মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র, নাকি প্রতিহিংসার রাজনীতি?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ন্যায়বিচারের রাষ্ট্র, নাকি প্রতিহিংসার রাজনীতি?

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎‎বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতার পালাবদল গণতন্ত্রের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু প্রতিটি ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যদি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার, মামলা, হয়রানি, রাজনৈতিক প্রতিশোধ কিংবা বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ সামনে আসে, তাহলে একটি মৌলিক প্রশ্ন অনিবার্য হয়ে ওঠে আমরা কি সত্যিই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছি, নাকি প্রতিহিংসার এক অন্তহীন রাজনৈতিক চক্রের মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছি?

‎বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দেখা গেছে, ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটলেও রাজনৈতিক সংস্কৃতির কাঙ্খিত পরিবর্তন সব সময় ঘটেনি। যে দল বিরোধী অবস্থায় থেকে দমন-পীড়নের অভিযোগ করেছে, ক্ষমতায় গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। এই পুনরাবৃত্তি বাস্তবতা জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করে এবং গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা দুর্বল করে।

‎আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক হয়রানি ও বিরোধী মত দমনের অভিযোগ তুলেছে। এসব অভিযোগের যেগুলো তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হবে, সেগুলোর অবশ্যই আইনানুগ বিচার হওয়া উচিত। একইভাবে বর্তমান সময়ে যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠলে তারও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কারণ আইনের শাসনের মূলনীতি হলো আইন ব্যক্তি বা দলের পরিচয় নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োগ হবে।

‎বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন মহলে এমন অভিযোগও আলোচিত হচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মী, যাদের বিরুদ্ধে অতীতে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ছিল না এবং যারা নিজ নিজ এলাকায় সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ছিলেন, তারাও বিভিন্ন মামলায় আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের একমাত্র বৈধ ক্ষেত্র আদালত। তবে এ ধরনের আলোচনা যখন জনপরিসরে বিস্তৃত হয়, তখন বিচারব্যবস্থা ও আইনের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

‎একইভাবে আইনজীবী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে মাঝে মাঝে এমন অভিযোগও উঠে আসে যে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত থেকে জামিন লাভের পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট আদালত ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অনুসন্ধান ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিষয়। তবে এমন ধারণা যদি জনমনে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

‎একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অপরাধের দায় ব্যক্তির, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের নয়। কোনো দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত বা কর্মকান্ডের দায় সেই দলের প্রতিটি সাধারণ কর্মীর ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্তায় না। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিচার অবশ্যই হতে হবে। আবার নির্দোষ ব্যক্তি যেন রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এটাই আইনের শাসনের প্রকৃত চেতনা।

‎বাংলাদেশের ইতিহাস আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয় প্রতিহিংসার রাজনীতি কখনো স্থায়ী সমাধান এনে দেয় না। আজ যারা ক্ষমতায়, কাল তারা বিরোধী দলে যেতে পারেন; আবার আজ যারা বিরোধী, ভবিষ্যতে তারাই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারেন। ফলে আজ যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে, আগামী দিনে তার প্রভাব পড়বে সব রাজনৈতিক দলের ওপরই।
‎গণতন্ত্রের শক্তি প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার মধ্যে নয়; বরং ভিন্নমতকে সাংবিধানিক ও আইনসম্মত কাঠামোর মধ্যে নিরাপদ রাজনৈতিক পরিসর দেওয়ার মধ্যেই নিহিত। রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার নিষ্পত্তি হওয়া উচিত জনগণের রায়ে, প্রশাসনিক প্রভাব বা প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়।

‎বাংলাদেশের মানুষ বহু সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন লালন করেছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে তখনই, যখন আইনের শাসন বাস্তব অর্থে প্রতিষ্ঠিত হবে, বিচারব্যবস্থা হবে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং কোনো নাগরিক তার রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে বৈষম্য বা অনিশ্চয়তার শিকার হবেন না।
‎আজ সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে পরাজিত করা নয়; বরং রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠন করা। সেই আস্থার ভিত্তি হতে পারে একটিই অপরাধীর বিচার হবে, কিন্তু নির্দোষের অধিকারও সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে; আইন হবে নিরপেক্ষ, বিচার হবে প্রমাণভিত্তিক এবং রাষ্ট্র হবে সব নাগরিকের সমান আশ্রয়স্থল।

‎প্রতিহিংসার রাজনীতি কোনো জাতির জন্য স্থায়ী সমাধান নয়। ন্যায়বিচার, জবাবদিহি, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের ওপর দাঁড়িয়েই একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।

‎‎‎লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ, সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

Ads small one

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে, পেনাল্টি মিস, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের একের পর এক দুর্দান্ত সেভ। তার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোল হজম! দুই গোলে পিছিয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। পড়ে যায় বিদায়ের শঙ্কার মুখে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন তারা। যারা শেষ মুহূর্তেও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। রুদ্ধশ্বাস লড়াই উপহার দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শেষভাগে ৪ মিনিটের ব্যবধানে মেসি ম্যাজিকে ম্যাচে ফেরে তারা। দুই গোল শোধ দিয়ে সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও ম্যাচের ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় মিসর। শর্ট কর্নার থেকে আতিয়ার ক্রসে নিখুঁত হেডে গোল করেন ইব্রাহিম। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা।

২১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল লিওনেল স্ক্যালোনির দল। পেনাল্টি আদায় করলেও স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক শোবাইর।

এরপর ২৮ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের নিখুঁত ক্রস থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডও রুখে দেন শোবাইর। ৩৯ মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে হুলিয়ান আলভারেজের প্রথম ছোঁয়ার শটও দুর্দান্ত সেভে পোস্টের বাইরে পাঠিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধ শেষে তাই ১-০ গোলের লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে মিসর।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৭ মিনিটে জিকোর গোল আরও বড় আঘাত হয়ে আসে আলবিসেলেস্তে শিবিরে। শঙ্কা জাগে এখানেই কি শেষ আর্জেন্টিনার? কিন্তু শেষভাগে ম্যাচের চেহারাই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।

চার মিনিট পরই আসে মেসি ম্যাজিক। মিসরের ডিফেন্ডারদের ভুলে গনসালো মন্তিয়েলের পাস পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় জোরালো শট নেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। শোবাইর বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ক্রসবারে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। তাতেই ২-২ সমতায় ফেরে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নাটকীয়তার শেষটা লিখেছেন এনসো ফার্নান্দেস। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তার গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে মেসির দল।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

জাতীয় স্বার্থ ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পাটকেলঘাটার কাটাখালি অঞ্চলে কপোতাক্ষ নদের খননকৃত মাটি অবৈধভাবে বিক্রি ও পাচারের যে খবর সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খননের মূল উদ্দেশ্য যেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, সেখানে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের পকেট ভারী করতে এই প্রকল্প এখন স্থানীয়দের জন্য উল্টো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন-রাত ট্রাক ও ট্রলিযোগে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে কপোতাক্ষ তীরের গ্রামগুলোতে আসন্ন বর্ষায় ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী, খননকৃত মাটি নদী তীরবর্তী বেড়িবাঁধ শক্তিশালী করতে বা সরকারি নির্দেশনানুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই সেই মাটি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা, বাড়ি ও বেসরকারি জমি ভরাটের কাজে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই পুরো অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছে। জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক স্বার্থকে এভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কপোতাক্ষ তীরের বাসিন্দাদের এই ক্ষোভ ও আশঙ্কা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

নদী অববাহিকার মানুষের জীবন-জীবিকা এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করে টিকে থাকে। তার ওপর ভরা বর্ষা মৌসুমে যখন নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বেড়িবাঁধ বা নদীর তীর থেকে এভাবে মাটি সরানো চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে; তলিয়ে যেতে পারে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের।

আমাদের বক্তব্য স্পষ্টÑ কেবল মুখের আশ্বাস বা তদন্তের আনুষ্ঠানিকতায় সাধারণ মানুষের এই গভীর উৎকণ্ঠা দূর হবে না। তালা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ঘটনাস্থলে পাঠানোর উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে মাঠপর্যায়ে এর দৃশ্যমান ও কঠোর প্রতিফলন দেখতে চায় কপোতাক্ষপাড়ের মানুষ।

আমরা মনে করি, অবিলম্বে এই মাটি পাচার চক্রের অবৈধ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। কপোতাক্ষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই লুটেরা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে, বর্ষার তীব্রতা বাড়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। কপোতাক্ষ তীরবর্তী হাজার হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে প্রশাসন অতি দ্রুত কঠোর ও আপসহীন ভূমিকা পালন করবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ১ : ২ মিসর
আর্জেন্টিনার হয়ে এক গোল শোধ করলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।