঁধা বাগানে একটি গামছা ও পানির বোতলও ফেলে যায়।

ঘটনাটির আরও একটি বেদনাদায়ক দিক রয়েছে। রবিউল ইসলাম রবির ছোট ভাই মাত্র শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারটির শোক এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে বৃষ্টির পানিতে কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন, অন্যদিকে কৃষকের শেষ সম্বল গবাদিপশুও নিরাপদ নয়-এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা বলছে রাতের পুলিশি টহল কতটা কার্যকর?

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন আমাদের কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি তবে বিষয়টা আমাদের জেনেছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।