শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

নওয়াঁবেকি থেকে উদ্ধার করা ৭৭ বস্তা ঝিনুক সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
নওয়াঁবেকি থেকে উদ্ধার করা ৭৭ বস্তা ঝিনুক সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: বন বিভাগের উদ্ধার করা ৭৭ বস্তা জীবিত ঝিনুক সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বন বিভাগের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

বন বিভাগ জানায়, অবৈধভাবে সংগ্রহ করা ঝিনুক উদ্ধার করার পর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে সেগুলোকে পুনরায় প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে ৭৭ বস্তা ঝিনুক অবমুক্ত করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা সজল দ্বীপ, মুন্সীগঞ্জ বন টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ মোস্তফা জাহিদ, সাতক্ষীরা বনমামলা পরিচালক ফরেস্টার জিয়াউর রহমান, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ হালিম, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ বন বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যরা।

জিয়াউর রহমান বলেন, বন আদালত এর আদেশক্রমে বনবিভাগের জব্দকৃত ঝিনুক সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঝিনুক নদীর বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলো পানির গুণগত মান রক্ষা এবং জলজ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই অবৈধভাবে ঝিনুক সংগ্রহ ও পাচার রোধে বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তারা আরও জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে বনজ সম্পদ সংরক্ষণে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বন বিভাগের এ ধরনের উদ্যোগ সুন্দরবনের পরিবেশ ও জলজ প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

 

 

Ads small one

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে গড়েরকান্দায় যুবসমাজের নতুন কমিটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে গড়েরকান্দায় যুবসমাজের নতুন কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: “একটি পরিবার ধ্বংসের জন্য একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিই যথেষ্টÑজীবনকে ভালোবাসুন, মাদক থেকে দূরে থাকুন”Ñ এই আহ্বানে সাতক্ষীরার গড়েরকান্দা এলাকার প্রবীণ ও যুবসমাজ এক ছাতার নিচে সমবেত হয়েছেন। তরুণদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা এবং সামাজিক কল্যাণ সুসংহত করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সংঘ’।

সম্প্রতি এক সুধী সমাবেশের মাধ্যমে অরাজনৈতিক এই সামাজিক সংগঠনটির ২০২৬ মেয়াদের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটিতে মো. রাজু আহমেদকে (রাজু) সভাপতি এবং এম. বেলাল হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির মূল লক্ষ্য তরুণদের ইতিবাচক মানসিকতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করা। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা, ক্রীড়া চর্চা বৃদ্ধি এবং নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম সুনির্দিষ্টভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ ও তরুণদের সমন্বয়ে একটি সুসংগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদ ও বৃহৎ সদস্য দল গঠন করা হয়েছে।

নতুন কমিটির উপদেষ্টা পরিষদসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে উপস্থাপন করা হলো: উপদেষ্টাম-লীর সদস্যরা হলেনÑ শেখ শামসুর (ইটাগাছা), মো. আশরাফ আলী (ইটাগাছা), মো. আফছার আলী, মো. আব্দুস সালাম (ইটাগাছা), মো. আমিনুর ইসলাম (ইটাগাছা), মো. বাক্কার ঢালী, মো. আয়ুব আলী (ইটাগাছা), বাবলু সরদার, মো. আবুল কালাম (রহমতপুর), মো. জাকির হোসেন, মো. ফজলু সানা, মো. হযরত আলী, মো. মুতালেব হাজী, মো. আবুল কাশেম ঢালী, মো. মিনার আলী, মো. ফারুক হোসেন (জাসাস) ও মো. মিলন হোসেন।

কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ-সভাপতি যথাক্রমে মো. ইয়াসিন মোল্যা বাবু (ইটাগাছা), মো. রবিউল ইসলাম (রহমতপুর), মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সহিদুল ইসলাম (ইটাগাছা)। সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সহ-সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে মো. রেজাউল ইসলাম (রহমতপুর), মো. শুকুর আলী (ইটাগাছা), মো. মফিজুল ইসলাম (ইটাগাছা) ও মো. আক্তার হোসেন (আব্দুল্লাহ)। কোষাধ্যক্ষ যথাক্রমে মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ইটাগাছা), মো. হযরত আলী সরদার ও মো. অহিদুজ্জামান অহিদ।

 

সাংগঠনিক সম্পাদক যথাক্রমে মো. মিলন গাজী, মো. কিসলু ঢালী, মো. জামির হোসেন (ইটাগাছা), মো. বাপ্পি আহমেদ ও মো. সেকেন্দার গাইন। দপ্তর সম্পাদক যথাক্রমে মো. আব্দুর রহিম, মো. আবু সাঈদ, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. বদর আলী ও মো. আজাদুল ইসলাম (ইটাগাছা)। প্রচার সম্পাদক যথাক্রমে মো. সাইদুল ইসলাম ঢালী, মো. আশিকুর রহমান (আশিক), মো. রমজান আলী সরদার, মো. সাগর হোসেন (ইটাগাছা), মো. আবুল কামাল আজাদ ও মো. মুছা গাজী। ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন যথাক্রমে ইমাম ও খতিব, ইটাগাছা গড়েরকান্দা বায়তুন নূর জামে মসজিদ, ইমাম ও খতিব, রহমতপুর জামে মসজিদ। ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক যথাক্রমে মো. আজমীর হোসেন, মো. ইশার আলী, মো. নাঈম হোসেন (ইটাগাছা), মো. ফিরোজ হোসেন, মো. জাহিদ হাসান, মো. সাহেব আলী (ইটাগাছা), মো. মঈনুর ঢালী ও মো. রুহুল আমিন (ইশার)।

 

পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক যথাক্রমে মো. সালাউদ্দীন আলী (ইটাগাছা), মো. মনিরুল ইসলাম, মো. মাসুম বিল্লাহ (ইটাগাছা), মো. নাছিম গাজী (ইটাগাছা), মো. আব্দুর রহমান, মো. মিলন সরদার ও মো. ফজলুর রহমান। সদস্যবৃন্দ হলেনÑ মো. মহিদুল ইসলাম, মো. আজগার আলী, মো. ইমান আলী সরদার, মো. শুকুর আলী, মো. আনারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. আবুল কালাম, মো. সুবহান মোল্যা, মো. সাহেব আলী, মো. নওশের আলী, মো. খোকন (নিতাই), মো. কামাল গাজী, মো. আবুল হোসেন, মো. মজিবর রহমান, মো. বাবু সরদার, মো. ফজলু সরদার, মো. হাসান, মো. বাবু, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সাকিল গাজী, মো. মেহের আলী সরদার, মো. কবির হোসেন, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. আফসার আলী, মো. রমজান আলী, মো. মিজানুর রহমান, মো. সেলিম হোসেন, মো. আলম সরদার, মো. শাহআলম সরদার, মো. মিলন সরদার, মো. সালমান, মো. আল-আমিন, মো. নিহাদ ইসলাম, মো. রিফাত ইসলাম, মো. হাফিজুল গাজী, মো. জাহাঙ্গীর গাজী, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. সাজ্জাত হোসেন, মো. বাবুর আলী সরদার (জিয়াদ বাবু), মো. ছবুর মোল্যা, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. বাবুল সরদার, মো. শাহাজাহান (সাজু), মো. আব্দুস সালাম, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. পল্টু সরদার, মো. জিয়াদুল, মো. আব্দুল খালেক, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. আব্দুল মালেক, মো. হবিবুর রহমান (হবি), মো. কুরবান আলী, মো. সুমন সরদার, মো. নাজমুল ইসলাম, মো. রবিউল ইসলাম ও মো. মফিজুল ইসলাম।

কমিটি গঠন শেষে সংগঠনটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ বলেন, ‘মাদকাসক্তি একটি পরিবারকে তিলে তিলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। এই সংঘ কেবল একটি সাধারণ কমিটি নয়, এটি একটি সামাজিক প্রতিরোধ আন্দোলন। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক পরামর্শের সঙ্গে তরুণদের উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে সাতক্ষীরায় সামাজিক সচেতনতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করাই আমাদের লক্ষ্য।’

ইটাগাছা ও গড়েরকান্দার সর্বস্তরের বাসিন্দাদের সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়েই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।

 

 

 

 

কপোতাক্ষে কচুরিপানার জট: ৫ উপজেলার ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কপোতাক্ষে কচুরিপানার জট: ৫ উপজেলার ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কা

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: বর্ষার শুরুতেই উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও পলি-কচুরিপানার চাপে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অতি গুরুত্বপূর্ণ কপোতাক্ষ নদ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। কচুরিপানা ও শেওলার স্তূপ জমে নদীর স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার পাঁচটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইতিমধ্যে যশোর ও সাতক্ষীরার ঝিকরগাছা, মনিরামপুর, কেশবপুর, কলারোয়া ও তালা উপজেলার পাঁচ শতাধিক বিলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, মনিরামপুর ও ঝিকরগাছার বাওড়গুলো থেকে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ কচুরিপানার চাপে সম্প্রতি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাড়ীর কাঠের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। এছাড়া তালা উপজেলার মাগুরা বাজারের নির্মাণাধীন ব্রিজের সংলগ্ন বাঁশের সাঁকোতেও কচুরিপানা আটকে নদীর পানি প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড সড়কসহ আশপাশের এলাকা ইতিমধ্যে জলমগ্ন।

 

এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজা স্বর্ণার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

তালায় একই দিনে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ, কনের বাবাকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
তালায় একই দিনে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ, কনের বাবাকে জরিমানা

তালা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খলিষখালী ও মাগুরা ইউনিয়নে একই দিনে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক কনের বাবাকে জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে খলিষখালী ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তালা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান। আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতির দায়ে কনের বাবা আবুল হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

আবুল হোসেন জরিমানার অর্থ পরিশোধ করার পাশাপাশি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন। একই সময় বিয়েতে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অন্যদিকে, একই দিনে মাগুরা ইউনিয়নের চাঁদকাটী গ্রামে অপর একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মীরা সেখানে পৌঁছান এবং মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করে বিয়েটি বন্ধ করে দেন।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরা জেলার ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানান, সাতক্ষীরা জেলা বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে এই দুই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের কর্মী ও জেন্ডার প্রমোটারসহ বিভিন্ন শিক্ষা কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।