রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ওয়েটার তত্ত্বের দেশে ক্যারিয়ারের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
ওয়েটার তত্ত্বের দেশে ক্যারিয়ারের মৃত্যু

মো: মামুন হাসান

বাংলাদেশে একজন শিক্ষার্থী যদি বলে সে ডাক্তার হতে চায়, আমরা তাকে বাহবা দিই। ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইলে গর্ব করি। বিসিএসের প্রস্তুতি নিলে আত্মীয়স্বজন পর্যন্ত তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। কিন্তু একই শিক্ষার্থী যদি বলে সে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পড়তে চায়, তখন অনেকের মুখে একটাই প্রশ্ন শোনা যায় “হোটেলে চাকরি করবে নাকি?”

এই প্রশ্নটি শুধু একটি প্রশ্ন নয়; এটি আমাদের সমাজের দীর্ঘদিনের অজ্ঞতা, সংকীর্ণতা এবং পেশাগত বৈষম্যের প্রতিচ্ছবি। অবাক লাগে, যে সমাজ বিদেশে গিয়ে পাঁচতারকা হোটেলের সেবা দেখে মুগ্ধ হয়, সেই সমাজ নিজের দেশে হসপিটালিটি পেশাজীবীদের সম্মান দিতে কৃপণতা করে। যে অভিভাবক সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক হোটেলে চাকরি পেলে গর্ব করেন, তিনিই দেশে একই বিষয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে নিরুৎসাহিত করেন।এর চেয়ে বড় আত্মবিরোধিতা আর কী হতে পারে?

বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের অন্যতম অবহেলিত অথচ সম্ভাবনাময় শিক্ষাখাত ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট। এই অবহেলার কারণ দক্ষতার অভাব নয়, সুযোগের অভাবও নয়; মূল সমস্যা আমাদের মানসিকতায়। আমরা এখনো মনে করি সাদা অ্যাপ্রোন পরলে সম্মান আছে, টাই পরে অফিসে বসলে মর্যাদা আছে, কিন্তু অতিথি ব্যবস্থাপনা, হোটেল পরিচালনা বা পর্যটন শিল্পে কাজ করলে সম্মান কমে যায়। অথচ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বহু আগেই এই সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসেছে।

সুইজারল্যান্ডের মতো দেশে হোটেল ম্যানেজমেন্ট একটি এলিট শিক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রপ্রধান, ব্যবসায়ী এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও হসপিটালিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। কারণ এই শিক্ষা মানুষকে শুধু হোটেল পরিচালনা নয়, নেতৃত্ব, যোগাযোগ, সংকট মোকাবিলা এবং মানুষকে বোঝার দক্ষতা শেখায়। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো অনেক শিক্ষার্থী আত্মীয়স্বজনের কটূক্তির ভয়ে এই বিষয়ে ভর্তি হতে সাহস পায় না। আরেকটি প্রশ্ন আমাদের বিবেককে নাড়া দেওয়া উচিত। দেশের বড় বড় পাঁচতারকা হোটেলগুলোতে বিদেশি শেফ, বিদেশি কনসালট্যান্ট, বিদেশি ম্যানেজার কেন কাজ করেন? তারা কি আমাদের চেয়ে বেশি মেধাবী? অবশ্যই নয়। তাদের বড় শক্তি হলো তারা এমন সমাজ থেকে এসেছে, যেখানে দক্ষতাকে সম্মান করা হয়। আর আমরা এখনো ডিগ্রির নাম দেখে সম্মান দিই, দক্ষতার মূল্য নয়। ফলে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে।

 

যে পদগুলোতে বাংলাদেশের তরুণরা কাজ করতে পারত, সেগুলোতে বিদেশিরা নিয়োগ পাচ্ছে। আমরা একদিকে বেকারত্বের অভিযোগ করছি, অন্যদিকে কর্মসংস্থানের একটি বিশাল ক্ষেত্রকে অবজ্ঞা করছি। এটা কি আত্মঘাতী নয়? আরও দুঃখজনক হলো, দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ থাকলেও সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ খুবই সীমিত। ক্যারিয়ার গাইডেন্সে এই খাতের আলোচনা প্রায় অনুপস্থিত। যেন এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ পেশাই নয়, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো।

বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্প এখন অন্যতম বৃহৎ নিয়োগদাতা খাত। দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড কিংবা তুরস্কের অর্থনীতির দিকে তাকালেই বোঝা যায় কীভাবে পর্যটন ও হসপিটালিটি লাখ লাখ মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে।

বাংলাদেশের রয়েছে কক্সবাজার, সুন্দরবন, সেন্ট মার্টিন, পাহাড়ি অঞ্চল, প্রতœতাত্ত্বিক ঐতিহ্য এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমরা কি সেই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরি করছি? উত্তর খুব সুখকর নয়। আমরা এখনো এমন এক সমাজে বাস করি, যেখানে অনেক মানুষ মনে করেন হোটেল ম্যানেজমেন্ট মানে ট্রে হাতে অতিথির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা। অথচ তারা জানেন না, সেই হোটেলের ব্যবস্থাপক শত কোটি টাকার সম্পদ পরিচালনা করেন, শত শত কর্মীর নেতৃত্ব দেন এবং একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সুনাম রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন। সমস্যা আসলে পেশার নয়; সমস্যা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির।

আমরা সন্তানদের শেখাই “মানুষ কী বলবে”। কিন্তু শেখাই না “তুমি কী হতে চাও”। আমরা মর্যাদা খুঁজি পেশার নামে, দক্ষতায় নয়। ফলাফল হলো, অনেক তরুণ নিজের আগ্রহের জায়গা ছেড়ে সামাজিক চাপের কাছে হার মানে। কেউ হয়তো ভালো হসপিটালিটি ম্যানেজার হতে পারত, কেউ আন্তর্জাতিক মানের শেফ, কেউ পর্যটন উদ্যোক্তা। কিন্তু সমাজের ভ্রুকুটির কারণে তারা অন্য পথে চলে যায়।

বাংলাদেশ যদি সত্যিই দক্ষতা নির্ভর অর্থনীতি গড়তে চায়, তাহলে এই মানসিকতা বদলাতেই হবে। আজ প্রয়োজন একটি সামাজিক আন্দোলনের। এমন একটি আন্দোলন, যা বলবে সব পেশার মর্যাদা সমান নয়, কিন্তু সব সম্মানজনক পেশার মর্যাদা থাকা উচিত। আর হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট নিঃসন্দেহে একটি সম্মানজনক, আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক পেশা।

প্রশ্ন একটাই আর কতদিন আমরা অজ্ঞতার কারণে একটি সম্ভাবনাময় খাতকে অবহেলা করব? আর কতদিন আমরা বিদেশি দক্ষ জনবল আমদানি করব, অথচ নিজের দেশের তরুণদের স্বপ্নকে তুচ্ছজ্ঞান করব? আর কতদিন আমরা পেশাকে নয়, পেশার নামকে সম্মান দেব? সম্ভবত সময় এসেছে আয়নায় নিজেদের দেখার। কারণ হোটেল ম্যানেজমেন্টের সংকট আসলে এই খাতের নয়; সংকট আমাদের সামাজিক মানসিকতার। আর এই মানসিকতার পরিবর্তন না হলে আমরা শুধু একটি শিক্ষাবিষয়কে নয়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির একটি বড় সম্ভাবনাকেও হারাতে থাকব।

লেখক: মো: মামুন হাসান, ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও তলুইগাছা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার চান্দা হতে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার তলুইগাছা হতে ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

সাতক্ষীরায় নবনির্মিত কবরস্থানের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নবনির্মিত কবরস্থানের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদরের মাছখোলায় ফাতেমা দারুস সালাম কবরস্থানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কবরস্থানটির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-২ (সদর -দেবহাটা) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহরের মেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদ হাসান, ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ এবং সদর উপজেলা মিডিয়া বিভাগের সভাপতি আনিছুর রহমান।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান, জাকির হোসেন লস্কর শেলী, শোকর আলী, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য ডাঃ মিজানুর রহমান, নবজান, ঝুটিতলা বাজার কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি এবং এলাকাবাসী।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মৃত মুসলমানদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ফাতেমা দারুস সালাম কবরস্থান ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা কবরস্থানের সার্বিক উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানান।

একসময় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন লস্কর শেলী সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি করে বলেন অত্রালাকার জনচলাচলল অনুপযোগী রাস্তা যাহাতে সংস্কার করা হয় তাহার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।
সংসদ সদস্য রাস্তা সংস্কারের আস্বাস দেন।

 

 

 

মোহনপুর আনসার ভিডিপি ক্লাবের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও গ্রাহক মেলা-২০২৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
মোহনপুর আনসার ভিডিপি ক্লাবের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও গ্রাহক মেলা-২০২৬

সংবাদদাতা: ঝাউডাঙ্গার মোহনপুর আনসার ভিডিপি ক্লাবের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও গ্রাহক মেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে, মোহনপুর আনছার ও ভিডিপি ক্লাব প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

“সঞ্চয় মানুষের ভবিষ্যৎ জীবনকে সুরক্ষিত এবং ঋণমুক্ত রাখে” এই প্রতিপদ্দকে সামনে রেখে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও সদর উপজেলার সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুর্শিদ আলম। এছাড়াও সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আখতারুজ্জামান বাপ্পি, ইউপি সদস্য সিদ্দিকুল ইসলাম প্রমুখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে মোহনপুর আনসার ভিডিপি ক্লাবের নতুন কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় ও ক্লাবের সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোহনপুর আনসার ভিডিপি ক্লাবের মোঃ কবিরুল ইসলাম।