বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দেশ ঘুরলেই দেশ গড়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
দেশ ঘুরলেই দেশ গড়ে

মো. মামুন হাসান

ঈদের ছুটি এলেই দেশের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেড়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দুবাই, নেপাল, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণে যাওয়া মানুষের ছবি। অনেকের কাছে এখন বিদেশ ভ্রমণ শুধু বিনোদন নয়, সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই প্রবণতার ভেতরে একটি বড় অর্থনৈতিক প্রশ্ন লুকিয়ে আছে। আমরা কি অজান্তেই নিজের দেশের পর্যটন খাতকে দুর্বল করে দিচ্ছি?

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনোদনমূলক ভ্রমণের মাধ্যমে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ব্যবসায়িক কারণে ভ্রমণ স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু অবকাশ যাপনের জন্য যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তা দেশের ভেতরেই ব্যয় হলে হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, স্থানীয় ব্যবসা এবং হাজারো তরুণ উদ্যোক্তার জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারত।

বিশ্বের বহু দেশ পর্যটনকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে গড়ে তুলেছে। অনেক দেশ তাদের আয়ের বড় অংশ পর্যটন থেকে অর্জন করে। বাংলাদেশও চাইলে এই খাতে বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
বাংলাদেশ প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর। পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, সেন্ট মার্টিনের প্রবাল দ্বীপ, সাজেকের পাহাড়ি সৌন্দর্য, রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সবুজ, রাত্রির জলাবন রাটারগুল, কুয়াকাটার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নিদর্শন, লালবাগ কেল্লার ইতিহাস, বিছানাকান্দির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যসহ অসংখ্য দর্শনীয় স্থান বাংলাদেশের পর্যটনকে অনন্য করে তুলেছে।

এছাড়া বাংলাদেশের রয়েছে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। পহেলা বৈশাখ, নবান্ন উৎসব, বৈসাবি, বাউল গান, লোকনৃত্য, গ্রামীণ মেলা, জামদানি বয়নশিল্প, নকশিকাঁথা, মৃৎশিল্প এবং চা বাগানের জীবনধারা পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হতে পারে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্বল্প দূরত্বের ভ্রমণ। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে কোনো ভিসা বা বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন নেই। অল্প সময় ও কম খরচে দেশ ভ্রমণ করা সম্ভব।

তবুও মানুষ বিদেশমুখী হচ্ছে। কারণ তারা শুধু সৌন্দর্য নয়, নিরাপত্তা, পরিষ্কার পরিবেশ, সেবার মান এবং স্বচ্ছ খরচ চায়। অনেক পর্যটন এলাকায় ছুটির সময়ে হোটেল ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, পরিবহন ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা দেখা যায়, পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা থাকে না, পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যকেন্দ্র এবং প্রশিক্ষিত সহকারীর অভাব রয়েছে।

বাংলাদেশে পর্যটন খাত এখনো পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠেনি। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের অভাব রয়েছে। প্রতিটি পর্যটন এলাকাকে উন্নত করতে প্রয়োজন উন্নত অবকাঠামো, মানসম্মত সেবা, নিরাপদ পরিবহন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা।

উৎসবভিত্তিক ভ্রমণ পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদ, দুর্গাপূজা, নববর্ষ ও শীতকালীন ছুটিকে কেন্দ্র করে বিশেষ ভ্রমণ প্যাকেজ চালু করা গেলে মধ্যবিত্ত পরিবার সহজেই দেশ ভ্রমণে আগ্রহী হবে। ট্রেন, বাস, আবাসন ও খাবার একত্রে যুক্ত করে সাশ্রয়ী ভ্রমণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফর আরও কার্যকর করা দরকার। শিক্ষার্থীরা যদি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি সরাসরি দেখার সুযোগ পায়, তাহলে দেশ সম্পর্কে তাদের ভালোবাসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

পর্যটন শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক খাত। একজন পর্যটক যখন কোনো এলাকায় অর্থ ব্যয় করেন, তখন তা স্থানীয় মানুষের জীবিকায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফলে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
আমাদের মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি। বিদেশ ভ্রমণ খারাপ নয়, কিন্তু নিজের দেশকে উপেক্ষা করা ঠিক নয়। নিজের দেশ না জেনে শুধু বিদেশমুখী হওয়া আত্মপরিচয়ের দুর্বলতা তৈরি করে।

বাংলাদেশ ছোট দেশ নয়, এটি সম্ভাবনার দেশ। এখানে নদী আছে, পাহাড় আছে, সমুদ্র আছে, বন আছে, ইতিহাস আছে, সংস্কৃতি আছে এবং মানুষের আতিথেয়তা আছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিকল্পনা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং নিজের দেশকে নতুনভাবে দেখার মানসিকতা।

বছরে অন্তত একবার দেশ ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, স্থানীয় মানুষের আয় বাড়বে এবং পর্যটন খাত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। নিজের দেশকে জানা, দেখা এবং অনুভব করাই দেশপ্রেমের অন্যতম সুন্দর প্রকাশ।

লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

 

Ads small one

কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসানের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। এর আগে গত সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চাকলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরিফ হাসান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে একা একটি নৌকা নিয়ে কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরতে যান। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে একপর্যায়ে তাঁর নৌকার ওপর বজ্রপাত হয়। এতে তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদে পড়ে নিখোঁজ হন এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে পারলেও আরিফের কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে আরিফ হাসানের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে চিলতে ওই গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই নদের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ও সহজ গ্রাহকসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকেরা ঘরে বসেই অনায়াসে রিচার্জ করতে পারবেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখতে পারবেন। কিন্তু সাতক্ষীরায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রিপেইড মিটারের বর্তমান চিত্রটি ঠিক এর উল্টো। গত এক মাস ধরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে রিচার্জ করতে না পেরে শত শত গ্রাহককে তীব্র গরমের মধ্যে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সেবা সহজ করার আধুনিক এই মাধ্যমটি এখন গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তি, এমনকি কারও কারও ভাষায় ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পত্রদূত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের পাকাপোল এলাকার ওজোপাডিকোর গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে সকাল থেকেই নারী, পুরুষ, প্রবীণ ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমছে। অনেক বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। একদিকে ডিজিটাল রিচার্জ ব্যবস্থা অচল, অন্যদিকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের জন্য কাউন্টার সংখ্যা অপ্রতুল। ফলে মাত্র একটি বা দুটি কাউন্টারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দিনমজুর থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষকেও। যেখানে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, সেখানে সেবার নামে এমন এনালগ ও কষ্টদায়ক ব্যবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ওজোপাডিকোর আওতাধীন সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের গ্রাহক সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। এত বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের সেবা সচল রাখতে কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা কর্তৃপক্ষের প্রথম দায়িত্ব ছিল। অথচ এক মাস ধরে এই সংকট চললেও এখন পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন রিচার্জ সুবিধা চালু করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কাউন্টার বাড়ানোর যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা সাময়িক উপশম মাত্র, স্থায়ী সমাধান নয়।
আমরা মনে করি, আধুনিক সেবার মূল শর্তই হলো তা হয়রানিমুক্ত ও সহজলভ্য হতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে এসে সামান্য রিচার্জের জন্য মানুষকে কাজ ফেলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়া প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা ও দূরদর্শিতার অভাবকেই স্পষ্ট করে। অবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপগুলোর কারিগরি জটিলতা দূর করে ঘরে বসে রিচার্জের ব্যবস্থা সচল করতে হবে। একই সঙ্গে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে কাউন্টার ও লোকবল বাড়িয়ে লাইনে দাঁড়ানো মানুষের কষ্ট লাঘব করা জরুরি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করবে।

প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আরিফ হোসেন (৩৫) নামে এক মৎস্যজীবি নৌকা থেক পড়ে নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধার হলেও আরিফের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, চাকলা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হাই সানার ছেলে আরিফ হোসেন প্রতিদিনের ন্যায় নদীতে নৌকায় মাছ ধরার কাজে করছিল। হঠাৎ মেঘের গর্জন ও হাল্কা বৃষ্টিপাতের একপর্যায়ে নৌকায় বজ্রপাতে ঘটলে নৌকায় থাকা একমাত্র আরিফ হোসেন ছিটকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যায় এবং নৌকটিও নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নৌকাটি উদ্ধার করা গেলেও আরিফ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ আরিফ হোসেনের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীরা।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম সদস্য ও ডুবুরীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
আশাশুনি ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জাকির হোসেন জানান, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজে গিয়েছে।