বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা যেসব সুবিধা পাবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা যেসব সুবিধা পাবেন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বনিম্ন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই রাখা হয়েছে। মূল বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে প্রায় পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী নতুন পে-স্কেলের আওতায় আসবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যার ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এখনও সিদ্ধান্তের পর্যায়ে রয়েছে।

সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের আওতায় আনলে তাদের বেতন-ভাতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। কারণ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তাদের অনুমোদিত গ্রেডের মূল বেতনের শতভাগ এমপিও হিসেবে পেয়ে থাকেন।

বাড়বে মূল বেতন

নতুন পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আনা হলে সবচেয়ে বড় সরাসরি সুবিধা হবে মূল বেতন বৃদ্ধি। তাদের যে গ্রেডে এমপিও রয়েছে, সেই গ্রেডের নতুন পে-স্কেলের মূল বেতন কার্যকর হলে বর্তমানের তুলনায় বেতন বাড়বে।

এমপিওভুক্ত নীতিমালা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রেডের মূল বেতনের শতভাগ পেয়ে থাকেন। ফলে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিদ্যমান গ্রেড অনুযায়ী নতুন বেতন নির্ধারণ করা হলে, প্রচলিত এই নিয়মেই তারা নতুন স্কেলের বর্ধিত মূল বেতনের সুবিধা পাবেন।

নতুন কাঠামোয় প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হয়েছে। অন্যদিকে নিম্ন গ্রেডগুলোতে তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। ২০তম গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।

ফলে কোনও এমপিওভুক্ত শিক্ষককে তার বিদ্যমান গ্রেডের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হলে তার মূল বেতনও সংশ্লিষ্ট নতুন হারে নির্ধারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

বাড়বে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট

মূল বেতন বাড়ার ফলে পরবর্তী সময়ে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের অংকও বাড়বে। অর্থাৎ নতুন পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণের পর পরবর্তী ইনক্রিমেন্ট তুলনামূলক বেশি মূল বেতনের ভিত্তিতে হিসাব হবে।

বাড়বে উৎসব ও বৈশাখী ভাতা

মূল বেতনের সঙ্গে সম্পর্কিত উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতার অংকও নতুন মূল বেতন অনুযায়ী বাড়তে পারে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এসব সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন বা পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্তে স্পষ্ট হবে।

বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতায় সুবিধার সুযোগ

নতুন পে-স্কেলে মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার কাঠামোও পরিবর্তন করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এসব ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করা হলে তাদের ক্ষেত্রেও এসব সুবিধা প্রযোজ্য হবে কি না, তা আলাদা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে।

অবসর সুবিধাতেও প্রভাব পড়তে পারে

মূল বেতন বাড়লে বেতননির্ভর অবসরকালীন ও কল্যাণ সুবিধার হিসাবেও প্রভাব পড়তে পারে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার নির্দিষ্ট কাঠামো অনুযায়ী এ সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, সেটি পরবর্তী সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে।

মূল বিষয় এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত

নতুন পে-স্কেল অনুমোদন হলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন পে-স্কেলের অংশ হয়ে যাচ্ছেন না। তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সরকারকে আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন পে-স্কেলের মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, উৎসব ও বৈশাখী ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি তাদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

অর্থাৎ, নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে তাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে গ্রেড অনুযায়ী নতুন ও বর্ধিত মূল বেতন পাওয়া। এর সঙ্গে মূল বেতননির্ভর অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

Ads small one

শ্যামনগরে রাতের আঁধারে কৃষকের ৩০০ কুমড়াগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে রাতের আঁধারে কৃষকের ৩০০ কুমড়াগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে রাতের আঁধারে কৃষকের ঘেরের ভেড়িতে লাগানো ৩০০ কুমড়াগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. আশরাফুল হোসেন (৩০)। উপজেলার ভূরুলিয়া ইউনিয়নের চালিতাঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্যামনগর থানায় হাজির হয়ে অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, চালিতাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল হোসেন পাঁচ বিঘা জমির ঘেরের ভেড়িতে বর্ষাকালীন সবজি হিসেবে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেন। সেখানে তিন শতাধিক মিষ্টি কুমড়ার গাছ ছিল। প্রতিটি গাছে প্রায় ১২ থেকে ১৫টি করে কুমড়া ধরেছিল। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তাঁর ঘেরের ভেড়িতে ঢুকে সবগুলো গাছ কেটে দেয়।

অভিযোগে আশরাফুল হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন রাতে তাঁর দুই প্রতিবেশী সাইফুল সরদার ও রাসেল সরদার ঘেরের পাশে তাঁর পূর্বপরিচিত দুই ব্যক্তিকে অবস্থান করতে দেখেছেন। এ কারণে তাঁদের সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে ওই ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

সরেজমিনে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখা যায়, ঘেরের ভেড়িতে লাগানো গাছে কুমড়া ঝুলছে কিন্তু প্রতিটি গাছের গোড়া কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আশরাফুল ইট ভাঁটায় লেবারি করেন। তিনি ৫ বিঘা জমি হারি নিয়ে মাছ চাষ এবং তার ঘেরের ভেড়িতে সবজি চাষ শুরু করেন।

ভূরুলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনারুল হক বলে, মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে তাই বলে এমন ক্ষতি করে না। প্রশাসনের কাছে অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

ভুক্তভোগী আশরাফুল হোসেন বলেন, ‘আমার কষ্টের চাষ করা মিষ্টি কুমড়ার গাছগুলো কেটে দেওয়ায় আমি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

কলারোয়ায় চিরনিদ্রায় সমাহিত হলেন সমাজসেবক আব্দুল আজিজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় চিরনিদ্রায় সমাহিত হলেন সমাজসেবক আব্দুল আজিজ

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় চিরনিদ্রায় সমাহিত হলেন উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চুর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল আজিজ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জানাজা নামাজ শেষে কলারোয়া তুলসীডাঙ্গা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।

 

উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

 

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব মোল্লা ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সঞ্চালনায় জানাজা পূর্ব আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর, প্রফেসর আব্দুল মজিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, সাবেক সহ সভাপতি অধ্যক্ষ রইছ উদ্দীন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক মেয়র আকতারুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামারুজ্জামান, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, আলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহম্মদ আলী, মরহুমের বড় পুত্র শেখ আব্দুল কুদ্দুস বাবলু, মেজ পুত্র উপজেলা বিএনপির শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক রাশেদুল হাসান কামরুল প্রমুখ।

 

জানাজায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলিয়া কামিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আইয়ুব আলী, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, পৌর জামায়াতের আমীর সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, পৌর বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আখলাকুর রহমান শেলী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রসুল, বিএনপি নেতা এমএ রব শাহিন, মফিজুল ইসলাম মফি, খালিদ খান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, বাফুফের জেলা সদস্য, পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মশিয়ার রহমান, প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক এম এ সাজেদ, সদস্য প্রধান শিক্ষক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সহকারী অধ্যাপক কে এম আনিছুর রহমান, প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, কাজী সিরাজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোসলেম আহমেদ, রমজান আহমেদ, জিয়াউর রহমান, মনিরুল ইসলাম মনি, শিক্ষক সালাহ উদ্দিন, যুবদল নেতা রুহুল আমীন খোকন, সহিদুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন মুফতি খায়রুল ইসলাম।

 

উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সমাজসেবক আব্দুল আজিজ।

সুন্দরবনের কলাগাছিয়ায় অবমুক্ত করা হলো উদ্ধারকৃত অজগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের কলাগাছিয়ায় অবমুক্ত করা হলো উদ্ধারকৃত অজগর

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা অজগর সাপটি অবশেষে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকায় অজগর সাপটি অবমুক্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন ও কলাগাছিয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুলজ দ্বীপ।

এর আগে বুধবার সকাল ৯টার দিকে নীলডুমুর এলাকার আতিয়ার রহমান গাজীর ছেলে মুক্তার গাজীর মুরগির কোঠার ভেতর থেকে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন বন বিভাগ ও কমিউনিটি প্যাট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যরা। উদ্ধারকৃত অজগরটির দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৮ থেকে ১০ ফুট এবং ওজন ২৫ থেকে ৩০ কেজি বলে জানা যায়।

উদ্ধারের পর সাপটিকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে।