শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকা ও সম্পাদক জিএম নূর ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকা ও সম্পাদক জিএম নূর ইসলাম

আজহারুল ইসলাম সাদী

“ইসলাম ট্রেডার্স” স্থানীয়, আঞ্চলিক ও সকল প্রকার জাতীয় দৈনিক সাপ্তাহিক পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকা বিক্রয়ের এক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম। এক কথায় সাতক্ষীরার পত্রিকাজগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ব্যক্তি জীবনে জিএম নূর ইসলাম ছিলেন একজন সফল মানুষ। তবে তাঁর এই সফলতার পেছনে ছিল নিরবিচ্ছিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস। প্রায় ৪০ বছর পূর্বে আব্দুল খালেক, গোলাম মোস্তফা ও ছোট ভাই নূর ইসলামগং পরিবার পরিজন নিয়ে সাতক্ষীরার সুলতানপুরে বসতি গড়েন। সেনাবাহিনীতে কর্মরত আব্দুল খালেকের সহায়তায় জিএম নূর ইসলাম সঙ্গীতা সিনেমা’র পার্শ্বে একটি মনোহরী দোকান করেন। আলতা, স্নো, পাউডার, রঙ-বেরঙের ভিউকার্ড ও সিনেমার ছোট পোস্টার সম্বলিত ক্যালেন্ডার ও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা বিক্রির মাধ্যমে তিনি কিছুটা স্বাবলম্বী হলেও একটা সময় মনোহরী ব্যবসাটা মনোপুত না হওয়ায় সাতক্ষীরা বাস টার্মিনাল এর দক্ষিণ প্রান্তে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “ইসলাম ট্রেডার্স “ স্থানান্তর করেন। এখানে সকল প্রকার পত্রিকার এজেন্সি নেন তিনি। পত্রিকার হকাররাও তাঁর বেঁধে দেওয়া শৃঙ্খলার বাইরে যেতে পারতেননা। পুরো সাতক্ষীরা জেলায় তিনি হয়ে উঠলেন পত্রিকার এজেন্সির ক্ষেত্রে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

ঢাকা থেকে প্রকাশিত কোনো পত্রিকা বের হলে সার্কুলেশন ম্যানেজারদের মনে যে নামটাই প্রথমে আসত, তা হলেন জিএম নূর ইসলাম-এর “ইসলাম ট্রেডার্স”। কিছুদিন পর সাতক্ষীরা বাস টার্মিনাল এর দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে মেন রাস্তার পাশে জমি ক্রয় করে নিজস্ব ভবনে “ইসলাম ট্রেডার্স” পুনরায় স্থানান্তর করেন।

সাংবাদিকতার মনোবাসনা নিয়ে খুলনা থেকে প্রকাশিত হুমায়ূন কবির বালু সম্পাদিত আঞ্চলিক পত্রিকা দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তার পর একটা সময় নিজে একটা পত্রিকা বের করার সিদ্ধান্ত নেন। পত্রিকার নাম দিলেন দৃষ্টিপাত। ২০০১ সাল থেকে দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয় প্রথমে দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার কলারোয়া উপজেলা প্রতিনিধি এড আব্দুল হামিদ। পরবর্তীতে প্রকাশক জিএম নূর ইসলাম সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দৈনিক দৃষ্টিপাত কে সুপরিচিত করেন। নিজে সকল পত্রিকার এজেন্ট হওয়া ও পত্রিকা বিক্রয়ের নিজস্ব হকার বাহিনী থাকায় সার্কুলেশন ক্যাপাসিটির কারণে পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা দ্রুত ব্যাপক আকার ধারণ করে। এখানে না বল্লেন নয় ১৯৯৬ সন থেকে আমি নিজে সংবাদকর্মী হিসেবে লেখালেখি শুরু করি।

পত্রিকা পড়া ও লেখালেখির প্রসার বৃদ্ধি করতে ১৯৯৯ সনে জিএম নূর ইসলাম ভাই এর ইসলাম ট্রেডার্স এ চাকুরি শুরু করি এবং ২০০৩ সনে আমি সাতক্ষীরা রেজিস্ট্রি অফিস এ ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার ব্যবসায় সম্পৃক্ত হই।

২০০১ সনে দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকা প্রকাশের প্রথম থেকে ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মহা মনিষীদের জীবন ভিত্তিক লেখালেখি করেছি। জিএম নূর ইসলাম দৃষ্টিপাত পত্রিকার নামানুসারে পরবর্তীতে তাঁর কাশেমপুরস্থ (মেহেদীবাগ) বাড়িতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত দৃষ্টি পিউর ড্রিংকিং ওয়াটারও বেশ সফলতা দেখিয়েছে। আন্তর্জাতিক ফিফা রেফারি তৈয়ব হাসান বাবুর সঞ্চয়কৃত অর্থ দিয়ে মেহেদীবাগে অবস্থিত মসজিদে কূবা ‘র জন্য জায়গা ক্রয় করেন।

ইসলামিক বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগীতা, মেডিকেল ও ডেন্টাল চক্ষু ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে মসজিদটি। মসজিদটি প্রতিষ্ঠায় যাদের অবদান অনস্বীকার্য জিএম নূর ইসলাম তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি আমৃত্যু মসজিদটির সভাপতি ছিলেন।

এছাড়া জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন কমিটির মাধ্যমে তিনি বিশিষ্ট নাগরিকদের একই প্লাটফর্মে এনে সাতক্ষীরার উন্নয়নে সচেষ্ট ছিলেন। সাংবাদিকতার নামে অসদুপায় অবলম্বন-এমন নজির ইসলাম ভাইয়ের মধ্যে কখনো কেউ দেখেনি। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তাঁর মধ্যে খুবই অসহায়ত্ব দেখা যেত। মানষিক ও শারীরিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। স্ত্রী সম্পর্কে তিনি প্রায়ই বলতেন-জীবীত থাকাকালে তাঁদের মধ্যে কোনদিন মনোমালিন্য হয়নি। কিছুদিন বেঁচে থাকলে তিনি হয়ত সাতক্ষীরার উন্নয়নে আরও অবদান রাখতে পারতেন। কিন্তু সেটা আর হলোনা। নিজ বাসভবনে পাচিলের পাশে প্রিয়তমা স্ত্রীর পাশে চিরদিনের জন্য সমাহিত হলেন তিনি। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব ও পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাংবাদিকরা বিভক্ত হয়ে পড়লে অধিকাংশ স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল-এর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আবুল কাসেম ও আসাদুজ্জামান কে সভাপতি সম্পাদক করে প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রেসক্লাবে গিয়ে মিটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সেদিন সভাপতি আবুল কাশেম-এর নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে যাওয়ার প্রাক্কালে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অভিভাবক হিসেবে জিএম নূর ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন’ “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রেসক্লাবে যাবো সকলেই।

যেয়ে হলরুমে মিটিং করবো এবং মিটিং শেষে আমরা যে যেখানেই থাকি প্রেসক্লাবে থাকবো… কাজকাম করবো। আমরা কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থায় না যাই, সকলেই সহমর্মিতার সাথে যাতে সেখানে আগমন করি। এই বিষয়টি সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, কারণ তারাও কিন্তু আমাদের সহকর্মী, আমরা যেনো সকলেই সুন্দর একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারি, সেটা মাথায় রেখে প্রেসক্লাবে যাবো। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে প্রাণের উচ্ছ্বাস: ডিসি কাপ ফুটবলের মেগা ফাইনাল আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে প্রাণের উচ্ছ্বাস: ডিসি কাপ ফুটবলের মেগা ফাইনাল আজ

এসএম হাবিবুল হাসান: শ্রাবণের পর ভাদ্রের আকাশ মেঘে ঢাকা, কখনো আবার রিমঝিম বৃষ্টিতে ভিজছে চারপাশ। বর্ষার এই সিক্ত মেজাজের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনে যেন ফিরে এসেছে নতুন প্রাণের স্পন্দন। রবিউল ইসলাম শিবলু, সৌম্য সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান, সাবিনা খাতুন কিংবা আফেইদা খন্দকার প্রান্তির মতো তারকাদের জন্ম দেওয়া এই জেলায় দীর্ঘদিন ঝিমিয়ে পড়েছিল খেলার জগত। টানা চার-পাঁচ বছর জেলা পর্যায়ে কোনো বড় ধরনের টুর্নামেন্ট না থাকায় যে খরা তৈরি হয়েছিল, বর্ষার নবধারার মতোই ‘জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ তা ধুয়েমুছে দিয়েছে।
আজ রবিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হবে কালিগঞ্জ উপজেলা ও আশাশুনি উপজেলা দল। এ খেলার মধ্য দিয়েই পর্দা নামবে এই অঞ্চলের ফুটবল উৎসবের।
সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্য, সাবেক ফুটবলার ইমাদুল হক খান জানান, সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়াঙ্গনের এক উর্বর ভূমি। দীর্ঘদিন জেলা পর্যায়ে খেলার আয়োজন না থাকায় কিছুটা স্থবিরতা এসেছিল। তবে চলতি মৌসুমে জেলা প্রশাসক কাপকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা অভূতপূর্ব। বৃষ্টির তোয়াক্কা না করেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল দর্শকে কানায় কানায় পরিপূর্ণ। এমনকি স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক অনুরাগী মাঠের ভেতর বসেই সুশৃঙ্খলভাবে খেলা উপভোগ করেছেন।
মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিসি কাপের পর জেলার প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ এবং প্রিমিয়ার কাপ ফুটবলের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনা সম্ভব হবে, যারা পরবর্তীতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করবে।
স্পোর্টস অঙ্গনের সাবেক সংগঠকদের মতে, এই ফুটবল টুর্নামেন্ট জেলাজুড়ে ক্রীড়া চর্চার এক দারুণ উদ্দীপনা তৈরি করেছে। সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক ক্রিকেটার মীর তাজুল ইসলাম রিপন মনে করেন, দীর্ঘদিন পর সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনে আবার সুবাতাস বইছে। এই আয়োজনের ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট, নারী ক্রিকেট এবং প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। এতে স্থানীয় উঠতি খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ বিস্তৃত হবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এ মোট ৮টি দল অংশ নেয়। প্রথম রাউন্ডের লড়াই আর উত্তেজনাপূর্ণ দুটি সেমিফাইনালের গ-ি পেরিয়ে আজ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি। বর্ষণসিক্ত মৌসুমে গ্যালারির গর্জন আর ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে আজ আবার মুখরিত হতে যাচ্ছে সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম। বর্ষার এই জাগরণ অব্যাহত থাকবে এবং স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গন আবার তার পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে পাবেÑএমনটাই প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

দেবহাটায় শ্মশানের জমি বিরোধ নিয়ে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় শ্মশানের জমি বিরোধ নিয়ে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন

দেবহাটা প্রতিনিধি: সুবর্ণাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জগদীশ সরকার শ্মশানের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ২৭ আগস্ট সকালে দেবহাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সুবর্ণাবাদ মহাশ্মশানের প্রতিষ্ঠাতা তাঁর বাবা নিরাপদ সরকার। তবে বাবার দান করা সম্পত্তি নিয়ে নয়, তাঁর নিজের রেকর্ডীয় জমি নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। শ্মশানের পরিত্যক্ত কাঠ তাঁর জমিতে রাখায় তিনি সেগুলো সরিয়ে নিজের জমিতে গাছ লাগান। কিন্তু পরবর্তীতে সেই গাছ উপড়ে ফেলে ও সীমানা প্রাচীর ভেঙে তা দখল করা হয়।
জগদীশ সরকার জানান, পরবর্তীতে প্রতিপক্ষরা ব্যর্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ ও সুদের ব্যবসার মিথ্যা অভিযোগ এনে মানববন্ধন করে। তিনি দাবি করেন, উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি অভিভাবকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যায় এবং বিদ্যালয়ে কোনো অনিয়ম ঘটে না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তিনি সঠিক বিচার প্রত্যাশা করেন।

দেবহাটায় সার ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় সার ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটার সখিপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক সার ব্যবসায়ীকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২৯ আগস্ট বেলা পাঁচটায় এ অভিযান পরিচালনা করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিলন সাহা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সখিপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’-এর ৪০ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ‘চাষী ঘর’-এর স্বত্বাধিকারী আজাহারুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা জানান, মজুত খাতা, রেজিস্টার খাতা ও ক্যাশ মেমো সঠিক না থাকায় এই জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।