বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

তালায় নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
তালায় নবাগত ইউএনও’র সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

সংবাদদাতা: তালার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার (ইউএনও) সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা। বুধবার (০৬ মে) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম খান, সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস কুদ্দুস পাড়, দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ, প্রচার সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মুফতি এনামুল হক, আরিফুল ইসলামসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ তালা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

Ads small one

গয়েশপুরে মরা শিমুল গাছ যেন মরণফাঁদ: ঝুঁকিতে ৪ পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
গয়েশপুরে মরা শিমুল গাছ যেন মরণফাঁদ: ঝুঁকিতে ৪ পরিবার

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: মাথার ওপর বিশাল এক মরা শিমুল গাছ। একটু বাতাস হলেই মড়মড় শব্দে কেঁপে ওঠে ডালপালা। আর সেই আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গয়েশপুর সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রের চারটি ভূমিহীন পরিবারের। যেকোনো মুহূর্তে গাছটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গয়েশপুরের ‘পাপড়া তলা’ এলাকায় ভূমিহীন আবদুল আজিজ শাহর বসতঘরের ওপর গাছটি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে হেলে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির এই সরকারি শিমুল গাছটি দীর্ঘদিনের পুরনো এবং বর্তমানে সম্পূর্ণ মৃত। এর ভারী ডালপালা সরাসরি ঝুলে আছে টিনের চালের ওপর। কালবৈশাখী ও বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় এই আতঙ্ক এখন চরমে পৌঁছেছে। নিজস্ব জমি বা বিকল্প থাকার জায়গা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এই ‘মরণফাঁদের’ নিচে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, মাস কয়েক আগেই বিপদের কথা জানিয়ে তারা গাছটি অপসারণের জন্য সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন। সরকারি গাছ হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া এটি কাটার সুযোগ নেই। তবে আবেদনের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আশ্রয়কেন্দ্রের এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের ঘর আছে কিন্তু শান্তি নেই। রাত হলে ভয় লাগে কখন যেন গাছটা গায়ের ওপর পড়ে। প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি, কিন্তু এখনো কেউ গাছ কাটতে আসেনি।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ভূমিহীনদের নিরাপত্তার জন্য সরকার আশ্রয়কেন্দ্র করে দিয়েছে। কিন্তু একটি জরাজীর্ণ মরা গাছের কারণে এখন সেই নিরাপদ আশ্রয়ই শ্মশানে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সামান্য ঝড়ে গাছটি ভেঙে পড়লে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।

কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা প্রাণহানি ঘটার আগেই জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ গাছটি অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

 

 

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ওষুধ এবং চিংড়ি মাছের রেনুপোনাসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (৬ মে) দিনব্যাপী সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ মাদরা, কাকডাঙ্গা ও ভোমরা বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, এদিন মাদরা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া থানার শ্মশান ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত এই অভিযানে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ আটক করা হয়।

অন্যদিকে, কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা কেরাগাছি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

একই দিনে ভোমরা বিওপির একটি দল সাতক্ষীরা সদর থানাধীন কুলিয়া রোড ভাঙা ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে আনুমানিক ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা জব্দ করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত এসব মালামালের মোট বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এ ধরনের চোরাচালানের ফলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে।

কলমের দায়, সমাজের আয়না ও সাংবাদিকতার সংস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৯:২৩ অপরাহ্ণ
কলমের দায়, সমাজের আয়না ও সাংবাদিকতার সংস্কার

শেখ সিদ্দিকুর রহমান

সভ্য সমাজে সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের বিবেকের প্রতিচ্ছবি। একটি দেশের প্রশাসন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি কিংবা সামাজিক বাস্তবতার প্রকৃত চিত্র সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন সংবাদকর্মীরা। তাই সাংবাদিকদের বলা হয় সমাজের দর্পণ, রাষ্ট্রের অনানুষ্ঠানিক প্রহরী এবং গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। একজন প্রকৃত সাংবাদিক নিজের স্বার্থের চেয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে বড় করে দেখেন।

 

কোথাও দুর্নীতি, অন্যায়, অবহেলা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার হলে একজন সংবাদকর্মী তার কলম ও ক্যামেরা দিয়ে সেই চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরেন। আবার কোনো অসহায় মানুষের কান্না, কৃষকের কষ্ট, শ্রমিকের অধিকার, শিক্ষার সংকট কিংবা জনদুর্ভোগের চিত্রও সাংবাদিকতার মাধ্যমেই রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছে যায়। “নিউজ” শব্দটি নিয়ে একটি জনপ্রিয় ব্যাখ্যা রয়েছে যে এটি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—এই চার দিকের আদ্যক্ষর নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ চারদিকের ঘটনা মানুষের সামনে তুলে ধরাই সংবাদ। সংবাদ মানে শুধু তথ্য নয়; সংবাদ মানে সত্য, দায়িত্ব ও জনস্বার্থ। একসময় সাংবাদিকতা ছিল সমাজসেবামূলক ও আদর্শভিত্তিক একটি মহান পেশা। তখন সংবাদকর্মীরা আর্থিক লাভের চেয়ে সত্য প্রকাশকে বড় করে দেখতেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি ঢুকে পড়েছে কিছু অপসংস্কৃতিও।

 

বর্তমানে দেশে “হলুদ সাংবাদিকতা” ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করেছে। টাকার বিনিময়ে অনেকে বিভিন্ন নামধারী অনলাইন পোর্টাল বা অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের কার্ড সংগ্রহ করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন, যাদের অনেকেরই সংবাদ লেখার ন্যূনতম দক্ষতা কিংবা পেশাগত নৈতিকতা নেই। কেউ কেউ সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অনৈতিক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছেন, যা প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য বিব্রতকর এবং গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পূর্বের ধারণা ছিল যে লিখতে পড়তে জানলেই সাংবাদিক হওয়া যায়, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এটি একটি গভীর দক্ষতা ও জবাবদিহিতার পেশা। একজন সংবাদকর্মীর মধ্যে সত্যনিষ্ঠা, ভাষাজ্ঞান, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ও আইনি জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। তাই সাংবাদিকতা পেশার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা এখন সময়ের দাবি। ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া সাংবাদিকতার পরিচয়পত্র প্রদান বন্ধ করা এবং জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমে কাজের ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।

 

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে যাতে প্রকৃত সংবাদকর্মী ও অপসাংবাদিকদের পার্থক্য করা সহজ হয়। একটি জাতীয় সাংবাদিক নিবন্ধন বোর্ড গঠন করা এখন সময়ের প্রয়োজন। একজন সাংবাদিককে কেবল মানবসৃষ্ট প্রতিকূলতা নয়, বরং ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে কাজ করতে হয়।

 

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা কিংবা মহামারীর মতো সংকটে যখন সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটে, তখন সংবাদকর্মীরা জীবন বাজি রেখে দুর্যোগকবলিত এলাকায় ছুটে যান। উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ কিংবা উপকূলের বিধ্বংসী বাতাসের মধ্যেও তারা সংবাদ সংগ্রহ করেন যাতে মানুষ আগাম সতর্কবার্তা পায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস পায়। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সংবাদ প্রচার করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিক শারীরিক জখম ও সম্পদ হারানোসহ নানা বিপদের সম্মুখীন হন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকিও কম নয়। দুর্নীতি, মাদক বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে বহু সাংবাদিক হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত অন্তত ১,০৭৩ জন সংবাদকর্মী বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু এক বছরেই প্রায় ৫০০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, সাংবাদিকতা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হওয়া সত্ত্বেও প্রকৃত সংবাদকর্মীদের জন্য কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামো বা ঝুঁকি ভাতার কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। একজন সাংবাদিক যখন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন, তিনি পুরো সমাজের পক্ষ হয়েই সেই ঝুঁকি গ্রহণ করেন। তাই রাষ্ট্রের উচিত প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকি ভাতা, জীবনবীমা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা। সাংবাদিকতা কোনো ভয় প্রদর্শনের অস্ত্র নয়, এটি মানুষের অধিকার রক্ষার মাধ্যম।

 

কলমের পবিত্রতা রক্ষায় কঠোর নীতিমালা এবং পেশাগত শুদ্ধি অভিযান এখন অপরিহার্য। কারণ একটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই পারে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে। প্রকৃত সংবাদকর্মীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, তবেই কলমের শক্তি সমাজকে সত্য ও ন্যায়ের আলোয় আলোকিত করতে পারবে।

তথ্যসূত্র:
১. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রতিবেদন।
২. আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন ২০২৫।
৩. মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএসএস মাসিক প্রতিবেদন।
৪. দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন ও প্রিন্ট আর্কাইভ।
৫. বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও গণমাধ্যম গবেষণা রিপোর্ট।