মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পথশিশুদের ঈদ আর বেঁচে থাকার লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
পথশিশুদের ঈদ আর বেঁচে থাকার লড়াই

প্রকাশ ঘোষ বিধান

ঈদ প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে একটি বিশেষ ধর্মীয় উৎসব, যা সারা দেশজুড়ে সকলের হৃদয়ে আনন্দ ও ঐক্যের বার্তা বয়ে আনে। ঈদ উদযাপন শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি মানবতার ন্যায়বিচার ও সহমর্মিতার প্রতীক। পথশিশুদের কাছে ঈদ যেন হতাশার না হয়, সত্যিকারের অর্থে ঈদের আনন্দ প্রকাশ পায়।

 

ঈদ আসলে সবচেয়ে বেশী আনন্দ করে শিশুরাই। পথশিশুদের ঈদ আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন সমাজের প্রতিটি মানুষ তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়। সুবিধাাবঞ্চিত এই শিশুদের ঈদের খুশি সাধারণ শিশুদের চেয়ে একদম আলাদা এবং অনেক বেশি কষ্টের ও প্রত্যাশার। পথশিশুদের কাছে ঈদ উৎসবের চেয়েও কঠিন বাস্তবতায় বেঁচে থাকার লড়াই।

 

পথশিশুদের কাছে ঈদ মানেই কেবল নতুন পোশাক বা উন্নত খাবার নয়, বরং দৈনন্দিন বেঁচে থাকার লড়াইয়ের বাইরে একটু স্বস্তি ও আনন্দের নিঃশ্বাস। পরিবারহীন বা সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের জন্য ঈদ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সমাজের বিত্তবান ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাদের পাশে দাঁড়ায় এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোর উদ্যোগ নেয়।

 

সাধারণ শিশুদের মতো পথশিশুদের নতুন জামা, জুতো এবং ঈদের উপহার পাওয়ার ইচ্ছা থাকে। ঈদের দিন সাধারণ শিশুদের মতো নতুন জামা, ভালো খাবার বা সালামি তাদের ভাগ্যে জোটে না। সাধারণ শিশুদের মতো পথশিশুদের কোনো ছুটির দিন থাকে না। ঈদ এলে তাদের জীবনে কোনো পরিবর্তন আসে না, বরং অন্যান্য দিনের মতোই বেঁচে থাকার জন্য তাদের সংগ্রাম করতে হয়। নতুন পোশাক, মিষ্টি-সেমাই বা স্বজনদের সাথে সময় কাটানো তাদের জন্য একপ্রকার স্বপ্নের মতোই। তবে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী ও সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের মাঝে নতুন জামা ও খাবার বিতরণ করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

 

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে সমাজের অনেক মানুষ ও সংগঠন নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিশুদের পছন্দ অনুযায়ী নতুন জামা কিনে দেয়। ঈদের দিন বিভিন্ন এলাকায় পথশিশুদের জন্য উন্নত খাবার যেমন; বিরিয়ানি, পোলাও বা মিষ্টির আয়োজন করা হয়। নতুন পোশাকের সাথে শিশুদের খেলনা এবং ঈদের সালামি হিসেবে ছোট অঙ্কের টাকাও দেওয়া হয়। নতুন জামা পাওয়ার আনন্দ তাদের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার। ঈদের দিন পেটপুরে পোলাও-মাংস খাওয়া তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পরিবারের অভাব বা অনুপস্থিতি তাদের ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দেয়।

 

পথশিশুদের কাছে ঈদ কোনো উৎসব নয়, বরং এটি তাদের নিত্যদিনের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের আরেকটি কঠিন দিন। নতুন পোশাক, মিষ্টি সেমাই বা পরিবারের সান্নিধ্যের পরিবর্তে তাদের দিন কাটে ফুটপাতে বা ডাস্টবিনে খাবার খুঁজে, ফুল বিক্রি করে বা অন্যের করুণার ওপর নির্ভর করে।

 

পথশিশু, বাড়ি নেই, ঘর নেই ; পরিবার নেই, পরিচয় হিন নিঃসঙ্গ জীবনে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই। পরিবারের অভাব-অনটন, ভাঙন বা অন্য কোনো কারণে ঘরছাড়া এসব শিশুর ঠিকানা হয় রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল বা পার্কের বেঞ্চ। কোনো নির্দিষ্ট আয়ের উৎস না থাকায় প্রতিটি মুহূর্তই তাদের জন্য টিকে থাকার যুদ্ধ। বাংলাদেশে রাস্তার পথশিশুদের সংখ্যা নিয়ে সরকারি কোনো পরিসংখ্যান নেই, আর তাদের সংখ্যা স্পষ্ট করা প্রায় অসম্ভব, যা বছরে বাড়ছে।

 

২০২৪ সালে প্রকাশিত চিলড্রেন লিভিং ইন স্ট্রিট সিচুয়েশন ইন বাংলাদেশ ২০২৪ শীর্ষক ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে দেশে ন্যূনতম ৩৪ লাখ পথশিশু আছে বলে উল্লেখ করা হয়। ইউনিসেফের জরিপে দেখা যায়, ৯১ শতাংশ পথশিশু কাজ করে। ২০ দশমিক ৯ শতাংশ পথশিশু বর্জ্য সংগ্রহের কাজ করে। পথশিশুদের ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ ভিক্ষাবৃত্তি ও ভিক্ষায় সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া হোটেল, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকান, ধোয়ামোছা ও হকার হিসেবেও কাজ করে।

 

পথশিশুদের ঈদের আনন্দের অংশীদারহতে বিত্তবানরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। আপনার সাধ্যমতো নতুন বা পরিষ্কার পুরোনো পোশাক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে বিতরণ করতে পারেন। ঈদের দিন কিছু প্যাকেট খাবার কিনে পথশিশুদের হাতে তুলে দিতে পারেন। কোনো নির্ভরযোগ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে আয়োজিত ঈদ আনন্দ উৎসবে আর্থিক বা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সহায়তা করতে পারেন।

 

পথশিশুদের জন্য ঈদের আনন্দ সাধারণত অন্য দশটা শিশুর মতো সহজ বা স্বাভাবিক হয় না, তবে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা হয়। আমাদের সামান্য সহানুভূতি এবং একটুখানি ভাগাভাগি পথশিশুর ঈদকে চিরস্মরণীয় করে তুলতে পারে। পথশিশুদের ঈদের দিনটিকে একটু রঙিন ও আনন্দময় করে তুলতে আমাদের সকলেরই এগিয়ে আসা উচিত।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসানের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। এর আগে গত সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চাকলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরিফ হাসান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে একা একটি নৌকা নিয়ে কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরতে যান। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে একপর্যায়ে তাঁর নৌকার ওপর বজ্রপাত হয়। এতে তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদে পড়ে নিখোঁজ হন এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে পারলেও আরিফের কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে আরিফ হাসানের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে চিলতে ওই গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই নদের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ডিজিটাল সেবার নামে এনালগ ভোগান্তি বন্ধ হোক

প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ও সহজ গ্রাহকসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রাহকেরা ঘরে বসেই অনায়াসে রিচার্জ করতে পারবেন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রাখতে পারবেন। কিন্তু সাতক্ষীরায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) প্রিপেইড মিটারের বর্তমান চিত্রটি ঠিক এর উল্টো। গত এক মাস ধরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে রিচার্জ করতে না পেরে শত শত গ্রাহককে তীব্র গরমের মধ্যে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে এসে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সেবা সহজ করার আধুনিক এই মাধ্যমটি এখন গ্রাহকদের জন্য নতুন ভোগান্তি, এমনকি কারও কারও ভাষায় ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পত্রদূত পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের পাকাপোল এলাকার ওজোপাডিকোর গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে সকাল থেকেই নারী, পুরুষ, প্রবীণ ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমছে। অনেক বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। একদিকে ডিজিটাল রিচার্জ ব্যবস্থা অচল, অন্যদিকে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের জন্য কাউন্টার সংখ্যা অপ্রতুল। ফলে মাত্র একটি বা দুটি কাউন্টারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দিনমজুর থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষকেও। যেখানে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, সেখানে সেবার নামে এমন এনালগ ও কষ্টদায়ক ব্যবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ওজোপাডিকোর আওতাধীন সাতক্ষীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের গ্রাহক সংখ্যা ৪৫ হাজারের বেশি। এত বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের সেবা সচল রাখতে কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা কর্তৃপক্ষের প্রথম দায়িত্ব ছিল। অথচ এক মাস ধরে এই সংকট চললেও এখন পর্যন্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন রিচার্জ সুবিধা চালু করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কাউন্টার বাড়ানোর যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা সাময়িক উপশম মাত্র, স্থায়ী সমাধান নয়।
আমরা মনে করি, আধুনিক সেবার মূল শর্তই হলো তা হয়রানিমুক্ত ও সহজলভ্য হতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে এসে সামান্য রিচার্জের জন্য মানুষকে কাজ ফেলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হওয়া প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা ও দূরদর্শিতার অভাবকেই স্পষ্ট করে। অবিলম্বে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপগুলোর কারিগরি জটিলতা দূর করে ঘরে বসে রিচার্জের ব্যবস্থা সচল করতে হবে। একই সঙ্গে এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ওজোপাডিকো কার্যালয়ে কাউন্টার ও লোকবল বাড়িয়ে লাইনে দাঁড়ানো মানুষের কষ্ট লাঘব করা জরুরি। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করবে।

প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতাপনগরে বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে আরিফ হোসেন (৩৫) নামে এক মৎস্যজীবি নৌকা থেক পড়ে নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধার হলেও আরিফের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ জানান, চাকলা গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হাই সানার ছেলে আরিফ হোসেন প্রতিদিনের ন্যায় নদীতে নৌকায় মাছ ধরার কাজে করছিল। হঠাৎ মেঘের গর্জন ও হাল্কা বৃষ্টিপাতের একপর্যায়ে নৌকায় বজ্রপাতে ঘটলে নৌকায় থাকা একমাত্র আরিফ হোসেন ছিটকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যায় এবং নৌকটিও নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নৌকাটি উদ্ধার করা গেলেও আরিফ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ আরিফ হোসেনের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীরা।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম সদস্য ও ডুবুরীরা উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
আশাশুনি ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জাকির হোসেন জানান, কয়রা থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজে গিয়েছে।