রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

তালায় আগুনের ঘটনায় মামলা ও অপপ্রচারের চেষ্টার অভিযোগ, নুর ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
তালায় আগুনের ঘটনায় মামলা ও অপপ্রচারের চেষ্টার অভিযোগ, নুর ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় বিচালির গাদায় আগুন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন জোয়ার্দারকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা এবং তাঁকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন নুর ইসলাম সরদার। এ ঘটনায় ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে তালা প্রেসক্লাবের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার ডাঙ্গানলতা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন সরদারের ছেলে নুর ইসলাম সরদার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় বিএনপির নেতারা নাকি ঘোষণা দিয়েছেন, জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি ও তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এস এম নজরুল ইসলামের পক্ষে কথা বললে তাঁদের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হবে। এর পরদিন ভোরে কে বা কারা তাঁর বিচালির গাদায় আগুন দেয়। এ ঘটনায় তিনি তালা থানায় কারও নাম উল্লেখ না করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নুর ইসলামের অভিযোগ, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নিতে এস এম নজরুল ইসলাম তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফারুক হোসেন জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দেন। মামলার খরচ বাবদ দুই থেকে তিন লাখ টাকা বা প্রয়োজনীয় সব টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি। তবে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কাউকে দেখেননি বলে মামলা করতে রাজি হননি নুর ইসলাম।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগুন দেওয়ার ঘটনার পরপরই বাবলু মোহরী তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভিডিও সাক্ষাৎকার দিতে বলেন এবং বিএনপি নেতাদের নাম উল্লেখ করার পরামর্শ দেন। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও বাবলু বিএনপির নেতাকর্মী ও ফারুক জোয়ার্দারকে জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করেন বলে দাবি করেন তিনি।

নুর ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, তা সত্য নয়। গত সংসদ নির্বাচনে তালা-কলারোয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিবের পক্ষে ধানের শীষের প্রতীকসংবলিত কার্ড গলায় ঝুলিয়ে তিনি প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। এ সময় এস এম নজরুল ইসলামের অপপ্রচার সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

Ads small one

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে ৪ জন গ্রেপ্তার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত রোববার উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তি আব্দুল মজিদ ঢালী (৪০)। তিনি চাকলা গ্রামের আবু হানিফ ঢালীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মজিদ ঢালী আশাশুনি থানার ২৩ নম্বর মামলার আসামি। ২০২৬ সালের ২৩ জুন দায়ের করা মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় করা হয়েছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে সাতক্ষীরার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।