রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরের মুকুট চুরির মামলায় অভিযোগপত্রের শুনানি ১৯ জানুয়ারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরের মুকুট চুরির মামলায় অভিযোগপত্রের শুনানি ১৯ জানুয়ারি

পত্রদূত রিপোর্ট: শ্যামনগরের যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরের মুকুট চুরির মামলায় পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রের ওপর শুনানির দিন পিছিয়ে আগামী ১৯ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। গত রোববার মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা গোয়েন্দা পুলিশ, অপরাধ ও তদন্ত শাখার উপপরিদর্শক মাসুদ পারভেজ গত ১৭ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর গ্রামের মৃত ছিদাম সরকারের স্ত্রী রেখা সরকার (৪০) এবং ঢাকার কদমতলীর শেখ শফি মাহমুদের ছেলে সম্রাট ফারুখ মাওলা (৪২)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি শ্যামনগরের যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজা দিতে এসে দেবী কালীকে একটি মুকুট উপহার দেন। ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে ২টা শুনানির মধ্যে আল আমিন বা স্বপন নামের এক যুবক মন্দির থেকে মুকুটটি চুরি করে নিয়ে যায় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মন্দিরের সেবায়েত ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী ঈশ্বরীপুর গ্রামের রেখা সরকার, একই গ্রামের অপূর্ব কুমার সাহা ও সঞ্জয় বিশ্বাস, শ্রীফলকাটি গ্রামের পারুল বিশ্বাস এবং মন্দিরের পুরোহিত দিলীপ চক্রবর্তীকে আটক করে পুলিশ। ওই বছর ১২ অক্টোবর মন্দিরের পক্ষ থেকে ঈশ্বরীপুর গ্রামের কালিকানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক আহম্মদ কবীর ওই দিন সন্ধ্যায় পুরোহিত দিলীপ চক্রবর্তীকে ছেড়ে দিয়ে অন্য চারজনকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠান। পরদিন ১৩ অক্টোবর পরিচ্ছন্নতাকর্মী রেখা রানী সরকার চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বিচারিক হাকিম সুজাতা আমিনের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

 

জবানবন্দিতে তিনি দুই লাখ টাকার বিনিময়ে মন্দিরের তালা খুলে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার আল আমিন বা স্বপন নামের এক যুবককে মুকুট চুরিতে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ঢাকার কদমতলীর সম্রাট ফারুখ মাওলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথাও বলেন।
ওই বছরের ২১ অক্টোবর ঢাকার রামপুরা থেকে সম্রাট ফারুখ মাওলা ও তাঁর বাবা শেখ শফি মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৩ অক্টোবর সম্রাট ফারুখ মাওলা সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম মহিদুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত সাতক্ষীরা দায়রা জজ আদালত থেকে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর সঞ্জয় বিশ্বাস এবং ২৮ নভেম্বর পারুল বিশ্বাস ও অপূর্ব বিশ্বাস জামিনে মুক্তি পান। রেখা রানী সরকার ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল হাইকোর্ট থেকে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন পান। শেখ শফি মাহমুদ ওই বছরের ২২ এপ্রিল এক বছরের জন্য জামিন লাভ করেন। তবে ২৩ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা জজ আদালতে সম্রাট ফারুখ মাওলার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর উচ্চ আদালতে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি জামিন পাননি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মাসুদ পারভেজ জানান, রেখা রানী সরকার ও সম্রাট ফারুখ মাওলাকে আসামি করে গত ১৭ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় পারুল বিশ্বাস, সঞ্জয় বিশ্বাস, অপূর্ব সাহা ও শেখ শফি মাহমুদকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। মামলায় ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে মুকুট চুরির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আল আমিন বা স্বপনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মুকুটটিও উদ্ধার করা যায়নি।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট অসীম মণ্ডল বলেন, যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরের মুকুট চুরির ঘটনাটি স্পর্শকাতর। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা ব্যক্তির পরিচয় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশ্চিত করতে পারেননি।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. নাজমুল হোসেন জানান, গত ১৭ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়, যা ২১ এপ্রিল অনলাইনে প্রকাশিত হয়। ১০ জুন অভিযোগপত্র আদালতে উপস্থাপনের পর বাদীর উপস্থিতিতে শুনানির জন্য প্রথমে ১৯ আগস্ট এবং পরে ৮ নভেম্বর তারিখ ধার্য করা হয়েছিল। আগামী ১৯ জানুয়ারি নতুন শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সরকারি খাসজমি বণ্টন, বেদখল জমি উদ্ধার এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন জেলা শাখা।

গত শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম গাজী। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. আহম্মদ আলী।

সভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মো. লাভলু, আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রাজু হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহারসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য খাসজমি বরাদ্দ এবং ব্যারাক নির্মাণের কার্যক্রম চললেও অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার এখনো এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঁচ বিঘার বেশি খাসজমির নামে যেসব ডিসিআর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বণ্টনের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বেদখলে থাকা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এতে ভূমিহীনদের আবাসনের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়বে।

এ ছাড়া খুলনা থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারি পরিকল্পনা ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত শেষ করার দাবি জানানো হয়। সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ মানুষকে যথাযথ পুনর্বাসন, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের ব্যবস্থা করারও দাবি তোলেন বক্তারা।